সমাজের এমন অধঃপতনের কারণ কি? বিশেষ করে এই ছোট ছোট বাচ্চাদের অধঃপতনের মূল কারণ কি? এর প্রতীকের কি হতে পারে এর থেকে পরিত্রাণ কি হতে পারে কি করলে এগুলো থেকে বাচ্চারা মুক্ত থাকবে!
কিছুদিন আগে ফেইসবুকে একটা ছবি দেখলাম। একটা বিল্ডিং এর চিপার মধ্যে গিয়ে এই ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়ে দুইটা জড়াজড়ি করে একজন আরেক জনকে ধরে রাখছে! আবার মেয়েটা সামনাসামনি ছেলেটাকে ঘুরে সামনাসামনি জড়িয়ে ধরেছে সমাজ কত নিচে চলে গেছে কল্পনাও করা যায় না!
ভাই, আপনার কষ্ট-বেদনা বোঝা যায়। 😔
আমি খুব সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলছি—কারণ বিষয়টা শিশুদের নিয়ে।
👉 আসলে মুলত দোষ শিশুদের নয়।
সমাজ এই অধঃপতনে কেন যাচ্ছে? (মূল কারণগুলো)
📌 পরিবারে দ্বীনি তদারকির অভাব বাবা-মা ব্যস্ত সন্তান কার সাথে মিশছে—খেয়াল নেই “ছোট, কিছু বোঝে না”—এই ভুল ধারণা
📌 অথচ কুরআন বলছে: > “তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।” 📖 (সূরা তাহরীম: ৬)
📌 মোবাইল, ইউটিউব, রিলস, নাটক প্রেম-ভালোবাসার দৃশ্য জড়াজড়ি, স্পর্শ—সব নরমালাইজড শিশু নকল করে—বোঝে না
📌 শিশু যা দেখে, তাই শেখে।
📌 পর্দা ও লজ্জার শিক্ষা না থাকা কারণ রাসূল ﷺ বলেছেন: > “লজ্জা ঈমানের অংশ।” 📚 সহীহ বুখারী: ২৪
আজ লজ্জাকে “ব্যাকডেটেড” বলা হচ্ছে।
📌 মিশ্র পরিবেশ (ফ্রি মিক্সিং) ছেলে-মেয়ে একসাথে খেলাধুলা আলাদা করে শেখানো হয় না সীমারেখা বোঝানো হয় না
📌 ইসলাম শিশু বয়স থেকেই সীমা শেখায়।
এটা কিসের প্রতীক? 👉 এটা ভবিষ্যতের ভয়ংকর সংকেত: সামনে গিয়ে জিনা সহজ হবে হারামকে আর হারাম মনে হবে না বিবেক অসাড় হয়ে যাবে
এটাই কুরআনের ভাষায়— > “তারা হারামকে হালাল মনে করবে।”
তাহলে পরিত্রাণ কী? (বাস্তব ও কার্যকর সমাধান)
✅ পরিবার থেকেই শুরু ৫–৬ বছর থেকেই লজ্জা শরীরের সীমা কার সামনে কিভাবে চলবে —এগুলো শেখাতে হবে
📌 নবী ﷺ শিশুদের আদব শিখিয়েছেন আগে, শুধু নামাজ নয়।
✅ মোবাইল নিয়ন্ত্রণ একা মোবাইল নয় ইউটিউব কিডসেও নজর রিলস/শর্টস বন্ধ
✅ ছেলে-মেয়ের আলাদা খেলাধুলা রাসূল ﷺ বলেছেন: > “তোমরা ১০ বছর হলে সন্তানদের বিছানা আলাদা করো। 📚 আবু দাউদ: ৪৯৫
➡️ তাহলে খেলাধুলায় আলাদা করা আরও আগে দরকার।
✅ মসজিদ ও দ্বীনি পরিবেশ মক্তব কুরআন শিক্ষা নেক মানুষের সঙ্গ
📌 পরিবেশ বদলালে আচরণ বদলায়।
✅ সমাজের দায়িত্ব এমন ভিডিও শেয়ার না করা ট্রল/মজা না বানানো অভিভাবককে সতর্ক করা।
সর্বশেষ কথা হচ্ছে আপনার বাচ্চা ছেলে-মেয়েকে এখন থেকেই দ্বীনি পরিবেশ, মক্তব, কুরআন শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। আল্লাহ্ হাফেজ
সালাহ উদ্দিন কাদের আইয়ুবি
কিছুদিন আগে ফেইসবুকে একটা ছবি দেখলাম। একটা বিল্ডিং এর চিপার মধ্যে গিয়ে এই ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়ে দুইটা জড়াজড়ি করে একজন আরেক জনকে ধরে রাখছে! আবার মেয়েটা সামনাসামনি ছেলেটাকে ঘুরে সামনাসামনি জড়িয়ে ধরেছে সমাজ কত নিচে চলে গেছে কল্পনাও করা যায় না!
ভাই, আপনার কষ্ট-বেদনা বোঝা যায়। 😔
আমি খুব সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলছি—কারণ বিষয়টা শিশুদের নিয়ে।
👉 আসলে মুলত দোষ শিশুদের নয়।
সমাজ এই অধঃপতনে কেন যাচ্ছে? (মূল কারণগুলো)
📌 পরিবারে দ্বীনি তদারকির অভাব বাবা-মা ব্যস্ত সন্তান কার সাথে মিশছে—খেয়াল নেই “ছোট, কিছু বোঝে না”—এই ভুল ধারণা
📌 অথচ কুরআন বলছে: > “তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।” 📖 (সূরা তাহরীম: ৬)
📌 মোবাইল, ইউটিউব, রিলস, নাটক প্রেম-ভালোবাসার দৃশ্য জড়াজড়ি, স্পর্শ—সব নরমালাইজড শিশু নকল করে—বোঝে না
📌 শিশু যা দেখে, তাই শেখে।
📌 পর্দা ও লজ্জার শিক্ষা না থাকা কারণ রাসূল ﷺ বলেছেন: > “লজ্জা ঈমানের অংশ।” 📚 সহীহ বুখারী: ২৪
আজ লজ্জাকে “ব্যাকডেটেড” বলা হচ্ছে।
📌 মিশ্র পরিবেশ (ফ্রি মিক্সিং) ছেলে-মেয়ে একসাথে খেলাধুলা আলাদা করে শেখানো হয় না সীমারেখা বোঝানো হয় না
📌 ইসলাম শিশু বয়স থেকেই সীমা শেখায়।
এটা কিসের প্রতীক? 👉 এটা ভবিষ্যতের ভয়ংকর সংকেত: সামনে গিয়ে জিনা সহজ হবে হারামকে আর হারাম মনে হবে না বিবেক অসাড় হয়ে যাবে
এটাই কুরআনের ভাষায়— > “তারা হারামকে হালাল মনে করবে।”
তাহলে পরিত্রাণ কী? (বাস্তব ও কার্যকর সমাধান)
✅ পরিবার থেকেই শুরু ৫–৬ বছর থেকেই লজ্জা শরীরের সীমা কার সামনে কিভাবে চলবে —এগুলো শেখাতে হবে
📌 নবী ﷺ শিশুদের আদব শিখিয়েছেন আগে, শুধু নামাজ নয়।
✅ মোবাইল নিয়ন্ত্রণ একা মোবাইল নয় ইউটিউব কিডসেও নজর রিলস/শর্টস বন্ধ
✅ ছেলে-মেয়ের আলাদা খেলাধুলা রাসূল ﷺ বলেছেন: > “তোমরা ১০ বছর হলে সন্তানদের বিছানা আলাদা করো। 📚 আবু দাউদ: ৪৯৫
➡️ তাহলে খেলাধুলায় আলাদা করা আরও আগে দরকার।
✅ মসজিদ ও দ্বীনি পরিবেশ মক্তব কুরআন শিক্ষা নেক মানুষের সঙ্গ
📌 পরিবেশ বদলালে আচরণ বদলায়।
✅ সমাজের দায়িত্ব এমন ভিডিও শেয়ার না করা ট্রল/মজা না বানানো অভিভাবককে সতর্ক করা।
সর্বশেষ কথা হচ্ছে আপনার বাচ্চা ছেলে-মেয়েকে এখন থেকেই দ্বীনি পরিবেশ, মক্তব, কুরআন শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। আল্লাহ্ হাফেজ
সালাহ উদ্দিন কাদের আইয়ুবি
সমাজের এমন অধঃপতনের কারণ কি? বিশেষ করে এই ছোট ছোট বাচ্চাদের অধঃপতনের মূল কারণ কি? এর প্রতীকের কি হতে পারে এর থেকে পরিত্রাণ কি হতে পারে কি করলে এগুলো থেকে বাচ্চারা মুক্ত থাকবে!
কিছুদিন আগে ফেইসবুকে একটা ছবি দেখলাম। একটা বিল্ডিং এর চিপার মধ্যে গিয়ে এই ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়ে দুইটা জড়াজড়ি করে একজন আরেক জনকে ধরে রাখছে! আবার মেয়েটা সামনাসামনি ছেলেটাকে ঘুরে সামনাসামনি জড়িয়ে ধরেছে সমাজ কত নিচে চলে গেছে কল্পনাও করা যায় না!
ভাই, আপনার কষ্ট-বেদনা বোঝা যায়। 😔
আমি খুব সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলছি—কারণ বিষয়টা শিশুদের নিয়ে।
👉 আসলে মুলত দোষ শিশুদের নয়।
সমাজ এই অধঃপতনে কেন যাচ্ছে? (মূল কারণগুলো)
📌 পরিবারে দ্বীনি তদারকির অভাব বাবা-মা ব্যস্ত সন্তান কার সাথে মিশছে—খেয়াল নেই “ছোট, কিছু বোঝে না”—এই ভুল ধারণা
📌 অথচ কুরআন বলছে: > “তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।” 📖 (সূরা তাহরীম: ৬)
📌 মোবাইল, ইউটিউব, রিলস, নাটক প্রেম-ভালোবাসার দৃশ্য জড়াজড়ি, স্পর্শ—সব নরমালাইজড শিশু নকল করে—বোঝে না
📌 শিশু যা দেখে, তাই শেখে।
📌 পর্দা ও লজ্জার শিক্ষা না থাকা কারণ রাসূল ﷺ বলেছেন: > “লজ্জা ঈমানের অংশ।” 📚 সহীহ বুখারী: ২৪
আজ লজ্জাকে “ব্যাকডেটেড” বলা হচ্ছে।
📌 মিশ্র পরিবেশ (ফ্রি মিক্সিং) ছেলে-মেয়ে একসাথে খেলাধুলা আলাদা করে শেখানো হয় না সীমারেখা বোঝানো হয় না
📌 ইসলাম শিশু বয়স থেকেই সীমা শেখায়।
এটা কিসের প্রতীক? 👉 এটা ভবিষ্যতের ভয়ংকর সংকেত: সামনে গিয়ে জিনা সহজ হবে হারামকে আর হারাম মনে হবে না বিবেক অসাড় হয়ে যাবে
এটাই কুরআনের ভাষায়— > “তারা হারামকে হালাল মনে করবে।”
তাহলে পরিত্রাণ কী? (বাস্তব ও কার্যকর সমাধান)
✅ পরিবার থেকেই শুরু ৫–৬ বছর থেকেই লজ্জা শরীরের সীমা কার সামনে কিভাবে চলবে —এগুলো শেখাতে হবে
📌 নবী ﷺ শিশুদের আদব শিখিয়েছেন আগে, শুধু নামাজ নয়।
✅ মোবাইল নিয়ন্ত্রণ একা মোবাইল নয় ইউটিউব কিডসেও নজর রিলস/শর্টস বন্ধ
✅ ছেলে-মেয়ের আলাদা খেলাধুলা রাসূল ﷺ বলেছেন: > “তোমরা ১০ বছর হলে সন্তানদের বিছানা আলাদা করো। 📚 আবু দাউদ: ৪৯৫
➡️ তাহলে খেলাধুলায় আলাদা করা আরও আগে দরকার।
✅ মসজিদ ও দ্বীনি পরিবেশ মক্তব কুরআন শিক্ষা নেক মানুষের সঙ্গ
📌 পরিবেশ বদলালে আচরণ বদলায়।
✅ সমাজের দায়িত্ব এমন ভিডিও শেয়ার না করা ট্রল/মজা না বানানো অভিভাবককে সতর্ক করা।
সর্বশেষ কথা হচ্ছে আপনার বাচ্চা ছেলে-মেয়েকে এখন থেকেই দ্বীনি পরিবেশ, মক্তব, কুরআন শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। আল্লাহ্ হাফেজ
সালাহ উদ্দিন কাদের আইয়ুবি
·685 Views
·0 Reviews