Upgrade to Pro

  • 📌 ভূ-রাজনীতি: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নিরাপত্তার অদৃশ্য সুতো 🇧🇩🇵🇰
    একটি নির্মম কিন্তু বাস্তব ভূ-রাজনৈতিক সত্য, যা হয়তো অনেকেই মানতে চাইবেন না:

    "রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান যতদিন টিকে থাকবে, তার থেকে ঠিক তিন দিন বেশি টিকে থাকবে বাংলাদেশ। যেদিন ইসলামাবাদের পতন হবে, তার ঠিক তিন দিন পরে ঢাকার পতন হবে—দিল্লির হাতে।"

    ❓ কিন্তু প্রশ্ন হলো, একই দিনে কেন নয়? তিন দিন কেন?
    কারণ, দিল্লির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ ছাত্র-জনতা এক প্রচণ্ড ও অভূতপূর্ব প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। মাতৃভূমি রক্ষায় আমাদের বীর জনতা দমে যাবে না। কিন্তু আধুনিক সামরিক আগ্রাসনের সামনে শুধু খালি হাতে বা সাধারণ প্রতিরোধ নিয়ে তারা হয়তো তিন দিনের বেশি টিকতে পারবে না।

    🛡️ পারমাণবিক ভারসাম্য ও বাংলাদেশের অস্তিত্ব
    সোজা কথায়—যে পারমাণবিক অস্ত্র ও সামরিক শক্তি পাকিস্তানকে নিরাপত্তা দেয়, হাজার মাইল দূরে থাকা বাংলাদেশকেও পরোক্ষভাবে সেই একই অস্ত্র নিরাপত্তা দিচ্ছে। এটি একটি আন্তর্জাতিক ক্ষমতার ভারসাম্য (Balance of Power)।

    বাস্তবতা হলো: পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি পশ্চিমে ভারতের জন্য একটি স্থায়ী সামরিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে টিকে আছে বলেই, পূর্ব সীমান্তে বাংলাদেশ আজ স্বাধীনভাবে শ্বাস নিতে পারছে।

    পাকিস্তান যদি কখনো না থাকে, তবে পূর্বদিকের এই ভূখণ্ডকে গ্রাস করতে দিল্লির খুব বেশি সময় লাগবে না।

    আপনি বিশ্বাস করেন আর নাই বা করেন—এটাই বর্তমান ভূ-রাজনীতির সবচেয়ে বড় এবং রূঢ় সত্য। ---

    #ভূরাজনীতি #বাংলাদেশ #পাকিস্তান #নিরাপত্তা #আন্তর্জাতিকসম্পর্ক #স্বাধীনসার্বভৌম
    📌 ভূ-রাজনীতি: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নিরাপত্তার অদৃশ্য সুতো 🇧🇩🇵🇰 একটি নির্মম কিন্তু বাস্তব ভূ-রাজনৈতিক সত্য, যা হয়তো অনেকেই মানতে চাইবেন না: "রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান যতদিন টিকে থাকবে, তার থেকে ঠিক তিন দিন বেশি টিকে থাকবে বাংলাদেশ। যেদিন ইসলামাবাদের পতন হবে, তার ঠিক তিন দিন পরে ঢাকার পতন হবে—দিল্লির হাতে।" ❓ কিন্তু প্রশ্ন হলো, একই দিনে কেন নয়? তিন দিন কেন? কারণ, দিল্লির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ ছাত্র-জনতা এক প্রচণ্ড ও অভূতপূর্ব প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। মাতৃভূমি রক্ষায় আমাদের বীর জনতা দমে যাবে না। কিন্তু আধুনিক সামরিক আগ্রাসনের সামনে শুধু খালি হাতে বা সাধারণ প্রতিরোধ নিয়ে তারা হয়তো তিন দিনের বেশি টিকতে পারবে না। 🛡️ পারমাণবিক ভারসাম্য ও বাংলাদেশের অস্তিত্ব সোজা কথায়—যে পারমাণবিক অস্ত্র ও সামরিক শক্তি পাকিস্তানকে নিরাপত্তা দেয়, হাজার মাইল দূরে থাকা বাংলাদেশকেও পরোক্ষভাবে সেই একই অস্ত্র নিরাপত্তা দিচ্ছে। এটি একটি আন্তর্জাতিক ক্ষমতার ভারসাম্য (Balance of Power)। বাস্তবতা হলো: পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি পশ্চিমে ভারতের জন্য একটি স্থায়ী সামরিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে টিকে আছে বলেই, পূর্ব সীমান্তে বাংলাদেশ আজ স্বাধীনভাবে শ্বাস নিতে পারছে। পাকিস্তান যদি কখনো না থাকে, তবে পূর্বদিকের এই ভূখণ্ডকে গ্রাস করতে দিল্লির খুব বেশি সময় লাগবে না। আপনি বিশ্বাস করেন আর নাই বা করেন—এটাই বর্তমান ভূ-রাজনীতির সবচেয়ে বড় এবং রূঢ় সত্য। --- #ভূরাজনীতি #বাংলাদেশ #পাকিস্তান #নিরাপত্তা #আন্তর্জাতিকসম্পর্ক #স্বাধীনসার্বভৌম
    ·2χλμ. Views ·0 Προεπισκόπηση
  • Meta আজকে যা Launch করলো, সেটা Unbelievable।
    ফ্রিতে যে Instagram, Facebook, WhatsApp ব্যবহার করছেন, এবার সেগুলোর সব নতুন এক্সক্লুসিভ ফিচারগুলো paid subscription এ ঢুকে যাচ্ছে। আর সবচেয়ে বড় কথা - বাংলাদেশও এই তালিকায় আছে।

    Meta এর head of product Naomi Gleit এর একটা ইন্সটাগ্রাম ভিডিও দেখছিলাম, সেখানে তিনি শেয়ার করেছেন এমন যে - "আমরা এখন globally subscription rollout শুরু করছি।" ৩টা আলাদা Plus plan এখন পাওয়া যাচ্ছে।

    Instagram Plus মাসে $3.99। এটা দিলে পাবেন story rewatch count, unlimited audience list, নিজের story কে একবার করে spotlight দেওয়ার সুযোগ, story তে কে কতক্ষণ ছিল সেটার insight, custom font আর profile pin।

    Facebook Plus-ও $3.99। WhatsApp Plus একটু কম - $2.99। WhatsApp Plus তে পাবেন custom theme, ringtone, premium sticker, আর extra pinned chats।

    এখন আসি সবচেয়ে mind-blowing অংশে - Meta One।
    Meta এই সব subscription কে একটা ছাদের নিচে আনতে চাইছে, নাম Meta One। এখানে creator আর business দের জন্য ২টা plan আসছে।

    Meta One Essential $14.99/mo - verified badge, impersonation protection, এবং একটা enhanced linksheet যেটা দিয়ে সব সোশ্যাল চ্যানেল এক জায়গায় দেখানো যাবে।

    আর Meta One Advanced $49.99/mo - এটা দিলে Facebook feed এ featured হওয়া যাবে, search result এ উপরে আসবেন, Reel এ bold "Follow" button থাকবে, আর যারা content engage করেছে তাদের কাছে automatically follow invitation যাবে।

    বিশ্বাস করেন, এই পুরো list পড়তে পড়তে আমি নিজেই হাঁ হয়ে গেছি। কারণ এটা শুধু নতুন feature না - এটা Meta এর business model পরিবর্তনের সংকেত।

    AI plan-ও আসছে। Meta One Plus $7.99/mo আর Meta One Premium $19.99/mo - এটা দিয়ে Meta AI তে deeper reasoning, বেশি video আর image generation পাওয়া যাবে। AI glasses users দের জন্য আরো extra benefit আসবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে। তবে এখানে একটা কথা আছে।

    AI plan গুলো এখনই আসছে না। প্রথমে Singapore, Guatemala আর Bolivia তে test হবে। আর creator-business plan এর test শুরু হচ্ছে Saudi Arabia, Morocco, Thailand আর বাংলাদেশে - এই সপ্তাহেই।

    মানে বাংলাদেশ সরাসরি early test market এ আছে, এটা একটু অবাকই করলো। Basic Plus plan গুলো ($2.99-$3.99) free tier বন্ধ করছে না, এখনকার ফ্রি experience একই থাকবে। আমার তো মনে হচ্ছে Meta আসলে বুঝে গেছে শুধু ads দিয়ে আর কতদূর যাবে। এখন তারা সরাসরি user এর পকেট থেকে নিতে চাইছে, YouTube Premium বা Spotify যেভাবে করছে।

    আপনাদের কাছে জানতে চাই - Instagram Plus বা WhatsApp Plus এর জন্য মাসে ৩৫০-৪৫০ টাকা দিতে রাজি আছেন, নাকি free তেই থাকবেন? কমেন্টে বলেন তো দেখি! আর সেজন্যই আমি আমার তুরুপের তাস বের করব! ইনশাল্লাহ! 🤑
    Meta আজকে যা Launch করলো, সেটা Unbelievable। ফ্রিতে যে Instagram, Facebook, WhatsApp ব্যবহার করছেন, এবার সেগুলোর সব নতুন এক্সক্লুসিভ ফিচারগুলো paid subscription এ ঢুকে যাচ্ছে। আর সবচেয়ে বড় কথা - বাংলাদেশও এই তালিকায় আছে। Meta এর head of product Naomi Gleit এর একটা ইন্সটাগ্রাম ভিডিও দেখছিলাম, সেখানে তিনি শেয়ার করেছেন এমন যে - "আমরা এখন globally subscription rollout শুরু করছি।" ৩টা আলাদা Plus plan এখন পাওয়া যাচ্ছে। Instagram Plus মাসে $3.99। এটা দিলে পাবেন story rewatch count, unlimited audience list, নিজের story কে একবার করে spotlight দেওয়ার সুযোগ, story তে কে কতক্ষণ ছিল সেটার insight, custom font আর profile pin। Facebook Plus-ও $3.99। WhatsApp Plus একটু কম - $2.99। WhatsApp Plus তে পাবেন custom theme, ringtone, premium sticker, আর extra pinned chats। এখন আসি সবচেয়ে mind-blowing অংশে - Meta One। Meta এই সব subscription কে একটা ছাদের নিচে আনতে চাইছে, নাম Meta One। এখানে creator আর business দের জন্য ২টা plan আসছে। Meta One Essential $14.99/mo - verified badge, impersonation protection, এবং একটা enhanced linksheet যেটা দিয়ে সব সোশ্যাল চ্যানেল এক জায়গায় দেখানো যাবে। আর Meta One Advanced $49.99/mo - এটা দিলে Facebook feed এ featured হওয়া যাবে, search result এ উপরে আসবেন, Reel এ bold "Follow" button থাকবে, আর যারা content engage করেছে তাদের কাছে automatically follow invitation যাবে। বিশ্বাস করেন, এই পুরো list পড়তে পড়তে আমি নিজেই হাঁ হয়ে গেছি। কারণ এটা শুধু নতুন feature না - এটা Meta এর business model পরিবর্তনের সংকেত। AI plan-ও আসছে। Meta One Plus $7.99/mo আর Meta One Premium $19.99/mo - এটা দিয়ে Meta AI তে deeper reasoning, বেশি video আর image generation পাওয়া যাবে। AI glasses users দের জন্য আরো extra benefit আসবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে। তবে এখানে একটা কথা আছে। AI plan গুলো এখনই আসছে না। প্রথমে Singapore, Guatemala আর Bolivia তে test হবে। আর creator-business plan এর test শুরু হচ্ছে Saudi Arabia, Morocco, Thailand আর বাংলাদেশে - এই সপ্তাহেই। মানে বাংলাদেশ সরাসরি early test market এ আছে, এটা একটু অবাকই করলো। Basic Plus plan গুলো ($2.99-$3.99) free tier বন্ধ করছে না, এখনকার ফ্রি experience একই থাকবে। আমার তো মনে হচ্ছে Meta আসলে বুঝে গেছে শুধু ads দিয়ে আর কতদূর যাবে। এখন তারা সরাসরি user এর পকেট থেকে নিতে চাইছে, YouTube Premium বা Spotify যেভাবে করছে। আপনাদের কাছে জানতে চাই - Instagram Plus বা WhatsApp Plus এর জন্য মাসে ৩৫০-৪৫০ টাকা দিতে রাজি আছেন, নাকি free তেই থাকবেন? কমেন্টে বলেন তো দেখি! আর সেজন্যই আমি আমার তুরুপের তাস বের করব! ইনশাল্লাহ! 🤑
    ·2χλμ. Views ·0 Προεπισκόπηση
  • খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য:

    ২৭ জুন, ১৯৮১।
    তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে রাখা একটি টেপ রেকর্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর যখন রেকর্ডারটি চেক করা হয়, তখন তার ভেতরে একটি ছোট চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল: "ফোরকান গ্রুপের পক্ষ থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে উপহার।" বোঝা গেল, টেপ রেকোর্ডারের ভেতরে ছিল শক্তিশালী বোমা।

    ​এই ​বিস্ফোরনে খামেনির বুক, ডান কাঁধ এবং ডান হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফুসফুস ছিদ্র হয়ে যায়, সাথে প্রচুর রক্তক্ষরণ।চিকিৎসকদের মতে, তিনি যে বেঁচে ফিরেছেন তা ছিল এক কথায় অলৌকিক। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শক্তিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ডান হাতের স্নায়ু বা নার্ভগুলো পুরোপুরি ছিঁড়ে যায়। ডাক্তাররা কয়েক ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করেও হাতটি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারেননি। এর ফলে তাঁর ডান হাতটি চিরতরে অচল বা প্যারালাইজড হয়ে যায়। তবুও এক হাত দিয়ে কাঁপিয়েছেন বিশ্ব।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লেখা একটি বই ভীষণ জনপ্রিয়।বইটার নাম 'Palestine'। ৪১৬ পৃষ্ঠার এই বইটিতে তিনি ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে এমন সুনিপুণ ম্যাপ আর গাণিতিক বিশ্লেষণ দিয়েছেন যা অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষককে অবাক করেছে। বইটি পড়লে ধারণা পাওয়া যায়, কতটা রণকৌশলী মস্তিষ্ক ছিল খামেনির।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় নেতা যাকে 'টাইম' এবং 'ফোর্বস' ম্যাগাজিন বারবার বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সেখানে তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার এক ইশারায় বিশ্ব তেলের বাজার ও ভূ-রাজনীতি তোলপাড় হতে পারে।

    অনেকেই জানেন না যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি একজন বড় মাপের আধ্যাত্মিক সাধক বা 'আরিফ'। তিনি ইসলামের গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন বা 'ইরফান'-এ বিশ্বাসী। তিনি মনে করেন, স্রষ্টার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য শুধু নামাজ-রোজার পাশাপাশি অন্তরের পবিত্রতা এবং দুনিয়াবি মোহ ত্যাগ করা জরুরি। তাঁর শান্ত ও ধীরস্থির আচরণের পেছনে এই আধ্যাত্মিক চর্চার বড় প্রভাব দেখেন বিশ্লেষকরা। খামেনি 'বেলায়াত-এ-ফকিহ' দর্শনে বিশ্বাসী। এর সহজ মানে হলো—যতক্ষণ পর্যন্ত ইমাম মাহদী সশরীরে ফিরে না আসছেন, ততক্ষণ একজন যোগ্য এবং ন্যায়পরায়ণ ইসলামি আইনবিদ মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই রাজনৈতিক ক্ষমতা আসলে একটি ধর্মীয় দায়িত্ব। অনুসারী মনে করেন, খামেনি আসলে ইমাম মাহদীর আগমনের পথ প্রস্তুত করছেন।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রায়ই বলেন, বিজ্ঞান এবং ইসলাম একে অপরের পরিপূরক। একারণেই ইরানে তাঁর শাসনামলে স্টেম সেল রিসার্চ, ন্যানো টেকনোলজি এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অনেক রক্ষণশীল মুসলিম দেশে নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত করা হয়।

    খামেনির সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো তাঁর দেওয়া একটি বিশেষ ফতোয়া। এর মাধ্যমে তিনি সুন্নিদের অপমান করা হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি মনে করেন, শিয়াদের মধ্যে যারা সুন্নিদের আবেগ নিয়ে কটূক্তি করে, তারা আসলে ইসলামের শত্রু এবং ব্রিটিশ বা পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার চর।
    যেকারণে শিয়া নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ-এর মতো সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বছরের পর বছর ধরে সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। ভূ-রাজনীতিতে এটি একটি বিরল ঘটনা, যেখানে একজন শিয়া নেতা সুন্নিদের স্বার্থে এত বড় ঝুঁকি নেন।
    প্রজ্ঞাবান বিশ্বনেতাদের চাইলেই শেষ করা যায় না। বিনম্র শ্রদ্ধা, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
    - জটাংক
    খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য: ২৭ জুন, ১৯৮১। তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে রাখা একটি টেপ রেকর্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর যখন রেকর্ডারটি চেক করা হয়, তখন তার ভেতরে একটি ছোট চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল: "ফোরকান গ্রুপের পক্ষ থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে উপহার।" বোঝা গেল, টেপ রেকোর্ডারের ভেতরে ছিল শক্তিশালী বোমা। ​এই ​বিস্ফোরনে খামেনির বুক, ডান কাঁধ এবং ডান হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফুসফুস ছিদ্র হয়ে যায়, সাথে প্রচুর রক্তক্ষরণ।চিকিৎসকদের মতে, তিনি যে বেঁচে ফিরেছেন তা ছিল এক কথায় অলৌকিক। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শক্তিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ডান হাতের স্নায়ু বা নার্ভগুলো পুরোপুরি ছিঁড়ে যায়। ডাক্তাররা কয়েক ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করেও হাতটি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারেননি। এর ফলে তাঁর ডান হাতটি চিরতরে অচল বা প্যারালাইজড হয়ে যায়। তবুও এক হাত দিয়ে কাঁপিয়েছেন বিশ্ব। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লেখা একটি বই ভীষণ জনপ্রিয়।বইটার নাম 'Palestine'। ৪১৬ পৃষ্ঠার এই বইটিতে তিনি ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে এমন সুনিপুণ ম্যাপ আর গাণিতিক বিশ্লেষণ দিয়েছেন যা অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষককে অবাক করেছে। বইটি পড়লে ধারণা পাওয়া যায়, কতটা রণকৌশলী মস্তিষ্ক ছিল খামেনির। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় নেতা যাকে 'টাইম' এবং 'ফোর্বস' ম্যাগাজিন বারবার বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সেখানে তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার এক ইশারায় বিশ্ব তেলের বাজার ও ভূ-রাজনীতি তোলপাড় হতে পারে। অনেকেই জানেন না যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি একজন বড় মাপের আধ্যাত্মিক সাধক বা 'আরিফ'। তিনি ইসলামের গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন বা 'ইরফান'-এ বিশ্বাসী। তিনি মনে করেন, স্রষ্টার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য শুধু নামাজ-রোজার পাশাপাশি অন্তরের পবিত্রতা এবং দুনিয়াবি মোহ ত্যাগ করা জরুরি। তাঁর শান্ত ও ধীরস্থির আচরণের পেছনে এই আধ্যাত্মিক চর্চার বড় প্রভাব দেখেন বিশ্লেষকরা। খামেনি 'বেলায়াত-এ-ফকিহ' দর্শনে বিশ্বাসী। এর সহজ মানে হলো—যতক্ষণ পর্যন্ত ইমাম মাহদী সশরীরে ফিরে না আসছেন, ততক্ষণ একজন যোগ্য এবং ন্যায়পরায়ণ ইসলামি আইনবিদ মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই রাজনৈতিক ক্ষমতা আসলে একটি ধর্মীয় দায়িত্ব। অনুসারী মনে করেন, খামেনি আসলে ইমাম মাহদীর আগমনের পথ প্রস্তুত করছেন। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রায়ই বলেন, বিজ্ঞান এবং ইসলাম একে অপরের পরিপূরক। একারণেই ইরানে তাঁর শাসনামলে স্টেম সেল রিসার্চ, ন্যানো টেকনোলজি এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অনেক রক্ষণশীল মুসলিম দেশে নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত করা হয়। খামেনির সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো তাঁর দেওয়া একটি বিশেষ ফতোয়া। এর মাধ্যমে তিনি সুন্নিদের অপমান করা হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি মনে করেন, শিয়াদের মধ্যে যারা সুন্নিদের আবেগ নিয়ে কটূক্তি করে, তারা আসলে ইসলামের শত্রু এবং ব্রিটিশ বা পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার চর। যেকারণে শিয়া নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ-এর মতো সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বছরের পর বছর ধরে সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। ভূ-রাজনীতিতে এটি একটি বিরল ঘটনা, যেখানে একজন শিয়া নেতা সুন্নিদের স্বার্থে এত বড় ঝুঁকি নেন। প্রজ্ঞাবান বিশ্বনেতাদের চাইলেই শেষ করা যায় না। বিনম্র শ্রদ্ধা, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। - জটাংক
    ·1χλμ. Views ·0 Προεπισκόπηση
  • ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রিভাবে 'সুদ/খোর' বলা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে, যারা ডক্টর ইউনূসকে পছন্দ করেন, তাদেরও বেশিরভাগ জানেন না যে ডক্টর ইউনূসের কোনো সুদের ব্যবসা নেই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীণ ব্যাংকে তার এক টাকার মালিকানাও নেই, শেয়ারও নেই... কখনো ছিলই না।

    সারা পৃথিবীর ১০৭টি ইউনিভার্সিটিতে ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটি করেছে। এর প্রধান কারণ হলো তাঁর মাইক্রো-ফাইন্যান্স, যেটি তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীণ ব্যাংককে নোবেল শান্তি পুরস্কার এনে দিয়েছিল।

    জিনিসটি আমাদের কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি! ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইন্যান্সের মূল ভিত্তি হলো এটি... এই ব্যবসায় কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক। এটিকে বলা হয় সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নেই, জনগণই মালিক।

    বাহির থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তাঁর এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরিব মানুষের।

    নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরি করতেন।
    প্রথমত, তিনি কোম্পানিতে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি। দ্বিতীয়ত, তিনি কোম্পানিটিকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ কোম্পানির একক মালিক না হতে পারে। কোম্পানি অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন।

    শুধু যে গ্রামীণ ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সোরোস ও টেলিনরদের সহযোগিতায় তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায়, টেলিনর বাংলাদেশে আসে এবং তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরিবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না, গ্রামীণ টেলিকমও নন-প্রফিট কোম্পানি হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। চাইলে সহজেই তিনি ১০–১৫% মালিকানা নিজের জন্য রাখতে পারতেন।

    অথচ, লাভের কোনো টাকা নিজের কাছে না আসা নিশ্চিত করেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সু/দের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে, গ্রামীণ ব্যাংকের মত সুদ আর কেউ নেয় না। কিন্তু এই টাকায় প্রফিট করে ড. ইউনূস তা নয়।
    সত্যি বলতে, আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারে না। একজন মানুষ ব্যবসা করছে, সে সেখান থেকে লাভ করবে না... এটা আমরা ভাবতেও পারি না। আমরা ভাবি শুধু টাকা কামানোর কথা। যেমনভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন: "টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, কিন্তু অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি!" উনার ভাষায়, নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস।

    মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরিব আরও গরিব হবে, ধনী আরও ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি সব নন-প্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। নিজের জন্য কোনো মালিকানা রাখেননি। কিন্তু এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানি দেখুন, মালিকানা সব নিজেদের। কোম্পানির কথা বাদ দিন, এনজিওগুলোও অধিকাংশই পরিবারের বা নিজেদের। বড় বড় পদগুলোতে পরিবারের সদস্যরাই বসে থাকে।

    কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমনটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিতে নিজেকে বা পরিবারের কাউকেই রাখেননি। চাইলে সহজেই এসব কোম্পানিতে নিজের শেয়ার রেখে তিনি বিলিয়নিয়ার হতে পারতেন। তাঁর বন্ধু-বান্ধব সবাই বিলিয়নিয়ার, মাল্টি-বিলিয়নিয়ার, কিন্তু তিনি সেদিকে হাঁটেননি। অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড. ইউনূসের আয়ের উৎস কোনটা? আমি নিশ্চিত, অনেকেই এ ব্যাপারে জানেনই না।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন বিশ্বের অন্যতম 'হাইএস্ট পেইড স্পিকার!' স্পিচ দেওয়ার জন্য তাঁকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। উনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ হয় ৭৫,০০০ থেকে ১ লাখ ডলারের মতো! কখনও কখনও আরও বেশি। বিশ্বের নামী-দামী প্রতিষ্ঠানগুলো তাঁকে নিয়ে যায় উনার বক্তব্য শোনার জন্য। উনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্য ডাকা হয়।

    যেমন, ২০২৪ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির তিনজনের একজন হচ্ছেন মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। ২০২৬ সালের ইতালি অলিম্পিকের জন্য ইতালিয়ানরা তাঁকে পরামর্শদাতা হিসেবে পেতে চাচ্ছে।

    আমরা মনে করি, গ্রামীণ ব্যাংক ও গ্রামীণ টেলিকমের মতো উনার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেই তিনি আয়ের উৎস পান... এটা ঠিক নয়। এরা প্রকাশ্যে কখনও স্বীকার করেননি যে এগুলোতে তাঁর ০.০১% শেয়ারও নেই।

    প্রফেসর ইউনুস একটি বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভাবুন, একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। বিশ্বের সেরা প্রফেসররা সেখানে আসত। তাঁর একবার আহ্বানে বিল গেটস, আমেরিকান প্রেসিডেন্টও সেখানে স্পিচ দিতে আসত। কিন্তু সেটি হতে দেওয়া হয়নি।

    সত্যি বলতে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে যত জানবেন, তত মনে হবে, দেশ ও জাতি হিসেবে আমরা ড. ইউনূসের মতো মানুষকে ডিজার্ভ করি না।

    This post is inspired by a video from RJ Zibraan. Shared by Porte Bosh. Thanks, and gratitude to him.
    ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রিভাবে 'সুদ/খোর' বলা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে, যারা ডক্টর ইউনূসকে পছন্দ করেন, তাদেরও বেশিরভাগ জানেন না যে ডক্টর ইউনূসের কোনো সুদের ব্যবসা নেই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীণ ব্যাংকে তার এক টাকার মালিকানাও নেই, শেয়ারও নেই... কখনো ছিলই না। সারা পৃথিবীর ১০৭টি ইউনিভার্সিটিতে ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটি করেছে। এর প্রধান কারণ হলো তাঁর মাইক্রো-ফাইন্যান্স, যেটি তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীণ ব্যাংককে নোবেল শান্তি পুরস্কার এনে দিয়েছিল। জিনিসটি আমাদের কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি! ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইন্যান্সের মূল ভিত্তি হলো এটি... এই ব্যবসায় কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক। এটিকে বলা হয় সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নেই, জনগণই মালিক। বাহির থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তাঁর এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরিব মানুষের। নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরি করতেন। প্রথমত, তিনি কোম্পানিতে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি। দ্বিতীয়ত, তিনি কোম্পানিটিকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ কোম্পানির একক মালিক না হতে পারে। কোম্পানি অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন। শুধু যে গ্রামীণ ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সোরোস ও টেলিনরদের সহযোগিতায় তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায়, টেলিনর বাংলাদেশে আসে এবং তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরিবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না, গ্রামীণ টেলিকমও নন-প্রফিট কোম্পানি হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। চাইলে সহজেই তিনি ১০–১৫% মালিকানা নিজের জন্য রাখতে পারতেন। অথচ, লাভের কোনো টাকা নিজের কাছে না আসা নিশ্চিত করেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সু/দের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে, গ্রামীণ ব্যাংকের মত সুদ আর কেউ নেয় না। কিন্তু এই টাকায় প্রফিট করে ড. ইউনূস তা নয়। সত্যি বলতে, আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারে না। একজন মানুষ ব্যবসা করছে, সে সেখান থেকে লাভ করবে না... এটা আমরা ভাবতেও পারি না। আমরা ভাবি শুধু টাকা কামানোর কথা। যেমনভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন: "টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, কিন্তু অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি!" উনার ভাষায়, নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস। মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরিব আরও গরিব হবে, ধনী আরও ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি সব নন-প্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। নিজের জন্য কোনো মালিকানা রাখেননি। কিন্তু এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানি দেখুন, মালিকানা সব নিজেদের। কোম্পানির কথা বাদ দিন, এনজিওগুলোও অধিকাংশই পরিবারের বা নিজেদের। বড় বড় পদগুলোতে পরিবারের সদস্যরাই বসে থাকে। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমনটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিতে নিজেকে বা পরিবারের কাউকেই রাখেননি। চাইলে সহজেই এসব কোম্পানিতে নিজের শেয়ার রেখে তিনি বিলিয়নিয়ার হতে পারতেন। তাঁর বন্ধু-বান্ধব সবাই বিলিয়নিয়ার, মাল্টি-বিলিয়নিয়ার, কিন্তু তিনি সেদিকে হাঁটেননি। অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড. ইউনূসের আয়ের উৎস কোনটা? আমি নিশ্চিত, অনেকেই এ ব্যাপারে জানেনই না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন বিশ্বের অন্যতম 'হাইএস্ট পেইড স্পিকার!' স্পিচ দেওয়ার জন্য তাঁকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। উনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ হয় ৭৫,০০০ থেকে ১ লাখ ডলারের মতো! কখনও কখনও আরও বেশি। বিশ্বের নামী-দামী প্রতিষ্ঠানগুলো তাঁকে নিয়ে যায় উনার বক্তব্য শোনার জন্য। উনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্য ডাকা হয়। যেমন, ২০২৪ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির তিনজনের একজন হচ্ছেন মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। ২০২৬ সালের ইতালি অলিম্পিকের জন্য ইতালিয়ানরা তাঁকে পরামর্শদাতা হিসেবে পেতে চাচ্ছে। আমরা মনে করি, গ্রামীণ ব্যাংক ও গ্রামীণ টেলিকমের মতো উনার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেই তিনি আয়ের উৎস পান... এটা ঠিক নয়। এরা প্রকাশ্যে কখনও স্বীকার করেননি যে এগুলোতে তাঁর ০.০১% শেয়ারও নেই। প্রফেসর ইউনুস একটি বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভাবুন, একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। বিশ্বের সেরা প্রফেসররা সেখানে আসত। তাঁর একবার আহ্বানে বিল গেটস, আমেরিকান প্রেসিডেন্টও সেখানে স্পিচ দিতে আসত। কিন্তু সেটি হতে দেওয়া হয়নি। সত্যি বলতে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে যত জানবেন, তত মনে হবে, দেশ ও জাতি হিসেবে আমরা ড. ইউনূসের মতো মানুষকে ডিজার্ভ করি না। This post is inspired by a video from RJ Zibraan. Shared by Porte Bosh. Thanks, and gratitude to him.
    ·1χλμ. Views ·0 Προεπισκόπηση
  • ৩১ বছর বয়সে আমার ৩১টা অভিজ্ঞতা..

    ১. ভার্সিটির বড় ডিগ্রিটা কেবল ইন্টারভিউ বোর্ড পর্যন্ত নিয়ে যাবে। এরপর টিকে থাকতে হলে স্কিল লাগবে। কোন স্কিল কিংবা জব ফিল্ড পার্মানেন্ট নয় সরকারি চাকরি ছাড়া তাই কন্টিনিউ নিজেকে আপডেট করতে থাকুন আর যদি বাংলাদেশে থাকেন তবে কোনভাবে সরকারি চাকরিতে ঢোকার সুযোগ হয় সেটা হাতছাড়া করবেন না, and Yes CGPA এবং মামা-চাচা থাকাটা অনেক বড় ম্যাটার করে।

    ২. টাকা না থাকলে পুরুষ মানুষ হিজড়া হয়ে যায়, শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্য।

    ৩. আপনি ফেরেশতা হলেও কারো না কারো কাছে আপনি খারাপ। তাই "লোকে কী বলবে" সেটা লোককে ভাবতে দিন আপনি আপনার কাজ করে যান।

    ৪. Zara/H&M-এর জামা বা দামী আইফোন কেনাটা সফলতা নয়। বিপদের সময় কারো কাছে হাত না পেতে চলার মতো ব্যাংক ব্যালেন্স থাকাই আসল সফলতা। Show Off করে ফকিন্নি।

    ৫. কেবল একটা চাকরির ওপর ভরসা করে থাকা বোকামি। সাইড হাসল বা ছোটখাটো ইনভেস্টমেন্ট থাকতেই হবে। চাকরি কাল চলে গেলে পরশু কী খাবেন, সেটা আজই ভাবতে হবে।

    ৬. এক বছর আপনি যদি ইনকাম না করেন তারপরও আপনার পরিবার যেন চলতে পারে এই পরিমাণ টাকা যদি আপনার ব্যাংকে" ইমারজেন্সি ফান্ড" হিসেবে না থাকে তাহলে আপনার ব্যবসায় আসা উচিত না।

    ৭. দেখানোর জন্য লোন করে বাইক বা ফোন কেনা মানে নিজের গলার ফাঁস নিজে তৈরি করা। আয়ের চেয়ে ব্যয় কম—এই সহজ সূত্র যে বোঝে না, সে সারাজীবন গরিবই থাকে।

    ৮. ২৮-এ এসে দেখবেন ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট বড় কিন্তু কথা বলার মানুষ ২-৩ জন। এটাই স্বাভাবিক।

    ৯. আমরা ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে ভুলে যাই যে বাবা-মায়ের সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের সাথে সময় কাটান, কারণ এই সময়টা আর ফিরবে না।

    ১০. অফিসের কথা অফিসে। কলিগদের সাথে বেশি মাখামাখি বা ব্যক্তিগত কথা শেয়ার করা ক্যারিয়ারের জন্য আত্মঘাতী হতে পারে।

    ১১. রিলেশনশিপ গার্লফ্রেন্ডকে খুশি করার জন্য সামর্থের বাইরে খরচ করবেন না, এমন একজন পার্টনার খুঁজে বের করুন যে সারা জীবন আপনার পাশে থাকবে আপনার বিপদ-আপদে আপনাকে ছেড়ে যাবে না, Otherwise, stay alone.

    ১২. যে অন্য কাউকে ধোঁকা দিয়েছে সে আপনাকেও ধোকা দিবে, এই জামানায় ফ্যামিলি মেনে নিচ্ছে না এই কথাটা একবারেই ভুয়া, তার কাছে আপনার থেকেও বেটার অফার এসেছে এটা হল কথা | যখন কোন কিছু চিন্তা করবেন তখন দুই কানের মাঝখানে যেটা আছে সেটা ব্যবহার করার ট্রাই করবেন, দুই পায়ের মাঝখানে যেটা আছে সেটা নয়, পার্টনার ধোকা দিলে মাফ করবেন না..

    ১৩. এমন মানুষ খুঁজুন যে আপনার ভিশন বুঝবে এবং খারাপ সময়ে মানসিক সাপোর্ট দেবে। চেহারা কয়েক বছর পর এমনিতেই ফিকে হয়ে যায়। পারস্পরিক সমঝোতা এবং সম্মান না থাকলে কোন সম্পর্কই থাকবে না | আপনি যদি পুরুষ মানুষ হন তাহলে পরিবারে টাকা পয়সার ব্যালেন্স এবং নিরাপত্তা তৈরি করা আপনার দায়িত্ব আর আপনি যদি মহিলা মানুষ হন সংসার ঠিকভাবে ব্যালেন্স করে চলে এবং আপনার বাচ্চা যেন সঠিকভাবে মানুষ হয় এটা আপনার দায়িত্ব.. বাকি সব কিছু শুধু সোসাইটি মেনটেন করা।

    ১৪. সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের ট্যুর বা সাকসেস স্টোরি দেখে ডিপ্রেশনে ভুগবেন না। প্রত্যেকে তার নিজের টাইমজোনে দৌড়াচ্ছে। কেউ ২৫-এ সিইও, কেউ ৩৫-এ শুরু করে। মাসের এক তারিখে শুরু করতে হবে এমন কোন মানে নেই- যখন মনে হবে তখনই শুরু করুন।

    ১৫. নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করে অন্যের উপকার করার দরকার নেই। নির্লজ্জের মতো "না" বলা শিখলে জীবনে প্যারা অনেক কমে যায়। মানুষের জন্য বেশি করতে যাবেন না, মানুষ দিনশেষে নিমকহারাম।

    ১৬. সব নিজে ঠেকে শিখতে গেলে জীবন ছোট হয়ে যাবে। সঠিক মানুষের কাজ ফলো করুন। কোন একজন মানুষকে ফলো করুন তাকে নিজের মেন্টর বানানোর চেষ্টা করুন হয়তোবা সহজ হবে না কিন্তু যদি বানাতে পারেন তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন।

    ১৭. ২৮-এর পর শরীর জানান দেয়। ব্যাক পেইন, গ্যাস্ট্রিক বা চোখের সমস্যা শুরু হতে পারে। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ব্যায়াম আর পর্যাপ্ত ঘুম বিলাসিতা নয়, প্রয়োজনীয়তা। Gym কথা শুনে কেউ যদি হাসে কিংবা টিটকারি করে ডাম্বেল ওর মুখে ছুড়ে মারুন।

    ১৮. রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোনো স্কিম নেই। শর্টকাট খুঁজলে লং টার্মে পস্তাতে হবে। কনসিস্টেন্সি বা লেগে থাকাই আসল চাবিকাঠি।

    ১৯. রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত সবসময় ভুল হয়। চুপ থাকতে পারাটা এই বয়সে এসে একটা বড় সুপারপাওয়ার। আমি ছোটবেলা থেকেই খুবই শর্ট টেম্পার এবং বদমেজাজি টাইপের মানুষ ছিলাম আমি আস্তে আস্তে এই জিনিসটা শিখেছি এখন আমি অনেক ঠান্ডা মাথায় অনেক কোল্ড ডিসিশন নেই এবং খুব ভয়ঙ্কর ভাবেই নেই।

    ২০. মুভি দেখতে বা রেস্টুরেন্টে যেতে সঙ্গী লাগবেই—এই ধারণা বাদ দিন। নিজের সাথে সময় কাটাতে না জানলে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল। Covid সময়ে প্রায় 3 বছর আমি একাই থাকা শিখেছি এবং এরপর থেকে আমার আসলে কোন জায়গা যাওয়ার জন্য কোন মানুষ প্রয়োজন পড়ে না বেশিভাগ জায়গায় আমি একাই যাই এমন কি তিনটা দেশে আমি ঘুরেছি একাই।

    ২১. যে বুঝবে না, তাকে বোঝানোর চেয়ে মুচকি হেসে এড়িয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। আপনার এনার্জি তর্কের চেয়ে কাজে লাগানো জরুরি। যে বুঝবে না তাকে মারা খেতে দিন, ভালোভাবে মারা খেয়ে তখন আপনার কাছে আবার আসবে, চিন্তা করার কোন কিছু নেই।

    ২২. যা নেই তা নিয়ে হাহাকার না করে, যা আছে তা নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলা শিখুন। মানসিক শান্তি মিলবে। নামাজ পড়ুন পারলে দান সদকা কিছুটা করুন.. হয়তোবা যা আপনার কাছে আছে এটা অন্য মানুষের কাছে স্বপ্ন।

    ২৩. নিজের প্ল্যান, লাভ লাইফ বা ইনকাম—মানুষকে যত কম জানাবেন, আপনি তত নিরাপদ থাকবেন। নজরে লাগা বা হিংসা করার মানুষের অভাব নেই। আমার মনে হয় আমার প্রত্যেকটা ফলোয়ার এ বিষয়ে সম্পর্কে জানা উচিত আপনারা অনেকেই দেখছেন হয়তোবা আমি এমন কোন ভিডিও দুই বছর আগে শুট করে রেখেছি কিন্তু আপনাদেরকে জানায়নি আমার বেশিরভাগ প্রজেক্ট কাজ সবকিছুই আমি গোপন রাখতে পছন্দ করি | আমার রুমমেট দুই বছর ধরে আমার একই রুমে থেকেও বুঝতে পারেনি আমি কি কাজ করতেছি।

    ২৪. ছেলে হোক বা মেয়ে, নিজের কাজ (রান্না, কাপড় ধোয়া) নিজে জানাটা এখন বেসিক লাইফ স্কিল। যেসব পারেনা সে ছেলে কিংবা মেয়ে যেই হোক না কেন সে একটা অপদার্থ।

    ২৫. বই পড়ে যা শেখা যায় না, একটা সস্তা বাজেটের ট্যুর দিলে তার চেয়ে বেশি শেখা যায়। পৃথিবীটা দেখুন। টাকা পয়সা জমিয়ে কিংবা প্ল্যান করে কোথাও যাওয়ার চিন্তাভাবনা থাকলে সারা জীবনের যেতে পারবেন না।

    ২৬. কারো কাছে কিছু আশা করবেন না। মানুষ তার প্রয়োজনে আপনাকে মনে রাখবে, কাজ শেষে ভুলে যাবে—এটাই নিয়ম। মানুষকে কথা দিলে কথা রাখুন। সময়ের দাম দিলে সময় আপনাকে দাম দেবে। মনে ক্ষোভ পুষে রাখলে নিজেরই ক্ষতি। মাফ করে দিন, কিন্তু নামটা মনে রাখুন যাতে দ্বিতীয়বার ঠকতে না হয়।

    ২৭. নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়।

    ২৮. সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি।

    ২৯. জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা।

    ৩০. শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে।

    ৩১. সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা।

    সার-সংক্ষেপঃ
    ১) বয়স বাড়ে, কিন্তু সবাই বড় হয় না—কিছু মানুষ শুধু বয়সে বড় হয়।
    ২) সম্পর্ক টিকে থাকে সম্মান আর বোঝাপড়ায়, কথার দৈর্ঘ্যে না।
    ৩) বেশি কথা বললে নয়, ঠিক সময়ে চুপ থাকলেই মানুষ বড় হয়।
    ৪) সব বন্ধু সারাজীবনের নয়—কিছু বন্ধু শুধু একটি অধ্যায়ের জন্য।
    ৫) পরিবারই একমাত্র জায়গা, যেখানে হারলেও আশ্রয় মেলে।
    ৬) টাকা সব সমস্যার সমাধান না, কিন্তু টাকার অভাবে সমস্যা নিশ্চিত।
    ৭) কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে ধারাবাহিকতা বেশি ফল দেয়।
    ৮) সবাই তোমার ভালো চাইবে—এই ধারণা সবচেয়ে বড় ভুল।
    ৯) নিজের সীমা না জানলে মানুষ সেই সীমা লঙ্ঘন করবেই।
    ১০) সম্মান চাইলে আগে নিজেকে সম্মান করতে হয়।
    ১১) ব্যর্থতা লজ্জার নয়, থেমে যাওয়া লজ্জার।
    ১২) জীবনে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না—কিছু মেনে নিতে হয়।
    ১৩) একাকিত্ব কখনো দুর্বলতা নয়, কখনো শক্তির উৎস।
    ১৪) আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে পরে যুক্তি খুঁজতে হয়।
    ১৫) সময়ই সবচেয়ে দামি সম্পদ—এটা অপচয় করলে জীবন অপচয় হয়।
    ১৬) সবার সাথে সব কথা বলা বুদ্ধিমানের কাজ না।
    ১৭) যারা কষ্টে পাশে থাকে, তারাই আসল মানুষ।
    ১৮) স্বপ্ন বড় হওয়া দোষ না, সাহস ছোট হওয়াই সমস্যা।
    ১৯) নিজের ভেতরের ভয়টাই সবচেয়ে বড় শত্রু।
    ২০) সবকিছু ঠিক করার দায়িত্ব শুধু নিজেরই।
    ২১) ক্ষমা করা মানে ভুলে যাওয়া না, নিজের মনকে হালকা করা।
    ২২) জীবনে “না” বলতে শেখা খুব জরুরি।
    ২৩) মানুষ বদলায়—পরিস্থিতি বদলালে সেটা আরও স্পষ্ট হয়।
    ২৪) শান্তি অনেক সময় সাফল্যের চেয়েও মূল্যবান।
    ২৫) তুলনা সুখ নষ্ট করে, আত্মউন্নয়ন সুখ বাড়ায়।
    ২৬) সময় খারাপ গেলে আসল চরিত্রগুলো সামনে আসে।
    ২৭) শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে।
    ২৮) নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়।
    ২৯) সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি।
    ৩০) জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা।
    ৩১) সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা।

    Good Luck ❤️ with Salah Uddin Kader Ayyubi
    ৩১ বছর বয়সে আমার ৩১টা অভিজ্ঞতা.. ১. ভার্সিটির বড় ডিগ্রিটা কেবল ইন্টারভিউ বোর্ড পর্যন্ত নিয়ে যাবে। এরপর টিকে থাকতে হলে স্কিল লাগবে। কোন স্কিল কিংবা জব ফিল্ড পার্মানেন্ট নয় সরকারি চাকরি ছাড়া তাই কন্টিনিউ নিজেকে আপডেট করতে থাকুন আর যদি বাংলাদেশে থাকেন তবে কোনভাবে সরকারি চাকরিতে ঢোকার সুযোগ হয় সেটা হাতছাড়া করবেন না, and Yes CGPA এবং মামা-চাচা থাকাটা অনেক বড় ম্যাটার করে। ২. টাকা না থাকলে পুরুষ মানুষ হিজড়া হয়ে যায়, শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্য। ৩. আপনি ফেরেশতা হলেও কারো না কারো কাছে আপনি খারাপ। তাই "লোকে কী বলবে" সেটা লোককে ভাবতে দিন আপনি আপনার কাজ করে যান। ৪. Zara/H&M-এর জামা বা দামী আইফোন কেনাটা সফলতা নয়। বিপদের সময় কারো কাছে হাত না পেতে চলার মতো ব্যাংক ব্যালেন্স থাকাই আসল সফলতা। Show Off করে ফকিন্নি। ৫. কেবল একটা চাকরির ওপর ভরসা করে থাকা বোকামি। সাইড হাসল বা ছোটখাটো ইনভেস্টমেন্ট থাকতেই হবে। চাকরি কাল চলে গেলে পরশু কী খাবেন, সেটা আজই ভাবতে হবে। ৬. এক বছর আপনি যদি ইনকাম না করেন তারপরও আপনার পরিবার যেন চলতে পারে এই পরিমাণ টাকা যদি আপনার ব্যাংকে" ইমারজেন্সি ফান্ড" হিসেবে না থাকে তাহলে আপনার ব্যবসায় আসা উচিত না। ৭. দেখানোর জন্য লোন করে বাইক বা ফোন কেনা মানে নিজের গলার ফাঁস নিজে তৈরি করা। আয়ের চেয়ে ব্যয় কম—এই সহজ সূত্র যে বোঝে না, সে সারাজীবন গরিবই থাকে। ৮. ২৮-এ এসে দেখবেন ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট বড় কিন্তু কথা বলার মানুষ ২-৩ জন। এটাই স্বাভাবিক। ৯. আমরা ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে ভুলে যাই যে বাবা-মায়ের সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের সাথে সময় কাটান, কারণ এই সময়টা আর ফিরবে না। ১০. অফিসের কথা অফিসে। কলিগদের সাথে বেশি মাখামাখি বা ব্যক্তিগত কথা শেয়ার করা ক্যারিয়ারের জন্য আত্মঘাতী হতে পারে। ১১. রিলেশনশিপ গার্লফ্রেন্ডকে খুশি করার জন্য সামর্থের বাইরে খরচ করবেন না, এমন একজন পার্টনার খুঁজে বের করুন যে সারা জীবন আপনার পাশে থাকবে আপনার বিপদ-আপদে আপনাকে ছেড়ে যাবে না, Otherwise, stay alone. ১২. যে অন্য কাউকে ধোঁকা দিয়েছে সে আপনাকেও ধোকা দিবে, এই জামানায় ফ্যামিলি মেনে নিচ্ছে না এই কথাটা একবারেই ভুয়া, তার কাছে আপনার থেকেও বেটার অফার এসেছে এটা হল কথা | যখন কোন কিছু চিন্তা করবেন তখন দুই কানের মাঝখানে যেটা আছে সেটা ব্যবহার করার ট্রাই করবেন, দুই পায়ের মাঝখানে যেটা আছে সেটা নয়, পার্টনার ধোকা দিলে মাফ করবেন না.. ১৩. এমন মানুষ খুঁজুন যে আপনার ভিশন বুঝবে এবং খারাপ সময়ে মানসিক সাপোর্ট দেবে। চেহারা কয়েক বছর পর এমনিতেই ফিকে হয়ে যায়। পারস্পরিক সমঝোতা এবং সম্মান না থাকলে কোন সম্পর্কই থাকবে না | আপনি যদি পুরুষ মানুষ হন তাহলে পরিবারে টাকা পয়সার ব্যালেন্স এবং নিরাপত্তা তৈরি করা আপনার দায়িত্ব আর আপনি যদি মহিলা মানুষ হন সংসার ঠিকভাবে ব্যালেন্স করে চলে এবং আপনার বাচ্চা যেন সঠিকভাবে মানুষ হয় এটা আপনার দায়িত্ব.. বাকি সব কিছু শুধু সোসাইটি মেনটেন করা। ১৪. সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের ট্যুর বা সাকসেস স্টোরি দেখে ডিপ্রেশনে ভুগবেন না। প্রত্যেকে তার নিজের টাইমজোনে দৌড়াচ্ছে। কেউ ২৫-এ সিইও, কেউ ৩৫-এ শুরু করে। মাসের এক তারিখে শুরু করতে হবে এমন কোন মানে নেই- যখন মনে হবে তখনই শুরু করুন। ১৫. নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করে অন্যের উপকার করার দরকার নেই। নির্লজ্জের মতো "না" বলা শিখলে জীবনে প্যারা অনেক কমে যায়। মানুষের জন্য বেশি করতে যাবেন না, মানুষ দিনশেষে নিমকহারাম। ১৬. সব নিজে ঠেকে শিখতে গেলে জীবন ছোট হয়ে যাবে। সঠিক মানুষের কাজ ফলো করুন। কোন একজন মানুষকে ফলো করুন তাকে নিজের মেন্টর বানানোর চেষ্টা করুন হয়তোবা সহজ হবে না কিন্তু যদি বানাতে পারেন তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন। ১৭. ২৮-এর পর শরীর জানান দেয়। ব্যাক পেইন, গ্যাস্ট্রিক বা চোখের সমস্যা শুরু হতে পারে। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ব্যায়াম আর পর্যাপ্ত ঘুম বিলাসিতা নয়, প্রয়োজনীয়তা। Gym কথা শুনে কেউ যদি হাসে কিংবা টিটকারি করে ডাম্বেল ওর মুখে ছুড়ে মারুন। ১৮. রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোনো স্কিম নেই। শর্টকাট খুঁজলে লং টার্মে পস্তাতে হবে। কনসিস্টেন্সি বা লেগে থাকাই আসল চাবিকাঠি। ১৯. রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত সবসময় ভুল হয়। চুপ থাকতে পারাটা এই বয়সে এসে একটা বড় সুপারপাওয়ার। আমি ছোটবেলা থেকেই খুবই শর্ট টেম্পার এবং বদমেজাজি টাইপের মানুষ ছিলাম আমি আস্তে আস্তে এই জিনিসটা শিখেছি এখন আমি অনেক ঠান্ডা মাথায় অনেক কোল্ড ডিসিশন নেই এবং খুব ভয়ঙ্কর ভাবেই নেই। ২০. মুভি দেখতে বা রেস্টুরেন্টে যেতে সঙ্গী লাগবেই—এই ধারণা বাদ দিন। নিজের সাথে সময় কাটাতে না জানলে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল। Covid সময়ে প্রায় 3 বছর আমি একাই থাকা শিখেছি এবং এরপর থেকে আমার আসলে কোন জায়গা যাওয়ার জন্য কোন মানুষ প্রয়োজন পড়ে না বেশিভাগ জায়গায় আমি একাই যাই এমন কি তিনটা দেশে আমি ঘুরেছি একাই। ২১. যে বুঝবে না, তাকে বোঝানোর চেয়ে মুচকি হেসে এড়িয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। আপনার এনার্জি তর্কের চেয়ে কাজে লাগানো জরুরি। যে বুঝবে না তাকে মারা খেতে দিন, ভালোভাবে মারা খেয়ে তখন আপনার কাছে আবার আসবে, চিন্তা করার কোন কিছু নেই। ২২. যা নেই তা নিয়ে হাহাকার না করে, যা আছে তা নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলা শিখুন। মানসিক শান্তি মিলবে। নামাজ পড়ুন পারলে দান সদকা কিছুটা করুন.. হয়তোবা যা আপনার কাছে আছে এটা অন্য মানুষের কাছে স্বপ্ন। ২৩. নিজের প্ল্যান, লাভ লাইফ বা ইনকাম—মানুষকে যত কম জানাবেন, আপনি তত নিরাপদ থাকবেন। নজরে লাগা বা হিংসা করার মানুষের অভাব নেই। আমার মনে হয় আমার প্রত্যেকটা ফলোয়ার এ বিষয়ে সম্পর্কে জানা উচিত আপনারা অনেকেই দেখছেন হয়তোবা আমি এমন কোন ভিডিও দুই বছর আগে শুট করে রেখেছি কিন্তু আপনাদেরকে জানায়নি আমার বেশিরভাগ প্রজেক্ট কাজ সবকিছুই আমি গোপন রাখতে পছন্দ করি | আমার রুমমেট দুই বছর ধরে আমার একই রুমে থেকেও বুঝতে পারেনি আমি কি কাজ করতেছি। ২৪. ছেলে হোক বা মেয়ে, নিজের কাজ (রান্না, কাপড় ধোয়া) নিজে জানাটা এখন বেসিক লাইফ স্কিল। যেসব পারেনা সে ছেলে কিংবা মেয়ে যেই হোক না কেন সে একটা অপদার্থ। ২৫. বই পড়ে যা শেখা যায় না, একটা সস্তা বাজেটের ট্যুর দিলে তার চেয়ে বেশি শেখা যায়। পৃথিবীটা দেখুন। টাকা পয়সা জমিয়ে কিংবা প্ল্যান করে কোথাও যাওয়ার চিন্তাভাবনা থাকলে সারা জীবনের যেতে পারবেন না। ২৬. কারো কাছে কিছু আশা করবেন না। মানুষ তার প্রয়োজনে আপনাকে মনে রাখবে, কাজ শেষে ভুলে যাবে—এটাই নিয়ম। মানুষকে কথা দিলে কথা রাখুন। সময়ের দাম দিলে সময় আপনাকে দাম দেবে। মনে ক্ষোভ পুষে রাখলে নিজেরই ক্ষতি। মাফ করে দিন, কিন্তু নামটা মনে রাখুন যাতে দ্বিতীয়বার ঠকতে না হয়। ২৭. নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়। ২৮. সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি। ২৯. জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা। ৩০. শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে। ৩১. সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা। সার-সংক্ষেপঃ ১) বয়স বাড়ে, কিন্তু সবাই বড় হয় না—কিছু মানুষ শুধু বয়সে বড় হয়। ২) সম্পর্ক টিকে থাকে সম্মান আর বোঝাপড়ায়, কথার দৈর্ঘ্যে না। ৩) বেশি কথা বললে নয়, ঠিক সময়ে চুপ থাকলেই মানুষ বড় হয়। ৪) সব বন্ধু সারাজীবনের নয়—কিছু বন্ধু শুধু একটি অধ্যায়ের জন্য। ৫) পরিবারই একমাত্র জায়গা, যেখানে হারলেও আশ্রয় মেলে। ৬) টাকা সব সমস্যার সমাধান না, কিন্তু টাকার অভাবে সমস্যা নিশ্চিত। ৭) কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে ধারাবাহিকতা বেশি ফল দেয়। ৮) সবাই তোমার ভালো চাইবে—এই ধারণা সবচেয়ে বড় ভুল। ৯) নিজের সীমা না জানলে মানুষ সেই সীমা লঙ্ঘন করবেই। ১০) সম্মান চাইলে আগে নিজেকে সম্মান করতে হয়। ১১) ব্যর্থতা লজ্জার নয়, থেমে যাওয়া লজ্জার। ১২) জীবনে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না—কিছু মেনে নিতে হয়। ১৩) একাকিত্ব কখনো দুর্বলতা নয়, কখনো শক্তির উৎস। ১৪) আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে পরে যুক্তি খুঁজতে হয়। ১৫) সময়ই সবচেয়ে দামি সম্পদ—এটা অপচয় করলে জীবন অপচয় হয়। ১৬) সবার সাথে সব কথা বলা বুদ্ধিমানের কাজ না। ১৭) যারা কষ্টে পাশে থাকে, তারাই আসল মানুষ। ১৮) স্বপ্ন বড় হওয়া দোষ না, সাহস ছোট হওয়াই সমস্যা। ১৯) নিজের ভেতরের ভয়টাই সবচেয়ে বড় শত্রু। ২০) সবকিছু ঠিক করার দায়িত্ব শুধু নিজেরই। ২১) ক্ষমা করা মানে ভুলে যাওয়া না, নিজের মনকে হালকা করা। ২২) জীবনে “না” বলতে শেখা খুব জরুরি। ২৩) মানুষ বদলায়—পরিস্থিতি বদলালে সেটা আরও স্পষ্ট হয়। ২৪) শান্তি অনেক সময় সাফল্যের চেয়েও মূল্যবান। ২৫) তুলনা সুখ নষ্ট করে, আত্মউন্নয়ন সুখ বাড়ায়। ২৬) সময় খারাপ গেলে আসল চরিত্রগুলো সামনে আসে। ২৭) শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে। ২৮) নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়। ২৯) সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি। ৩০) জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা। ৩১) সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা। Good Luck ❤️ with Salah Uddin Kader Ayyubi
    ·912 Views ·0 Προεπισκόπηση
  • সমাজের এমন অধঃপতনের কারণ কি? বিশেষ করে এই ছোট ছোট বাচ্চাদের অধঃপতনের মূল কারণ কি? এর প্রতীকের কি হতে পারে এর থেকে পরিত্রাণ কি হতে পারে কি করলে এগুলো থেকে বাচ্চারা মুক্ত থাকবে!

    কিছুদিন আগে ফেইসবুকে একটা ছবি দেখলাম। একটা বিল্ডিং এর চিপার মধ্যে গিয়ে এই ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়ে দুইটা জড়াজড়ি করে একজন আরেক জনকে ধরে রাখছে! আবার মেয়েটা সামনাসামনি ছেলেটাকে ঘুরে সামনাসামনি জড়িয়ে ধরেছে সমাজ কত নিচে চলে গেছে কল্পনাও করা যায় না!

    ভাই, আপনার কষ্ট-বেদনা বোঝা যায়। 😔
    আমি খুব সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলছি—কারণ বিষয়টা শিশুদের নিয়ে।

    👉 আসলে মুলত দোষ শিশুদের নয়।

    সমাজ এই অধঃপতনে কেন যাচ্ছে? (মূল কারণগুলো)

    📌 পরিবারে দ্বীনি তদারকির অভাব বাবা-মা ব্যস্ত সন্তান কার সাথে মিশছে—খেয়াল নেই “ছোট, কিছু বোঝে না”—এই ভুল ধারণা

    📌 অথচ কুরআন বলছে: > “তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।” 📖 (সূরা তাহরীম: ৬)

    📌 মোবাইল, ইউটিউব, রিলস, নাটক প্রেম-ভালোবাসার দৃশ্য জড়াজড়ি, স্পর্শ—সব নরমালাইজড শিশু নকল করে—বোঝে না

    📌 শিশু যা দেখে, তাই শেখে।

    📌 পর্দা ও লজ্জার শিক্ষা না থাকা কারণ রাসূল ﷺ বলেছেন: > “লজ্জা ঈমানের অংশ।” 📚 সহীহ বুখারী: ২৪

    আজ লজ্জাকে “ব্যাকডেটেড” বলা হচ্ছে।

    📌 মিশ্র পরিবেশ (ফ্রি মিক্সিং) ছেলে-মেয়ে একসাথে খেলাধুলা আলাদা করে শেখানো হয় না সীমারেখা বোঝানো হয় না

    📌 ইসলাম শিশু বয়স থেকেই সীমা শেখায়।

    এটা কিসের প্রতীক? 👉 এটা ভবিষ্যতের ভয়ংকর সংকেত: সামনে গিয়ে জিনা সহজ হবে হারামকে আর হারাম মনে হবে না বিবেক অসাড় হয়ে যাবে

    এটাই কুরআনের ভাষায়— > “তারা হারামকে হালাল মনে করবে।”

    তাহলে পরিত্রাণ কী? (বাস্তব ও কার্যকর সমাধান)

    ✅ পরিবার থেকেই শুরু ৫–৬ বছর থেকেই লজ্জা শরীরের সীমা কার সামনে কিভাবে চলবে —এগুলো শেখাতে হবে

    📌 নবী ﷺ শিশুদের আদব শিখিয়েছেন আগে, শুধু নামাজ নয়।
    ✅ মোবাইল নিয়ন্ত্রণ একা মোবাইল নয় ইউটিউব কিডসেও নজর রিলস/শর্টস বন্ধ

    ✅ ছেলে-মেয়ের আলাদা খেলাধুলা রাসূল ﷺ বলেছেন: > “তোমরা ১০ বছর হলে সন্তানদের বিছানা আলাদা করো। 📚 আবু দাউদ: ৪৯৫
    ➡️ তাহলে খেলাধুলায় আলাদা করা আরও আগে দরকার।

    ✅ মসজিদ ও দ্বীনি পরিবেশ মক্তব কুরআন শিক্ষা নেক মানুষের সঙ্গ
    📌 পরিবেশ বদলালে আচরণ বদলায়।

    ✅ সমাজের দায়িত্ব এমন ভিডিও শেয়ার না করা ট্রল/মজা না বানানো অভিভাবককে সতর্ক করা।

    সর্বশেষ কথা হচ্ছে আপনার বাচ্চা ছেলে-মেয়েকে এখন থেকেই দ্বীনি পরিবেশ, মক্তব, কুরআন শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। আল্লাহ্‌ হাফেজ

    সালাহ উদ্দিন কাদের আইয়ুবি
    সমাজের এমন অধঃপতনের কারণ কি? বিশেষ করে এই ছোট ছোট বাচ্চাদের অধঃপতনের মূল কারণ কি? এর প্রতীকের কি হতে পারে এর থেকে পরিত্রাণ কি হতে পারে কি করলে এগুলো থেকে বাচ্চারা মুক্ত থাকবে! কিছুদিন আগে ফেইসবুকে একটা ছবি দেখলাম। একটা বিল্ডিং এর চিপার মধ্যে গিয়ে এই ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়ে দুইটা জড়াজড়ি করে একজন আরেক জনকে ধরে রাখছে! আবার মেয়েটা সামনাসামনি ছেলেটাকে ঘুরে সামনাসামনি জড়িয়ে ধরেছে সমাজ কত নিচে চলে গেছে কল্পনাও করা যায় না! ভাই, আপনার কষ্ট-বেদনা বোঝা যায়। 😔 আমি খুব সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলছি—কারণ বিষয়টা শিশুদের নিয়ে। 👉 আসলে মুলত দোষ শিশুদের নয়। সমাজ এই অধঃপতনে কেন যাচ্ছে? (মূল কারণগুলো) 📌 পরিবারে দ্বীনি তদারকির অভাব বাবা-মা ব্যস্ত সন্তান কার সাথে মিশছে—খেয়াল নেই “ছোট, কিছু বোঝে না”—এই ভুল ধারণা 📌 অথচ কুরআন বলছে: > “তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।” 📖 (সূরা তাহরীম: ৬) 📌 মোবাইল, ইউটিউব, রিলস, নাটক প্রেম-ভালোবাসার দৃশ্য জড়াজড়ি, স্পর্শ—সব নরমালাইজড শিশু নকল করে—বোঝে না 📌 শিশু যা দেখে, তাই শেখে। 📌 পর্দা ও লজ্জার শিক্ষা না থাকা কারণ রাসূল ﷺ বলেছেন: > “লজ্জা ঈমানের অংশ।” 📚 সহীহ বুখারী: ২৪ আজ লজ্জাকে “ব্যাকডেটেড” বলা হচ্ছে। 📌 মিশ্র পরিবেশ (ফ্রি মিক্সিং) ছেলে-মেয়ে একসাথে খেলাধুলা আলাদা করে শেখানো হয় না সীমারেখা বোঝানো হয় না 📌 ইসলাম শিশু বয়স থেকেই সীমা শেখায়। এটা কিসের প্রতীক? 👉 এটা ভবিষ্যতের ভয়ংকর সংকেত: সামনে গিয়ে জিনা সহজ হবে হারামকে আর হারাম মনে হবে না বিবেক অসাড় হয়ে যাবে এটাই কুরআনের ভাষায়— > “তারা হারামকে হালাল মনে করবে।” তাহলে পরিত্রাণ কী? (বাস্তব ও কার্যকর সমাধান) ✅ পরিবার থেকেই শুরু ৫–৬ বছর থেকেই লজ্জা শরীরের সীমা কার সামনে কিভাবে চলবে —এগুলো শেখাতে হবে 📌 নবী ﷺ শিশুদের আদব শিখিয়েছেন আগে, শুধু নামাজ নয়। ✅ মোবাইল নিয়ন্ত্রণ একা মোবাইল নয় ইউটিউব কিডসেও নজর রিলস/শর্টস বন্ধ ✅ ছেলে-মেয়ের আলাদা খেলাধুলা রাসূল ﷺ বলেছেন: > “তোমরা ১০ বছর হলে সন্তানদের বিছানা আলাদা করো। 📚 আবু দাউদ: ৪৯৫ ➡️ তাহলে খেলাধুলায় আলাদা করা আরও আগে দরকার। ✅ মসজিদ ও দ্বীনি পরিবেশ মক্তব কুরআন শিক্ষা নেক মানুষের সঙ্গ 📌 পরিবেশ বদলালে আচরণ বদলায়। ✅ সমাজের দায়িত্ব এমন ভিডিও শেয়ার না করা ট্রল/মজা না বানানো অভিভাবককে সতর্ক করা। সর্বশেষ কথা হচ্ছে আপনার বাচ্চা ছেলে-মেয়েকে এখন থেকেই দ্বীনি পরিবেশ, মক্তব, কুরআন শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। আল্লাহ্‌ হাফেজ সালাহ উদ্দিন কাদের আইয়ুবি
    1
    ·691 Views ·0 Προεπισκόπηση
  • ⭕ গায়রত কী?
    সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না।এটাই গায়রত।
    একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভয়ংকর। এখনকার সময়ের পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূর, তারা তাদের স্ত্রীর বেপর্দা ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়! আল্লাহুম্মাগফিরলী..!

    ঘটনা ১
    একদিন এক ব্যাক্তি আলি ইবনু আবি তালিব (রা) কে জিজ্ঞাসা করলেন তার স্ত্রী কেমন আছে?
    তিনি উত্তর দিলেন:
    " যদি তোমার রক্ত হালাল হতো,তাহলে আমি তরবারি দিয়ে তোমার মাথা কেটে ফেলতাম।"
    [ ইবনে কাসীর,আল- বিদায়া ওয়ান- নিহায়া]

    ঘটনা ২
    মক্কার এক মুশরিক তার উটকে জবেহ করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উট টি জবেহ কেন করলেন? আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন।
    তখন লোকটি বললো, এই উটের উপর আমার মহিলারা বসতো, বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে এটা আমার সহ্য হবে না, তাই এই উটই আমি রাখবো না। একজন মুশরিক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত! আর আমাদের ভাই- বোনদের কি দশা? আস্তাগফিরুল্লাহ্

    গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ। রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।

    وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ ﴿۲۰﴾

    আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোকার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়। (সুরা হাদীদ-২০)
    এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে! সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?
    (সূরা ফাজর,আয়াত-২০)

    স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের সাথে হাসি তামাসা আড্ডায় ব্যস্ত থাকে!! বউয়ের চুল দেখা যাবে তাতে কষ্ট পাবে তো দূর, বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের বউকে দেখিয়ে পরে আবার শোনে, মেয়েটা কেমন রে!বন্ধুদের চোখের খোরাক বানিয়ে তারপর সে বিয়ে করে! আর এটাই নাকি এখনকার ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড! আল্লাহুম্মাগফিরলী...

    আর এখনকার পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূরের কথা, অনেকে গায়রত কি সেটাও জানেনা
    হায় আফসোস! এই উম্মাহর কোনো নারী গায়রতহীন পুরুষকে আপন করে নিছে এমন নজির নাই।
    হায় আফসোস!

    এই উম্মার পুরুষরা আজ জানেই না গায়রত কী?
    মহিলারা আজ বোঝে না গায়রতের মর্ম। বরং তারা গায়রতহীন চাকচিক্যময় নিবেদিত পুরুষদেরই খুঁজে ফেরে হর হামেশা গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না। ইয়া রব বুঝার তৌফিক দান করুন সকল মুসলিম ভাই বোনকে।
    আল্লাহুম্মা আমীন...
    ⭕ গায়রত কী? সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না।এটাই গায়রত। একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভয়ংকর। এখনকার সময়ের পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূর, তারা তাদের স্ত্রীর বেপর্দা ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়! আল্লাহুম্মাগফিরলী..! ঘটনা ১ একদিন এক ব্যাক্তি আলি ইবনু আবি তালিব (রা) কে জিজ্ঞাসা করলেন তার স্ত্রী কেমন আছে? তিনি উত্তর দিলেন: " যদি তোমার রক্ত হালাল হতো,তাহলে আমি তরবারি দিয়ে তোমার মাথা কেটে ফেলতাম।" [ ইবনে কাসীর,আল- বিদায়া ওয়ান- নিহায়া] ঘটনা ২ মক্কার এক মুশরিক তার উটকে জবেহ করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উট টি জবেহ কেন করলেন? আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন। তখন লোকটি বললো, এই উটের উপর আমার মহিলারা বসতো, বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে এটা আমার সহ্য হবে না, তাই এই উটই আমি রাখবো না। একজন মুশরিক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত! আর আমাদের ভাই- বোনদের কি দশা? আস্তাগফিরুল্লাহ্ গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ। রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না। وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ ﴿۲۰﴾ আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোকার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়। (সুরা হাদীদ-২০) এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে! সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে? (সূরা ফাজর,আয়াত-২০) স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের সাথে হাসি তামাসা আড্ডায় ব্যস্ত থাকে!! বউয়ের চুল দেখা যাবে তাতে কষ্ট পাবে তো দূর, বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের বউকে দেখিয়ে পরে আবার শোনে, মেয়েটা কেমন রে!বন্ধুদের চোখের খোরাক বানিয়ে তারপর সে বিয়ে করে! আর এটাই নাকি এখনকার ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড! আল্লাহুম্মাগফিরলী... আর এখনকার পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূরের কথা, অনেকে গায়রত কি সেটাও জানেনা হায় আফসোস! এই উম্মাহর কোনো নারী গায়রতহীন পুরুষকে আপন করে নিছে এমন নজির নাই। হায় আফসোস! এই উম্মার পুরুষরা আজ জানেই না গায়রত কী? মহিলারা আজ বোঝে না গায়রতের মর্ম। বরং তারা গায়রতহীন চাকচিক্যময় নিবেদিত পুরুষদেরই খুঁজে ফেরে হর হামেশা গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না। ইয়া রব বুঝার তৌফিক দান করুন সকল মুসলিম ভাই বোনকে। আল্লাহুম্মা আমীন...
    ·697 Views ·0 Προεπισκόπηση
  • সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর (রহ.) বাবা, নাজমুদ্দীন আইয়ুব (রহ.) তখন তিকরিতের শাসনভারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত। বয়স পেরিয়ে গেলেও তাঁর বিবাহের কোনো উদ্যোগ না দেখে তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন শিরকুহ চিন্তিত হয়ে পড়লেন।ভাই আসাদুদ্দীন তাঁকে রাজ্যের প্রভাবশালী পরিবারের মেয়েদের (যেমন মালিক শাহের বা নিযামুল মুলকের কন্যা) বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। কিন্তু নাজমুদ্দীন স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তারা তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রী নন।

    ভাই বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কাঙ্ক্ষিত পাত্রীর বৈশিষ্ট্য কী?"নাজমুদ্দীন আইয়ুবের উত্তর ছিল উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং ইখলাসে ভরা: "আমি চাই একজন সুশীলা স্ত্রী, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দেবে, যে সন্তানকে সে যথাযথ লালন-পালন করে বড় করবে। বড় হয়ে সে ছেলে হবে একজন দুর্দান্ত ঘোড়সওয়ার, সাহসী মুজাহিদ। আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে।"সেই সময় বায়তুল মুকাদ্দাস ছিল জেরুসালেম থেকে বহু দূরে, ক্রুসেডারদের দখলে। কিন্তু নাজমুদ্দীনের মন পড়ে ছিল আল-আকসার পানে।

    তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন হতাশ হয়ে বললেন, "তুমি যেমন কনের আশায় বসে আছো, ইহজীবনে তেমনটা পাবে কিনা আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে!" উত্তরে নাজমুদ্দীন দৃঢ়তার সাথে বললেন, "যে ইখলাসের সাথে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্যে কোনো নিয়ত করে, আল্লাহ তাকে তা দিয়ে দেন।"অপরিচিতের মুখে একই আকাঙ্ক্ষাঘটনার কয়েক দিন পর, নাজমুদ্দীন তিকরিতেরই এক শায়খের মজলিসে বসে আলাপ করছিলেন। এমন সময় এক পর্দানশীন যুবতী এসে শায়খকে সালাম দিলেন। শায়খ সেই যুবতীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন সে তাঁর পাঠানো পাত্রকে ফিরিয়ে দিয়েছে—যে জ্ঞানে, গুণে, পদে বা অর্থে কোনো অংশেই কম ছিল না।

    যুবতী বিনয়ের সাথে উত্তর দিলেন: "শায়খ! এই পাত্রের মধ্যে আমার কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য নেই।"শায়খের প্রশ্নে, যুবতী তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রের যে বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করলেন, তা শুনে নাজমুদ্দীন আইয়ুবের শ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। যুবতী বললেন: "আমি চাই এমন নেককার পাত্র, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। যে আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দিবে... আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে!"দুইজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের মনের কথা এমন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাওয়া দেখে নাজমুদ্দীন বাকহারা হয়ে গেলেন।

    ভাবনার অতল থেকে সম্বিত ফিরে পেয়েই তিনি বলে উঠলেন: "শায়খ! আমি এই পুণ্যবতী মানুষটাকে বিয়ে করতে চাই!"শায়খ প্রথমে ইতস্তত করলেন, কারণ নাজমুদ্দীন ছিলেন তিকরিতের ওয়ালী, আর মেয়েটি ছিল মহল্লার সবচেয়ে গরীব ঘরের সন্তান। কিন্তু নাজমুদ্দীন সব কথা খুলে বললেন। শায়খ সব শুনে অজান্তেই এক আয়াত তিলাওয়াত করলেন:{وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا}
    (অর্থাৎ: 'আর তাঁর (আল্লাহর) অন্যতম একটা নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের জন্যে, তোমাদের থেকেই স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করেছেন। যেন তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারো।'—সূরা রূম: ২১)দুইজন মহৎপ্রাণ যুবক-যুবতীর বিবাহ সম্পন্ন হলো। তাঁদের আন্তরিক ইখলাস ও দৃঢ় নিয়তের বরকতেই আল্লাহ তাঁদের দান করলেন এক অনন্য উপহার—ইতিহাসের সেই মহানায়ক, সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবী (রহ.)
    সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর (রহ.) বাবা, নাজমুদ্দীন আইয়ুব (রহ.) তখন তিকরিতের শাসনভারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত। বয়স পেরিয়ে গেলেও তাঁর বিবাহের কোনো উদ্যোগ না দেখে তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন শিরকুহ চিন্তিত হয়ে পড়লেন।ভাই আসাদুদ্দীন তাঁকে রাজ্যের প্রভাবশালী পরিবারের মেয়েদের (যেমন মালিক শাহের বা নিযামুল মুলকের কন্যা) বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। কিন্তু নাজমুদ্দীন স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তারা তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রী নন। ভাই বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কাঙ্ক্ষিত পাত্রীর বৈশিষ্ট্য কী?"নাজমুদ্দীন আইয়ুবের উত্তর ছিল উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং ইখলাসে ভরা: "আমি চাই একজন সুশীলা স্ত্রী, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দেবে, যে সন্তানকে সে যথাযথ লালন-পালন করে বড় করবে। বড় হয়ে সে ছেলে হবে একজন দুর্দান্ত ঘোড়সওয়ার, সাহসী মুজাহিদ। আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে।"সেই সময় বায়তুল মুকাদ্দাস ছিল জেরুসালেম থেকে বহু দূরে, ক্রুসেডারদের দখলে। কিন্তু নাজমুদ্দীনের মন পড়ে ছিল আল-আকসার পানে। তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন হতাশ হয়ে বললেন, "তুমি যেমন কনের আশায় বসে আছো, ইহজীবনে তেমনটা পাবে কিনা আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে!" উত্তরে নাজমুদ্দীন দৃঢ়তার সাথে বললেন, "যে ইখলাসের সাথে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্যে কোনো নিয়ত করে, আল্লাহ তাকে তা দিয়ে দেন।"অপরিচিতের মুখে একই আকাঙ্ক্ষাঘটনার কয়েক দিন পর, নাজমুদ্দীন তিকরিতেরই এক শায়খের মজলিসে বসে আলাপ করছিলেন। এমন সময় এক পর্দানশীন যুবতী এসে শায়খকে সালাম দিলেন। শায়খ সেই যুবতীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন সে তাঁর পাঠানো পাত্রকে ফিরিয়ে দিয়েছে—যে জ্ঞানে, গুণে, পদে বা অর্থে কোনো অংশেই কম ছিল না। যুবতী বিনয়ের সাথে উত্তর দিলেন: "শায়খ! এই পাত্রের মধ্যে আমার কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য নেই।"শায়খের প্রশ্নে, যুবতী তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রের যে বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করলেন, তা শুনে নাজমুদ্দীন আইয়ুবের শ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। যুবতী বললেন: "আমি চাই এমন নেককার পাত্র, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। যে আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দিবে... আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে!"দুইজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের মনের কথা এমন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাওয়া দেখে নাজমুদ্দীন বাকহারা হয়ে গেলেন। ভাবনার অতল থেকে সম্বিত ফিরে পেয়েই তিনি বলে উঠলেন: "শায়খ! আমি এই পুণ্যবতী মানুষটাকে বিয়ে করতে চাই!"শায়খ প্রথমে ইতস্তত করলেন, কারণ নাজমুদ্দীন ছিলেন তিকরিতের ওয়ালী, আর মেয়েটি ছিল মহল্লার সবচেয়ে গরীব ঘরের সন্তান। কিন্তু নাজমুদ্দীন সব কথা খুলে বললেন। শায়খ সব শুনে অজান্তেই এক আয়াত তিলাওয়াত করলেন:{وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا} (অর্থাৎ: 'আর তাঁর (আল্লাহর) অন্যতম একটা নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের জন্যে, তোমাদের থেকেই স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করেছেন। যেন তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারো।'—সূরা রূম: ২১)দুইজন মহৎপ্রাণ যুবক-যুবতীর বিবাহ সম্পন্ন হলো। তাঁদের আন্তরিক ইখলাস ও দৃঢ় নিয়তের বরকতেই আল্লাহ তাঁদের দান করলেন এক অনন্য উপহার—ইতিহাসের সেই মহানায়ক, সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবী (রহ.)
    ·685 Views ·0 Προεπισκόπηση
  • বাংলাদেশে হাই রেঞ্জের প-তি-তা ভার্সিটির মেয়েরা...
    আমার আবার নারীর প্রতি ঘৃণা বা বিরাগ মনোভাব, নাই, মা/বোন সবাই -ই আছে...তারপরও লিখলাম...
    অর্থাৎ বাংলাদেশের এলিট শ্রেণীতে সবচেয়ে চড়া মূল্যে বাসায় আনতে হয় ভার্সিটির সুন্দরী মেয়েদের।
    বিশেষ করে ভার্সিটির শিক্ষক,ব্যাংকার,ব্যবসায়ী,নেতা ইত্যাদি ধরণের ক্যাটাগরির মানুষের প্রথম পছন্দ ভার্সিটির মেয়ে।

    একেকজন এর রেট ১০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা হতে পারে৷। বিশেষ করে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মেয়েদের চাহিদা বেশি।

    আমি যখন ভার্সিটিতে পড়ি। তখন আমাদের ভার্সিটির একটা লোকেশনে এসব কার্যকলাপ ছিলো।
    ভার্সিটির মেয়েরা এসব করে এগুলা অনেকে বিশ্বাস ই করবে না। কিন্তু আপনারা জানলে অবাক হবেন যে অভিজাত শ্রেনীর মানুষরা এখন ভার্সিটির মেয়ে ছাড়া ভোগ করে না। আর সাধারণ আবাসিক হোটেল ত লেবার,ড্রাইভার, দিনমজুরদের।

    একটা ভার্সিটির মেয়ে যদি মাসে ৩/৪ লাখ টাকা আর্ন করে। সে কিভাবে টাকার লোভ সামলাবে। চট্টগ্রামে হালিশহরে একটা পতি-তালয়ের সন্ধান পেয়েছি। যা ভার্সিটির মেয়েদের দ্বারা পরিচালিত। আর তাদের সেবা গুলো ভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। যেমন নির্দিষ্ট পতি'তা কে ২/৪ দিনের জন্য কন্টাক্ট করে কক্সবাজার বা নিজেদের বাসায় নিয়ে যায়। বেশিরভাগ কক্সবাজারে নিয়ে যায় সবাই। কক্সবাজারে ট্রেন সেবা চালু হয়েছে। এটার একটা হিডেন ম্যাসেজ আছে।

    এই দেশটা কে সমূলে ধ্বংস করতে কক্সবাজারের বিকল্প নাই। ট্যুরিস্ট স্পট গুলো সহজলভ্য করা মানে। আর্থিক ব্যানিফেশিয়াল এর পাশাপাশি অবাধ যৌনতা দিয়ে দেশ কে ডুবিয়ে দেওয়া। কক্সবাজারে অধিকাংশ যায় এসব হোটেলে প্রাইভেট এনজয় করার জন্য৷ আর ঢাকার কথা কি বলব। ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো অবস্থা ভয়াবহ।

    ঢাকা এখন স্মার্ট পতি-তা নগর.... 🥵
    —সংগ্রহ পোস্ট
    বাংলাদেশে হাই রেঞ্জের প-তি-তা ভার্সিটির মেয়েরা... আমার আবার নারীর প্রতি ঘৃণা বা বিরাগ মনোভাব, নাই, মা/বোন সবাই -ই আছে...তারপরও লিখলাম... অর্থাৎ বাংলাদেশের এলিট শ্রেণীতে সবচেয়ে চড়া মূল্যে বাসায় আনতে হয় ভার্সিটির সুন্দরী মেয়েদের। বিশেষ করে ভার্সিটির শিক্ষক,ব্যাংকার,ব্যবসায়ী,নেতা ইত্যাদি ধরণের ক্যাটাগরির মানুষের প্রথম পছন্দ ভার্সিটির মেয়ে। একেকজন এর রেট ১০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা হতে পারে৷। বিশেষ করে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মেয়েদের চাহিদা বেশি। আমি যখন ভার্সিটিতে পড়ি। তখন আমাদের ভার্সিটির একটা লোকেশনে এসব কার্যকলাপ ছিলো। ভার্সিটির মেয়েরা এসব করে এগুলা অনেকে বিশ্বাস ই করবে না। কিন্তু আপনারা জানলে অবাক হবেন যে অভিজাত শ্রেনীর মানুষরা এখন ভার্সিটির মেয়ে ছাড়া ভোগ করে না। আর সাধারণ আবাসিক হোটেল ত লেবার,ড্রাইভার, দিনমজুরদের। একটা ভার্সিটির মেয়ে যদি মাসে ৩/৪ লাখ টাকা আর্ন করে। সে কিভাবে টাকার লোভ সামলাবে। চট্টগ্রামে হালিশহরে একটা পতি-তালয়ের সন্ধান পেয়েছি। যা ভার্সিটির মেয়েদের দ্বারা পরিচালিত। আর তাদের সেবা গুলো ভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। যেমন নির্দিষ্ট পতি'তা কে ২/৪ দিনের জন্য কন্টাক্ট করে কক্সবাজার বা নিজেদের বাসায় নিয়ে যায়। বেশিরভাগ কক্সবাজারে নিয়ে যায় সবাই। কক্সবাজারে ট্রেন সেবা চালু হয়েছে। এটার একটা হিডেন ম্যাসেজ আছে। এই দেশটা কে সমূলে ধ্বংস করতে কক্সবাজারের বিকল্প নাই। ট্যুরিস্ট স্পট গুলো সহজলভ্য করা মানে। আর্থিক ব্যানিফেশিয়াল এর পাশাপাশি অবাধ যৌনতা দিয়ে দেশ কে ডুবিয়ে দেওয়া। কক্সবাজারে অধিকাংশ যায় এসব হোটেলে প্রাইভেট এনজয় করার জন্য৷ আর ঢাকার কথা কি বলব। ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো অবস্থা ভয়াবহ। ঢাকা এখন স্মার্ট পতি-তা নগর.... 🥵 —সংগ্রহ পোস্ট
    ·780 Views ·0 Προεπισκόπηση
  • হাদি ভাই আমার রক্তের সম্পর্কের কেউ না...কিন্তু কেনো জানি কলিজা ফাটা কান্না আসতেছে এই ভাইটার জন্য। কোনদিন স্বার্থপরের মত নিজের বাইরে কারো জন্য আল্লাহ্‌র দরবারে কিছু চাইনি। কিন্তু হাদির জন্য চাইলাম। ভাই তুই আগে ভালো হ...আমি তোকে দেখতে আসব। আর তু না ফিরলে তোর কথামত তোর মেয়েকে আমি ও আমারা (বাংলাদেশ) দেখে রাখব। 😭 😭 😭
    হাদি ভাই আমার রক্তের সম্পর্কের কেউ না...কিন্তু কেনো জানি কলিজা ফাটা কান্না আসতেছে এই ভাইটার জন্য। কোনদিন স্বার্থপরের মত নিজের বাইরে কারো জন্য আল্লাহ্‌র দরবারে কিছু চাইনি। কিন্তু হাদির জন্য চাইলাম। ভাই তুই আগে ভালো হ...আমি তোকে দেখতে আসব। আর তু না ফিরলে তোর কথামত তোর মেয়েকে আমি ও আমারা (বাংলাদেশ) দেখে রাখব। 😭 😭 😭
    ·345 Views ·0 Προεπισκόπηση
  • MinersLy ওয়েব সাইটে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম! দয়াকরে সাধারণ ইউজার না থেকে আমাদের প্রো-প্যাকেজ ক্রয় করে আমাদের সাথে ১-৫ বছরের চুক্তি করে বা MinersLy থেকে শেয়ার ক্রয় করে অনলাইন থেকে রিয়েল ইনকাম বা আয় করতে থাকুন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

    ⚠️We reserve the right to modify the Rewards Program at any time without prior notice.

    একটা প্রশ্ন সবার মাঝে থাকে! প্রশ্নটা হল "শুধু লাইক,কমেন্ট,শেয়ার,ভিডিও দেখে কি ইনকাম করা যায়? বিষয়টা আসলেই হাস্যকর! তাইনা?"

    উত্তরঃ আসলেই বিষয়টা হাস্যকর! কিন্তু আপনি মাইনিং এর অর্থ জানলে হয়ত হাসতেন না। বরং আচ্চর্য হতেন এত ছোট ছোট টাস্ক কমপ্লিট করে কয়েন বা টোকেন পাওয়া যায় তা দেখে! Hamster Kombat এর কথা মনে আছে? Just Tap-Tap করে কয়েন ধরা আর সিজন শেষে $ ইনকাম! মজার না? ওরা যদি শুধু মোবাইলের স্ক্রিনে Tap-Tap করলে কয়েন আর সে কয়েন কে ডলার বা টাকাতে কনভার্ট করা যায়, তাহলে এখানে ত আপনাকে অনেক কিছু করতে হচ্ছে!

    আমাদের এডস পার্টনারঃ
    Our Official Ads Network Partner 🤑
    💰AdsGram By Telegram
    Site Link: https://adsgram.ai/
    💰AdsTerra By AD MARKET
    Site Link: https://adsterra.com/
    💰Monetag By MoneTag
    Site Link: https://monetag.com/

    আমাদের লিংক মনিটাইজ পার্টনারঃ
    💰Lolinez By Lolinez
    Site Link: https://Lolinez.com/

    সে হিসেবে MinersLy হল একটি এডস রেবেনিউ শেয়ারিং প্লাটফর্ম!
    এর মানে হল আমাদের সাইডে যে এডস শো হয় সেখানে থেকে আমরা আমাদের ইউজার দের কিছু কয়েন বা ক্যাশ টাকা শেয়ার করে থাকি।

    📢MinersLy কিভাবে তার ইউজারদের ইনকাম দিয়ে থাকে?

    ⛏️ Ads Show করে
    ⛏️ Ads এ ক্লিক করে
    ⛏️ File ডাওনলোড করে
    ⛏️ Website ভিজিট করে
    ⛏️ Free/Paid Coin Mining করে

    To Earn Money, what do we offer?
    • Unlimited blog posting.
    • Good servers with a good network speed.
    • Only authors can post to earn
    • To become an author, contact admin
    • Earn money from your post! (videos, Music’s, quizzes, articles and others).

    💰Rewards Program

    ✅You can use our blog to generate massive income.
    ✅All you have to do is to register on our site, post and share with others.
    ✅When others view your post, your account will start generating money automatically.
    ✅MinersLy Systems blog allows you to earn every time your post is viewed.
    ✅MinersLy Systems pays you $1 per every 1000 post viewed.
    ✅MinersLy Systems blog counts post views base on IP address, user-agent (browser info) and cookies to count unique page views. Also, it checks if visitor is a robot or not. It does not count visits that come from robots.

    Source: Official
    MinersLy ওয়েব সাইটে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম! দয়াকরে সাধারণ ইউজার না থেকে আমাদের প্রো-প্যাকেজ ক্রয় করে আমাদের সাথে ১-৫ বছরের চুক্তি করে বা MinersLy থেকে শেয়ার ক্রয় করে অনলাইন থেকে রিয়েল ইনকাম বা আয় করতে থাকুন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। ⚠️We reserve the right to modify the Rewards Program at any time without prior notice. একটা প্রশ্ন সবার মাঝে থাকে! প্রশ্নটা হল "শুধু লাইক,কমেন্ট,শেয়ার,ভিডিও দেখে কি ইনকাম করা যায়? বিষয়টা আসলেই হাস্যকর! তাইনা?" উত্তরঃ আসলেই বিষয়টা হাস্যকর! কিন্তু আপনি মাইনিং এর অর্থ জানলে হয়ত হাসতেন না। বরং আচ্চর্য হতেন এত ছোট ছোট টাস্ক কমপ্লিট করে কয়েন বা টোকেন পাওয়া যায় তা দেখে! Hamster Kombat এর কথা মনে আছে? Just Tap-Tap করে কয়েন ধরা আর সিজন শেষে $ ইনকাম! মজার না? ওরা যদি শুধু মোবাইলের স্ক্রিনে Tap-Tap করলে কয়েন আর সে কয়েন কে ডলার বা টাকাতে কনভার্ট করা যায়, তাহলে এখানে ত আপনাকে অনেক কিছু করতে হচ্ছে! আমাদের এডস পার্টনারঃ Our Official Ads Network Partner 🤑 💰AdsGram By Telegram Site Link: https://adsgram.ai/ 💰AdsTerra By AD MARKET Site Link: https://adsterra.com/ 💰Monetag By MoneTag Site Link: https://monetag.com/ আমাদের লিংক মনিটাইজ পার্টনারঃ 💰Lolinez By Lolinez Site Link: https://Lolinez.com/ সে হিসেবে MinersLy হল একটি এডস রেবেনিউ শেয়ারিং প্লাটফর্ম! এর মানে হল আমাদের সাইডে যে এডস শো হয় সেখানে থেকে আমরা আমাদের ইউজার দের কিছু কয়েন বা ক্যাশ টাকা শেয়ার করে থাকি। 📢MinersLy কিভাবে তার ইউজারদের ইনকাম দিয়ে থাকে? ⛏️ Ads Show করে ⛏️ Ads এ ক্লিক করে ⛏️ File ডাওনলোড করে ⛏️ Website ভিজিট করে ⛏️ Free/Paid Coin Mining করে To Earn Money, what do we offer? • Unlimited blog posting. • Good servers with a good network speed. • Only authors can post to earn • To become an author, contact admin • Earn money from your post! (videos, Music’s, quizzes, articles and others). 💰Rewards Program ✅You can use our blog to generate massive income. ✅All you have to do is to register on our site, post and share with others. ✅When others view your post, your account will start generating money automatically. ✅MinersLy Systems blog allows you to earn every time your post is viewed. ✅MinersLy Systems pays you $1 per every 1000 post viewed. ✅MinersLy Systems blog counts post views base on IP address, user-agent (browser info) and cookies to count unique page views. Also, it checks if visitor is a robot or not. It does not count visits that come from robots. Source: Official
    9
    1 Σχόλια ·7χλμ. Views ·3 Προεπισκόπηση