Upgrade to Pro

  • খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য:

    ২৭ জুন, ১৯৮১।
    তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে রাখা একটি টেপ রেকর্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর যখন রেকর্ডারটি চেক করা হয়, তখন তার ভেতরে একটি ছোট চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল: "ফোরকান গ্রুপের পক্ষ থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে উপহার।" বোঝা গেল, টেপ রেকোর্ডারের ভেতরে ছিল শক্তিশালী বোমা।

    ​এই ​বিস্ফোরনে খামেনির বুক, ডান কাঁধ এবং ডান হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফুসফুস ছিদ্র হয়ে যায়, সাথে প্রচুর রক্তক্ষরণ।চিকিৎসকদের মতে, তিনি যে বেঁচে ফিরেছেন তা ছিল এক কথায় অলৌকিক। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শক্তিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ডান হাতের স্নায়ু বা নার্ভগুলো পুরোপুরি ছিঁড়ে যায়। ডাক্তাররা কয়েক ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করেও হাতটি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারেননি। এর ফলে তাঁর ডান হাতটি চিরতরে অচল বা প্যারালাইজড হয়ে যায়। তবুও এক হাত দিয়ে কাঁপিয়েছেন বিশ্ব।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লেখা একটি বই ভীষণ জনপ্রিয়।বইটার নাম 'Palestine'। ৪১৬ পৃষ্ঠার এই বইটিতে তিনি ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে এমন সুনিপুণ ম্যাপ আর গাণিতিক বিশ্লেষণ দিয়েছেন যা অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষককে অবাক করেছে। বইটি পড়লে ধারণা পাওয়া যায়, কতটা রণকৌশলী মস্তিষ্ক ছিল খামেনির।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় নেতা যাকে 'টাইম' এবং 'ফোর্বস' ম্যাগাজিন বারবার বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সেখানে তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার এক ইশারায় বিশ্ব তেলের বাজার ও ভূ-রাজনীতি তোলপাড় হতে পারে।

    অনেকেই জানেন না যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি একজন বড় মাপের আধ্যাত্মিক সাধক বা 'আরিফ'। তিনি ইসলামের গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন বা 'ইরফান'-এ বিশ্বাসী। তিনি মনে করেন, স্রষ্টার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য শুধু নামাজ-রোজার পাশাপাশি অন্তরের পবিত্রতা এবং দুনিয়াবি মোহ ত্যাগ করা জরুরি। তাঁর শান্ত ও ধীরস্থির আচরণের পেছনে এই আধ্যাত্মিক চর্চার বড় প্রভাব দেখেন বিশ্লেষকরা। খামেনি 'বেলায়াত-এ-ফকিহ' দর্শনে বিশ্বাসী। এর সহজ মানে হলো—যতক্ষণ পর্যন্ত ইমাম মাহদী সশরীরে ফিরে না আসছেন, ততক্ষণ একজন যোগ্য এবং ন্যায়পরায়ণ ইসলামি আইনবিদ মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই রাজনৈতিক ক্ষমতা আসলে একটি ধর্মীয় দায়িত্ব। অনুসারী মনে করেন, খামেনি আসলে ইমাম মাহদীর আগমনের পথ প্রস্তুত করছেন।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রায়ই বলেন, বিজ্ঞান এবং ইসলাম একে অপরের পরিপূরক। একারণেই ইরানে তাঁর শাসনামলে স্টেম সেল রিসার্চ, ন্যানো টেকনোলজি এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অনেক রক্ষণশীল মুসলিম দেশে নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত করা হয়।

    খামেনির সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো তাঁর দেওয়া একটি বিশেষ ফতোয়া। এর মাধ্যমে তিনি সুন্নিদের অপমান করা হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি মনে করেন, শিয়াদের মধ্যে যারা সুন্নিদের আবেগ নিয়ে কটূক্তি করে, তারা আসলে ইসলামের শত্রু এবং ব্রিটিশ বা পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার চর।
    যেকারণে শিয়া নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ-এর মতো সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বছরের পর বছর ধরে সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। ভূ-রাজনীতিতে এটি একটি বিরল ঘটনা, যেখানে একজন শিয়া নেতা সুন্নিদের স্বার্থে এত বড় ঝুঁকি নেন।
    প্রজ্ঞাবান বিশ্বনেতাদের চাইলেই শেষ করা যায় না। বিনম্র শ্রদ্ধা, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
    - জটাংক
    খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য: ২৭ জুন, ১৯৮১। তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে রাখা একটি টেপ রেকর্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর যখন রেকর্ডারটি চেক করা হয়, তখন তার ভেতরে একটি ছোট চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল: "ফোরকান গ্রুপের পক্ষ থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে উপহার।" বোঝা গেল, টেপ রেকোর্ডারের ভেতরে ছিল শক্তিশালী বোমা। ​এই ​বিস্ফোরনে খামেনির বুক, ডান কাঁধ এবং ডান হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফুসফুস ছিদ্র হয়ে যায়, সাথে প্রচুর রক্তক্ষরণ।চিকিৎসকদের মতে, তিনি যে বেঁচে ফিরেছেন তা ছিল এক কথায় অলৌকিক। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শক্তিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ডান হাতের স্নায়ু বা নার্ভগুলো পুরোপুরি ছিঁড়ে যায়। ডাক্তাররা কয়েক ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করেও হাতটি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারেননি। এর ফলে তাঁর ডান হাতটি চিরতরে অচল বা প্যারালাইজড হয়ে যায়। তবুও এক হাত দিয়ে কাঁপিয়েছেন বিশ্ব। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লেখা একটি বই ভীষণ জনপ্রিয়।বইটার নাম 'Palestine'। ৪১৬ পৃষ্ঠার এই বইটিতে তিনি ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে এমন সুনিপুণ ম্যাপ আর গাণিতিক বিশ্লেষণ দিয়েছেন যা অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষককে অবাক করেছে। বইটি পড়লে ধারণা পাওয়া যায়, কতটা রণকৌশলী মস্তিষ্ক ছিল খামেনির। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় নেতা যাকে 'টাইম' এবং 'ফোর্বস' ম্যাগাজিন বারবার বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সেখানে তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার এক ইশারায় বিশ্ব তেলের বাজার ও ভূ-রাজনীতি তোলপাড় হতে পারে। অনেকেই জানেন না যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি একজন বড় মাপের আধ্যাত্মিক সাধক বা 'আরিফ'। তিনি ইসলামের গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন বা 'ইরফান'-এ বিশ্বাসী। তিনি মনে করেন, স্রষ্টার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য শুধু নামাজ-রোজার পাশাপাশি অন্তরের পবিত্রতা এবং দুনিয়াবি মোহ ত্যাগ করা জরুরি। তাঁর শান্ত ও ধীরস্থির আচরণের পেছনে এই আধ্যাত্মিক চর্চার বড় প্রভাব দেখেন বিশ্লেষকরা। খামেনি 'বেলায়াত-এ-ফকিহ' দর্শনে বিশ্বাসী। এর সহজ মানে হলো—যতক্ষণ পর্যন্ত ইমাম মাহদী সশরীরে ফিরে না আসছেন, ততক্ষণ একজন যোগ্য এবং ন্যায়পরায়ণ ইসলামি আইনবিদ মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই রাজনৈতিক ক্ষমতা আসলে একটি ধর্মীয় দায়িত্ব। অনুসারী মনে করেন, খামেনি আসলে ইমাম মাহদীর আগমনের পথ প্রস্তুত করছেন। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রায়ই বলেন, বিজ্ঞান এবং ইসলাম একে অপরের পরিপূরক। একারণেই ইরানে তাঁর শাসনামলে স্টেম সেল রিসার্চ, ন্যানো টেকনোলজি এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অনেক রক্ষণশীল মুসলিম দেশে নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত করা হয়। খামেনির সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো তাঁর দেওয়া একটি বিশেষ ফতোয়া। এর মাধ্যমে তিনি সুন্নিদের অপমান করা হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি মনে করেন, শিয়াদের মধ্যে যারা সুন্নিদের আবেগ নিয়ে কটূক্তি করে, তারা আসলে ইসলামের শত্রু এবং ব্রিটিশ বা পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার চর। যেকারণে শিয়া নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ-এর মতো সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বছরের পর বছর ধরে সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। ভূ-রাজনীতিতে এটি একটি বিরল ঘটনা, যেখানে একজন শিয়া নেতা সুন্নিদের স্বার্থে এত বড় ঝুঁকি নেন। প্রজ্ঞাবান বিশ্বনেতাদের চাইলেই শেষ করা যায় না। বিনম্র শ্রদ্ধা, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। - জটাংক
    ·1K Views ·0 voorbeeld
  • ৩১ বছর বয়সে আমার ৩১টা অভিজ্ঞতা..

    ১. ভার্সিটির বড় ডিগ্রিটা কেবল ইন্টারভিউ বোর্ড পর্যন্ত নিয়ে যাবে। এরপর টিকে থাকতে হলে স্কিল লাগবে। কোন স্কিল কিংবা জব ফিল্ড পার্মানেন্ট নয় সরকারি চাকরি ছাড়া তাই কন্টিনিউ নিজেকে আপডেট করতে থাকুন আর যদি বাংলাদেশে থাকেন তবে কোনভাবে সরকারি চাকরিতে ঢোকার সুযোগ হয় সেটা হাতছাড়া করবেন না, and Yes CGPA এবং মামা-চাচা থাকাটা অনেক বড় ম্যাটার করে।

    ২. টাকা না থাকলে পুরুষ মানুষ হিজড়া হয়ে যায়, শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্য।

    ৩. আপনি ফেরেশতা হলেও কারো না কারো কাছে আপনি খারাপ। তাই "লোকে কী বলবে" সেটা লোককে ভাবতে দিন আপনি আপনার কাজ করে যান।

    ৪. Zara/H&M-এর জামা বা দামী আইফোন কেনাটা সফলতা নয়। বিপদের সময় কারো কাছে হাত না পেতে চলার মতো ব্যাংক ব্যালেন্স থাকাই আসল সফলতা। Show Off করে ফকিন্নি।

    ৫. কেবল একটা চাকরির ওপর ভরসা করে থাকা বোকামি। সাইড হাসল বা ছোটখাটো ইনভেস্টমেন্ট থাকতেই হবে। চাকরি কাল চলে গেলে পরশু কী খাবেন, সেটা আজই ভাবতে হবে।

    ৬. এক বছর আপনি যদি ইনকাম না করেন তারপরও আপনার পরিবার যেন চলতে পারে এই পরিমাণ টাকা যদি আপনার ব্যাংকে" ইমারজেন্সি ফান্ড" হিসেবে না থাকে তাহলে আপনার ব্যবসায় আসা উচিত না।

    ৭. দেখানোর জন্য লোন করে বাইক বা ফোন কেনা মানে নিজের গলার ফাঁস নিজে তৈরি করা। আয়ের চেয়ে ব্যয় কম—এই সহজ সূত্র যে বোঝে না, সে সারাজীবন গরিবই থাকে।

    ৮. ২৮-এ এসে দেখবেন ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট বড় কিন্তু কথা বলার মানুষ ২-৩ জন। এটাই স্বাভাবিক।

    ৯. আমরা ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে ভুলে যাই যে বাবা-মায়ের সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের সাথে সময় কাটান, কারণ এই সময়টা আর ফিরবে না।

    ১০. অফিসের কথা অফিসে। কলিগদের সাথে বেশি মাখামাখি বা ব্যক্তিগত কথা শেয়ার করা ক্যারিয়ারের জন্য আত্মঘাতী হতে পারে।

    ১১. রিলেশনশিপ গার্লফ্রেন্ডকে খুশি করার জন্য সামর্থের বাইরে খরচ করবেন না, এমন একজন পার্টনার খুঁজে বের করুন যে সারা জীবন আপনার পাশে থাকবে আপনার বিপদ-আপদে আপনাকে ছেড়ে যাবে না, Otherwise, stay alone.

    ১২. যে অন্য কাউকে ধোঁকা দিয়েছে সে আপনাকেও ধোকা দিবে, এই জামানায় ফ্যামিলি মেনে নিচ্ছে না এই কথাটা একবারেই ভুয়া, তার কাছে আপনার থেকেও বেটার অফার এসেছে এটা হল কথা | যখন কোন কিছু চিন্তা করবেন তখন দুই কানের মাঝখানে যেটা আছে সেটা ব্যবহার করার ট্রাই করবেন, দুই পায়ের মাঝখানে যেটা আছে সেটা নয়, পার্টনার ধোকা দিলে মাফ করবেন না..

    ১৩. এমন মানুষ খুঁজুন যে আপনার ভিশন বুঝবে এবং খারাপ সময়ে মানসিক সাপোর্ট দেবে। চেহারা কয়েক বছর পর এমনিতেই ফিকে হয়ে যায়। পারস্পরিক সমঝোতা এবং সম্মান না থাকলে কোন সম্পর্কই থাকবে না | আপনি যদি পুরুষ মানুষ হন তাহলে পরিবারে টাকা পয়সার ব্যালেন্স এবং নিরাপত্তা তৈরি করা আপনার দায়িত্ব আর আপনি যদি মহিলা মানুষ হন সংসার ঠিকভাবে ব্যালেন্স করে চলে এবং আপনার বাচ্চা যেন সঠিকভাবে মানুষ হয় এটা আপনার দায়িত্ব.. বাকি সব কিছু শুধু সোসাইটি মেনটেন করা।

    ১৪. সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের ট্যুর বা সাকসেস স্টোরি দেখে ডিপ্রেশনে ভুগবেন না। প্রত্যেকে তার নিজের টাইমজোনে দৌড়াচ্ছে। কেউ ২৫-এ সিইও, কেউ ৩৫-এ শুরু করে। মাসের এক তারিখে শুরু করতে হবে এমন কোন মানে নেই- যখন মনে হবে তখনই শুরু করুন।

    ১৫. নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করে অন্যের উপকার করার দরকার নেই। নির্লজ্জের মতো "না" বলা শিখলে জীবনে প্যারা অনেক কমে যায়। মানুষের জন্য বেশি করতে যাবেন না, মানুষ দিনশেষে নিমকহারাম।

    ১৬. সব নিজে ঠেকে শিখতে গেলে জীবন ছোট হয়ে যাবে। সঠিক মানুষের কাজ ফলো করুন। কোন একজন মানুষকে ফলো করুন তাকে নিজের মেন্টর বানানোর চেষ্টা করুন হয়তোবা সহজ হবে না কিন্তু যদি বানাতে পারেন তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন।

    ১৭. ২৮-এর পর শরীর জানান দেয়। ব্যাক পেইন, গ্যাস্ট্রিক বা চোখের সমস্যা শুরু হতে পারে। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ব্যায়াম আর পর্যাপ্ত ঘুম বিলাসিতা নয়, প্রয়োজনীয়তা। Gym কথা শুনে কেউ যদি হাসে কিংবা টিটকারি করে ডাম্বেল ওর মুখে ছুড়ে মারুন।

    ১৮. রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোনো স্কিম নেই। শর্টকাট খুঁজলে লং টার্মে পস্তাতে হবে। কনসিস্টেন্সি বা লেগে থাকাই আসল চাবিকাঠি।

    ১৯. রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত সবসময় ভুল হয়। চুপ থাকতে পারাটা এই বয়সে এসে একটা বড় সুপারপাওয়ার। আমি ছোটবেলা থেকেই খুবই শর্ট টেম্পার এবং বদমেজাজি টাইপের মানুষ ছিলাম আমি আস্তে আস্তে এই জিনিসটা শিখেছি এখন আমি অনেক ঠান্ডা মাথায় অনেক কোল্ড ডিসিশন নেই এবং খুব ভয়ঙ্কর ভাবেই নেই।

    ২০. মুভি দেখতে বা রেস্টুরেন্টে যেতে সঙ্গী লাগবেই—এই ধারণা বাদ দিন। নিজের সাথে সময় কাটাতে না জানলে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল। Covid সময়ে প্রায় 3 বছর আমি একাই থাকা শিখেছি এবং এরপর থেকে আমার আসলে কোন জায়গা যাওয়ার জন্য কোন মানুষ প্রয়োজন পড়ে না বেশিভাগ জায়গায় আমি একাই যাই এমন কি তিনটা দেশে আমি ঘুরেছি একাই।

    ২১. যে বুঝবে না, তাকে বোঝানোর চেয়ে মুচকি হেসে এড়িয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। আপনার এনার্জি তর্কের চেয়ে কাজে লাগানো জরুরি। যে বুঝবে না তাকে মারা খেতে দিন, ভালোভাবে মারা খেয়ে তখন আপনার কাছে আবার আসবে, চিন্তা করার কোন কিছু নেই।

    ২২. যা নেই তা নিয়ে হাহাকার না করে, যা আছে তা নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলা শিখুন। মানসিক শান্তি মিলবে। নামাজ পড়ুন পারলে দান সদকা কিছুটা করুন.. হয়তোবা যা আপনার কাছে আছে এটা অন্য মানুষের কাছে স্বপ্ন।

    ২৩. নিজের প্ল্যান, লাভ লাইফ বা ইনকাম—মানুষকে যত কম জানাবেন, আপনি তত নিরাপদ থাকবেন। নজরে লাগা বা হিংসা করার মানুষের অভাব নেই। আমার মনে হয় আমার প্রত্যেকটা ফলোয়ার এ বিষয়ে সম্পর্কে জানা উচিত আপনারা অনেকেই দেখছেন হয়তোবা আমি এমন কোন ভিডিও দুই বছর আগে শুট করে রেখেছি কিন্তু আপনাদেরকে জানায়নি আমার বেশিরভাগ প্রজেক্ট কাজ সবকিছুই আমি গোপন রাখতে পছন্দ করি | আমার রুমমেট দুই বছর ধরে আমার একই রুমে থেকেও বুঝতে পারেনি আমি কি কাজ করতেছি।

    ২৪. ছেলে হোক বা মেয়ে, নিজের কাজ (রান্না, কাপড় ধোয়া) নিজে জানাটা এখন বেসিক লাইফ স্কিল। যেসব পারেনা সে ছেলে কিংবা মেয়ে যেই হোক না কেন সে একটা অপদার্থ।

    ২৫. বই পড়ে যা শেখা যায় না, একটা সস্তা বাজেটের ট্যুর দিলে তার চেয়ে বেশি শেখা যায়। পৃথিবীটা দেখুন। টাকা পয়সা জমিয়ে কিংবা প্ল্যান করে কোথাও যাওয়ার চিন্তাভাবনা থাকলে সারা জীবনের যেতে পারবেন না।

    ২৬. কারো কাছে কিছু আশা করবেন না। মানুষ তার প্রয়োজনে আপনাকে মনে রাখবে, কাজ শেষে ভুলে যাবে—এটাই নিয়ম। মানুষকে কথা দিলে কথা রাখুন। সময়ের দাম দিলে সময় আপনাকে দাম দেবে। মনে ক্ষোভ পুষে রাখলে নিজেরই ক্ষতি। মাফ করে দিন, কিন্তু নামটা মনে রাখুন যাতে দ্বিতীয়বার ঠকতে না হয়।

    ২৭. নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়।

    ২৮. সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি।

    ২৯. জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা।

    ৩০. শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে।

    ৩১. সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা।

    সার-সংক্ষেপঃ
    ১) বয়স বাড়ে, কিন্তু সবাই বড় হয় না—কিছু মানুষ শুধু বয়সে বড় হয়।
    ২) সম্পর্ক টিকে থাকে সম্মান আর বোঝাপড়ায়, কথার দৈর্ঘ্যে না।
    ৩) বেশি কথা বললে নয়, ঠিক সময়ে চুপ থাকলেই মানুষ বড় হয়।
    ৪) সব বন্ধু সারাজীবনের নয়—কিছু বন্ধু শুধু একটি অধ্যায়ের জন্য।
    ৫) পরিবারই একমাত্র জায়গা, যেখানে হারলেও আশ্রয় মেলে।
    ৬) টাকা সব সমস্যার সমাধান না, কিন্তু টাকার অভাবে সমস্যা নিশ্চিত।
    ৭) কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে ধারাবাহিকতা বেশি ফল দেয়।
    ৮) সবাই তোমার ভালো চাইবে—এই ধারণা সবচেয়ে বড় ভুল।
    ৯) নিজের সীমা না জানলে মানুষ সেই সীমা লঙ্ঘন করবেই।
    ১০) সম্মান চাইলে আগে নিজেকে সম্মান করতে হয়।
    ১১) ব্যর্থতা লজ্জার নয়, থেমে যাওয়া লজ্জার।
    ১২) জীবনে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না—কিছু মেনে নিতে হয়।
    ১৩) একাকিত্ব কখনো দুর্বলতা নয়, কখনো শক্তির উৎস।
    ১৪) আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে পরে যুক্তি খুঁজতে হয়।
    ১৫) সময়ই সবচেয়ে দামি সম্পদ—এটা অপচয় করলে জীবন অপচয় হয়।
    ১৬) সবার সাথে সব কথা বলা বুদ্ধিমানের কাজ না।
    ১৭) যারা কষ্টে পাশে থাকে, তারাই আসল মানুষ।
    ১৮) স্বপ্ন বড় হওয়া দোষ না, সাহস ছোট হওয়াই সমস্যা।
    ১৯) নিজের ভেতরের ভয়টাই সবচেয়ে বড় শত্রু।
    ২০) সবকিছু ঠিক করার দায়িত্ব শুধু নিজেরই।
    ২১) ক্ষমা করা মানে ভুলে যাওয়া না, নিজের মনকে হালকা করা।
    ২২) জীবনে “না” বলতে শেখা খুব জরুরি।
    ২৩) মানুষ বদলায়—পরিস্থিতি বদলালে সেটা আরও স্পষ্ট হয়।
    ২৪) শান্তি অনেক সময় সাফল্যের চেয়েও মূল্যবান।
    ২৫) তুলনা সুখ নষ্ট করে, আত্মউন্নয়ন সুখ বাড়ায়।
    ২৬) সময় খারাপ গেলে আসল চরিত্রগুলো সামনে আসে।
    ২৭) শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে।
    ২৮) নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়।
    ২৯) সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি।
    ৩০) জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা।
    ৩১) সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা।

    Good Luck ❤️ with Salah Uddin Kader Ayyubi
    ৩১ বছর বয়সে আমার ৩১টা অভিজ্ঞতা.. ১. ভার্সিটির বড় ডিগ্রিটা কেবল ইন্টারভিউ বোর্ড পর্যন্ত নিয়ে যাবে। এরপর টিকে থাকতে হলে স্কিল লাগবে। কোন স্কিল কিংবা জব ফিল্ড পার্মানেন্ট নয় সরকারি চাকরি ছাড়া তাই কন্টিনিউ নিজেকে আপডেট করতে থাকুন আর যদি বাংলাদেশে থাকেন তবে কোনভাবে সরকারি চাকরিতে ঢোকার সুযোগ হয় সেটা হাতছাড়া করবেন না, and Yes CGPA এবং মামা-চাচা থাকাটা অনেক বড় ম্যাটার করে। ২. টাকা না থাকলে পুরুষ মানুষ হিজড়া হয়ে যায়, শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্য। ৩. আপনি ফেরেশতা হলেও কারো না কারো কাছে আপনি খারাপ। তাই "লোকে কী বলবে" সেটা লোককে ভাবতে দিন আপনি আপনার কাজ করে যান। ৪. Zara/H&M-এর জামা বা দামী আইফোন কেনাটা সফলতা নয়। বিপদের সময় কারো কাছে হাত না পেতে চলার মতো ব্যাংক ব্যালেন্স থাকাই আসল সফলতা। Show Off করে ফকিন্নি। ৫. কেবল একটা চাকরির ওপর ভরসা করে থাকা বোকামি। সাইড হাসল বা ছোটখাটো ইনভেস্টমেন্ট থাকতেই হবে। চাকরি কাল চলে গেলে পরশু কী খাবেন, সেটা আজই ভাবতে হবে। ৬. এক বছর আপনি যদি ইনকাম না করেন তারপরও আপনার পরিবার যেন চলতে পারে এই পরিমাণ টাকা যদি আপনার ব্যাংকে" ইমারজেন্সি ফান্ড" হিসেবে না থাকে তাহলে আপনার ব্যবসায় আসা উচিত না। ৭. দেখানোর জন্য লোন করে বাইক বা ফোন কেনা মানে নিজের গলার ফাঁস নিজে তৈরি করা। আয়ের চেয়ে ব্যয় কম—এই সহজ সূত্র যে বোঝে না, সে সারাজীবন গরিবই থাকে। ৮. ২৮-এ এসে দেখবেন ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট বড় কিন্তু কথা বলার মানুষ ২-৩ জন। এটাই স্বাভাবিক। ৯. আমরা ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে ভুলে যাই যে বাবা-মায়ের সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের সাথে সময় কাটান, কারণ এই সময়টা আর ফিরবে না। ১০. অফিসের কথা অফিসে। কলিগদের সাথে বেশি মাখামাখি বা ব্যক্তিগত কথা শেয়ার করা ক্যারিয়ারের জন্য আত্মঘাতী হতে পারে। ১১. রিলেশনশিপ গার্লফ্রেন্ডকে খুশি করার জন্য সামর্থের বাইরে খরচ করবেন না, এমন একজন পার্টনার খুঁজে বের করুন যে সারা জীবন আপনার পাশে থাকবে আপনার বিপদ-আপদে আপনাকে ছেড়ে যাবে না, Otherwise, stay alone. ১২. যে অন্য কাউকে ধোঁকা দিয়েছে সে আপনাকেও ধোকা দিবে, এই জামানায় ফ্যামিলি মেনে নিচ্ছে না এই কথাটা একবারেই ভুয়া, তার কাছে আপনার থেকেও বেটার অফার এসেছে এটা হল কথা | যখন কোন কিছু চিন্তা করবেন তখন দুই কানের মাঝখানে যেটা আছে সেটা ব্যবহার করার ট্রাই করবেন, দুই পায়ের মাঝখানে যেটা আছে সেটা নয়, পার্টনার ধোকা দিলে মাফ করবেন না.. ১৩. এমন মানুষ খুঁজুন যে আপনার ভিশন বুঝবে এবং খারাপ সময়ে মানসিক সাপোর্ট দেবে। চেহারা কয়েক বছর পর এমনিতেই ফিকে হয়ে যায়। পারস্পরিক সমঝোতা এবং সম্মান না থাকলে কোন সম্পর্কই থাকবে না | আপনি যদি পুরুষ মানুষ হন তাহলে পরিবারে টাকা পয়সার ব্যালেন্স এবং নিরাপত্তা তৈরি করা আপনার দায়িত্ব আর আপনি যদি মহিলা মানুষ হন সংসার ঠিকভাবে ব্যালেন্স করে চলে এবং আপনার বাচ্চা যেন সঠিকভাবে মানুষ হয় এটা আপনার দায়িত্ব.. বাকি সব কিছু শুধু সোসাইটি মেনটেন করা। ১৪. সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের ট্যুর বা সাকসেস স্টোরি দেখে ডিপ্রেশনে ভুগবেন না। প্রত্যেকে তার নিজের টাইমজোনে দৌড়াচ্ছে। কেউ ২৫-এ সিইও, কেউ ৩৫-এ শুরু করে। মাসের এক তারিখে শুরু করতে হবে এমন কোন মানে নেই- যখন মনে হবে তখনই শুরু করুন। ১৫. নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করে অন্যের উপকার করার দরকার নেই। নির্লজ্জের মতো "না" বলা শিখলে জীবনে প্যারা অনেক কমে যায়। মানুষের জন্য বেশি করতে যাবেন না, মানুষ দিনশেষে নিমকহারাম। ১৬. সব নিজে ঠেকে শিখতে গেলে জীবন ছোট হয়ে যাবে। সঠিক মানুষের কাজ ফলো করুন। কোন একজন মানুষকে ফলো করুন তাকে নিজের মেন্টর বানানোর চেষ্টা করুন হয়তোবা সহজ হবে না কিন্তু যদি বানাতে পারেন তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন। ১৭. ২৮-এর পর শরীর জানান দেয়। ব্যাক পেইন, গ্যাস্ট্রিক বা চোখের সমস্যা শুরু হতে পারে। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ব্যায়াম আর পর্যাপ্ত ঘুম বিলাসিতা নয়, প্রয়োজনীয়তা। Gym কথা শুনে কেউ যদি হাসে কিংবা টিটকারি করে ডাম্বেল ওর মুখে ছুড়ে মারুন। ১৮. রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোনো স্কিম নেই। শর্টকাট খুঁজলে লং টার্মে পস্তাতে হবে। কনসিস্টেন্সি বা লেগে থাকাই আসল চাবিকাঠি। ১৯. রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত সবসময় ভুল হয়। চুপ থাকতে পারাটা এই বয়সে এসে একটা বড় সুপারপাওয়ার। আমি ছোটবেলা থেকেই খুবই শর্ট টেম্পার এবং বদমেজাজি টাইপের মানুষ ছিলাম আমি আস্তে আস্তে এই জিনিসটা শিখেছি এখন আমি অনেক ঠান্ডা মাথায় অনেক কোল্ড ডিসিশন নেই এবং খুব ভয়ঙ্কর ভাবেই নেই। ২০. মুভি দেখতে বা রেস্টুরেন্টে যেতে সঙ্গী লাগবেই—এই ধারণা বাদ দিন। নিজের সাথে সময় কাটাতে না জানলে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল। Covid সময়ে প্রায় 3 বছর আমি একাই থাকা শিখেছি এবং এরপর থেকে আমার আসলে কোন জায়গা যাওয়ার জন্য কোন মানুষ প্রয়োজন পড়ে না বেশিভাগ জায়গায় আমি একাই যাই এমন কি তিনটা দেশে আমি ঘুরেছি একাই। ২১. যে বুঝবে না, তাকে বোঝানোর চেয়ে মুচকি হেসে এড়িয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। আপনার এনার্জি তর্কের চেয়ে কাজে লাগানো জরুরি। যে বুঝবে না তাকে মারা খেতে দিন, ভালোভাবে মারা খেয়ে তখন আপনার কাছে আবার আসবে, চিন্তা করার কোন কিছু নেই। ২২. যা নেই তা নিয়ে হাহাকার না করে, যা আছে তা নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলা শিখুন। মানসিক শান্তি মিলবে। নামাজ পড়ুন পারলে দান সদকা কিছুটা করুন.. হয়তোবা যা আপনার কাছে আছে এটা অন্য মানুষের কাছে স্বপ্ন। ২৩. নিজের প্ল্যান, লাভ লাইফ বা ইনকাম—মানুষকে যত কম জানাবেন, আপনি তত নিরাপদ থাকবেন। নজরে লাগা বা হিংসা করার মানুষের অভাব নেই। আমার মনে হয় আমার প্রত্যেকটা ফলোয়ার এ বিষয়ে সম্পর্কে জানা উচিত আপনারা অনেকেই দেখছেন হয়তোবা আমি এমন কোন ভিডিও দুই বছর আগে শুট করে রেখেছি কিন্তু আপনাদেরকে জানায়নি আমার বেশিরভাগ প্রজেক্ট কাজ সবকিছুই আমি গোপন রাখতে পছন্দ করি | আমার রুমমেট দুই বছর ধরে আমার একই রুমে থেকেও বুঝতে পারেনি আমি কি কাজ করতেছি। ২৪. ছেলে হোক বা মেয়ে, নিজের কাজ (রান্না, কাপড় ধোয়া) নিজে জানাটা এখন বেসিক লাইফ স্কিল। যেসব পারেনা সে ছেলে কিংবা মেয়ে যেই হোক না কেন সে একটা অপদার্থ। ২৫. বই পড়ে যা শেখা যায় না, একটা সস্তা বাজেটের ট্যুর দিলে তার চেয়ে বেশি শেখা যায়। পৃথিবীটা দেখুন। টাকা পয়সা জমিয়ে কিংবা প্ল্যান করে কোথাও যাওয়ার চিন্তাভাবনা থাকলে সারা জীবনের যেতে পারবেন না। ২৬. কারো কাছে কিছু আশা করবেন না। মানুষ তার প্রয়োজনে আপনাকে মনে রাখবে, কাজ শেষে ভুলে যাবে—এটাই নিয়ম। মানুষকে কথা দিলে কথা রাখুন। সময়ের দাম দিলে সময় আপনাকে দাম দেবে। মনে ক্ষোভ পুষে রাখলে নিজেরই ক্ষতি। মাফ করে দিন, কিন্তু নামটা মনে রাখুন যাতে দ্বিতীয়বার ঠকতে না হয়। ২৭. নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়। ২৮. সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি। ২৯. জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা। ৩০. শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে। ৩১. সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা। সার-সংক্ষেপঃ ১) বয়স বাড়ে, কিন্তু সবাই বড় হয় না—কিছু মানুষ শুধু বয়সে বড় হয়। ২) সম্পর্ক টিকে থাকে সম্মান আর বোঝাপড়ায়, কথার দৈর্ঘ্যে না। ৩) বেশি কথা বললে নয়, ঠিক সময়ে চুপ থাকলেই মানুষ বড় হয়। ৪) সব বন্ধু সারাজীবনের নয়—কিছু বন্ধু শুধু একটি অধ্যায়ের জন্য। ৫) পরিবারই একমাত্র জায়গা, যেখানে হারলেও আশ্রয় মেলে। ৬) টাকা সব সমস্যার সমাধান না, কিন্তু টাকার অভাবে সমস্যা নিশ্চিত। ৭) কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে ধারাবাহিকতা বেশি ফল দেয়। ৮) সবাই তোমার ভালো চাইবে—এই ধারণা সবচেয়ে বড় ভুল। ৯) নিজের সীমা না জানলে মানুষ সেই সীমা লঙ্ঘন করবেই। ১০) সম্মান চাইলে আগে নিজেকে সম্মান করতে হয়। ১১) ব্যর্থতা লজ্জার নয়, থেমে যাওয়া লজ্জার। ১২) জীবনে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না—কিছু মেনে নিতে হয়। ১৩) একাকিত্ব কখনো দুর্বলতা নয়, কখনো শক্তির উৎস। ১৪) আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে পরে যুক্তি খুঁজতে হয়। ১৫) সময়ই সবচেয়ে দামি সম্পদ—এটা অপচয় করলে জীবন অপচয় হয়। ১৬) সবার সাথে সব কথা বলা বুদ্ধিমানের কাজ না। ১৭) যারা কষ্টে পাশে থাকে, তারাই আসল মানুষ। ১৮) স্বপ্ন বড় হওয়া দোষ না, সাহস ছোট হওয়াই সমস্যা। ১৯) নিজের ভেতরের ভয়টাই সবচেয়ে বড় শত্রু। ২০) সবকিছু ঠিক করার দায়িত্ব শুধু নিজেরই। ২১) ক্ষমা করা মানে ভুলে যাওয়া না, নিজের মনকে হালকা করা। ২২) জীবনে “না” বলতে শেখা খুব জরুরি। ২৩) মানুষ বদলায়—পরিস্থিতি বদলালে সেটা আরও স্পষ্ট হয়। ২৪) শান্তি অনেক সময় সাফল্যের চেয়েও মূল্যবান। ২৫) তুলনা সুখ নষ্ট করে, আত্মউন্নয়ন সুখ বাড়ায়। ২৬) সময় খারাপ গেলে আসল চরিত্রগুলো সামনে আসে। ২৭) শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে। ২৮) নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়। ২৯) সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি। ৩০) জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা। ৩১) সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা। Good Luck ❤️ with Salah Uddin Kader Ayyubi
    ·916 Views ·0 voorbeeld
  • সমাজের এমন অধঃপতনের কারণ কি? বিশেষ করে এই ছোট ছোট বাচ্চাদের অধঃপতনের মূল কারণ কি? এর প্রতীকের কি হতে পারে এর থেকে পরিত্রাণ কি হতে পারে কি করলে এগুলো থেকে বাচ্চারা মুক্ত থাকবে!

    কিছুদিন আগে ফেইসবুকে একটা ছবি দেখলাম। একটা বিল্ডিং এর চিপার মধ্যে গিয়ে এই ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়ে দুইটা জড়াজড়ি করে একজন আরেক জনকে ধরে রাখছে! আবার মেয়েটা সামনাসামনি ছেলেটাকে ঘুরে সামনাসামনি জড়িয়ে ধরেছে সমাজ কত নিচে চলে গেছে কল্পনাও করা যায় না!

    ভাই, আপনার কষ্ট-বেদনা বোঝা যায়। 😔
    আমি খুব সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলছি—কারণ বিষয়টা শিশুদের নিয়ে।

    👉 আসলে মুলত দোষ শিশুদের নয়।

    সমাজ এই অধঃপতনে কেন যাচ্ছে? (মূল কারণগুলো)

    📌 পরিবারে দ্বীনি তদারকির অভাব বাবা-মা ব্যস্ত সন্তান কার সাথে মিশছে—খেয়াল নেই “ছোট, কিছু বোঝে না”—এই ভুল ধারণা

    📌 অথচ কুরআন বলছে: > “তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।” 📖 (সূরা তাহরীম: ৬)

    📌 মোবাইল, ইউটিউব, রিলস, নাটক প্রেম-ভালোবাসার দৃশ্য জড়াজড়ি, স্পর্শ—সব নরমালাইজড শিশু নকল করে—বোঝে না

    📌 শিশু যা দেখে, তাই শেখে।

    📌 পর্দা ও লজ্জার শিক্ষা না থাকা কারণ রাসূল ﷺ বলেছেন: > “লজ্জা ঈমানের অংশ।” 📚 সহীহ বুখারী: ২৪

    আজ লজ্জাকে “ব্যাকডেটেড” বলা হচ্ছে।

    📌 মিশ্র পরিবেশ (ফ্রি মিক্সিং) ছেলে-মেয়ে একসাথে খেলাধুলা আলাদা করে শেখানো হয় না সীমারেখা বোঝানো হয় না

    📌 ইসলাম শিশু বয়স থেকেই সীমা শেখায়।

    এটা কিসের প্রতীক? 👉 এটা ভবিষ্যতের ভয়ংকর সংকেত: সামনে গিয়ে জিনা সহজ হবে হারামকে আর হারাম মনে হবে না বিবেক অসাড় হয়ে যাবে

    এটাই কুরআনের ভাষায়— > “তারা হারামকে হালাল মনে করবে।”

    তাহলে পরিত্রাণ কী? (বাস্তব ও কার্যকর সমাধান)

    ✅ পরিবার থেকেই শুরু ৫–৬ বছর থেকেই লজ্জা শরীরের সীমা কার সামনে কিভাবে চলবে —এগুলো শেখাতে হবে

    📌 নবী ﷺ শিশুদের আদব শিখিয়েছেন আগে, শুধু নামাজ নয়।
    ✅ মোবাইল নিয়ন্ত্রণ একা মোবাইল নয় ইউটিউব কিডসেও নজর রিলস/শর্টস বন্ধ

    ✅ ছেলে-মেয়ের আলাদা খেলাধুলা রাসূল ﷺ বলেছেন: > “তোমরা ১০ বছর হলে সন্তানদের বিছানা আলাদা করো। 📚 আবু দাউদ: ৪৯৫
    ➡️ তাহলে খেলাধুলায় আলাদা করা আরও আগে দরকার।

    ✅ মসজিদ ও দ্বীনি পরিবেশ মক্তব কুরআন শিক্ষা নেক মানুষের সঙ্গ
    📌 পরিবেশ বদলালে আচরণ বদলায়।

    ✅ সমাজের দায়িত্ব এমন ভিডিও শেয়ার না করা ট্রল/মজা না বানানো অভিভাবককে সতর্ক করা।

    সর্বশেষ কথা হচ্ছে আপনার বাচ্চা ছেলে-মেয়েকে এখন থেকেই দ্বীনি পরিবেশ, মক্তব, কুরআন শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। আল্লাহ্‌ হাফেজ

    সালাহ উদ্দিন কাদের আইয়ুবি
    সমাজের এমন অধঃপতনের কারণ কি? বিশেষ করে এই ছোট ছোট বাচ্চাদের অধঃপতনের মূল কারণ কি? এর প্রতীকের কি হতে পারে এর থেকে পরিত্রাণ কি হতে পারে কি করলে এগুলো থেকে বাচ্চারা মুক্ত থাকবে! কিছুদিন আগে ফেইসবুকে একটা ছবি দেখলাম। একটা বিল্ডিং এর চিপার মধ্যে গিয়ে এই ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়ে দুইটা জড়াজড়ি করে একজন আরেক জনকে ধরে রাখছে! আবার মেয়েটা সামনাসামনি ছেলেটাকে ঘুরে সামনাসামনি জড়িয়ে ধরেছে সমাজ কত নিচে চলে গেছে কল্পনাও করা যায় না! ভাই, আপনার কষ্ট-বেদনা বোঝা যায়। 😔 আমি খুব সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলছি—কারণ বিষয়টা শিশুদের নিয়ে। 👉 আসলে মুলত দোষ শিশুদের নয়। সমাজ এই অধঃপতনে কেন যাচ্ছে? (মূল কারণগুলো) 📌 পরিবারে দ্বীনি তদারকির অভাব বাবা-মা ব্যস্ত সন্তান কার সাথে মিশছে—খেয়াল নেই “ছোট, কিছু বোঝে না”—এই ভুল ধারণা 📌 অথচ কুরআন বলছে: > “তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।” 📖 (সূরা তাহরীম: ৬) 📌 মোবাইল, ইউটিউব, রিলস, নাটক প্রেম-ভালোবাসার দৃশ্য জড়াজড়ি, স্পর্শ—সব নরমালাইজড শিশু নকল করে—বোঝে না 📌 শিশু যা দেখে, তাই শেখে। 📌 পর্দা ও লজ্জার শিক্ষা না থাকা কারণ রাসূল ﷺ বলেছেন: > “লজ্জা ঈমানের অংশ।” 📚 সহীহ বুখারী: ২৪ আজ লজ্জাকে “ব্যাকডেটেড” বলা হচ্ছে। 📌 মিশ্র পরিবেশ (ফ্রি মিক্সিং) ছেলে-মেয়ে একসাথে খেলাধুলা আলাদা করে শেখানো হয় না সীমারেখা বোঝানো হয় না 📌 ইসলাম শিশু বয়স থেকেই সীমা শেখায়। এটা কিসের প্রতীক? 👉 এটা ভবিষ্যতের ভয়ংকর সংকেত: সামনে গিয়ে জিনা সহজ হবে হারামকে আর হারাম মনে হবে না বিবেক অসাড় হয়ে যাবে এটাই কুরআনের ভাষায়— > “তারা হারামকে হালাল মনে করবে।” তাহলে পরিত্রাণ কী? (বাস্তব ও কার্যকর সমাধান) ✅ পরিবার থেকেই শুরু ৫–৬ বছর থেকেই লজ্জা শরীরের সীমা কার সামনে কিভাবে চলবে —এগুলো শেখাতে হবে 📌 নবী ﷺ শিশুদের আদব শিখিয়েছেন আগে, শুধু নামাজ নয়। ✅ মোবাইল নিয়ন্ত্রণ একা মোবাইল নয় ইউটিউব কিডসেও নজর রিলস/শর্টস বন্ধ ✅ ছেলে-মেয়ের আলাদা খেলাধুলা রাসূল ﷺ বলেছেন: > “তোমরা ১০ বছর হলে সন্তানদের বিছানা আলাদা করো। 📚 আবু দাউদ: ৪৯৫ ➡️ তাহলে খেলাধুলায় আলাদা করা আরও আগে দরকার। ✅ মসজিদ ও দ্বীনি পরিবেশ মক্তব কুরআন শিক্ষা নেক মানুষের সঙ্গ 📌 পরিবেশ বদলালে আচরণ বদলায়। ✅ সমাজের দায়িত্ব এমন ভিডিও শেয়ার না করা ট্রল/মজা না বানানো অভিভাবককে সতর্ক করা। সর্বশেষ কথা হচ্ছে আপনার বাচ্চা ছেলে-মেয়েকে এখন থেকেই দ্বীনি পরিবেশ, মক্তব, কুরআন শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। আল্লাহ্‌ হাফেজ সালাহ উদ্দিন কাদের আইয়ুবি
    1
    ·694 Views ·0 voorbeeld