Atualize para o Pro

  • 📌 ভূ-রাজনীতি: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নিরাপত্তার অদৃশ্য সুতো 🇧🇩🇵🇰
    একটি নির্মম কিন্তু বাস্তব ভূ-রাজনৈতিক সত্য, যা হয়তো অনেকেই মানতে চাইবেন না:

    "রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান যতদিন টিকে থাকবে, তার থেকে ঠিক তিন দিন বেশি টিকে থাকবে বাংলাদেশ। যেদিন ইসলামাবাদের পতন হবে, তার ঠিক তিন দিন পরে ঢাকার পতন হবে—দিল্লির হাতে।"

    ❓ কিন্তু প্রশ্ন হলো, একই দিনে কেন নয়? তিন দিন কেন?
    কারণ, দিল্লির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ ছাত্র-জনতা এক প্রচণ্ড ও অভূতপূর্ব প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। মাতৃভূমি রক্ষায় আমাদের বীর জনতা দমে যাবে না। কিন্তু আধুনিক সামরিক আগ্রাসনের সামনে শুধু খালি হাতে বা সাধারণ প্রতিরোধ নিয়ে তারা হয়তো তিন দিনের বেশি টিকতে পারবে না।

    🛡️ পারমাণবিক ভারসাম্য ও বাংলাদেশের অস্তিত্ব
    সোজা কথায়—যে পারমাণবিক অস্ত্র ও সামরিক শক্তি পাকিস্তানকে নিরাপত্তা দেয়, হাজার মাইল দূরে থাকা বাংলাদেশকেও পরোক্ষভাবে সেই একই অস্ত্র নিরাপত্তা দিচ্ছে। এটি একটি আন্তর্জাতিক ক্ষমতার ভারসাম্য (Balance of Power)।

    বাস্তবতা হলো: পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি পশ্চিমে ভারতের জন্য একটি স্থায়ী সামরিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে টিকে আছে বলেই, পূর্ব সীমান্তে বাংলাদেশ আজ স্বাধীনভাবে শ্বাস নিতে পারছে।

    পাকিস্তান যদি কখনো না থাকে, তবে পূর্বদিকের এই ভূখণ্ডকে গ্রাস করতে দিল্লির খুব বেশি সময় লাগবে না।

    আপনি বিশ্বাস করেন আর নাই বা করেন—এটাই বর্তমান ভূ-রাজনীতির সবচেয়ে বড় এবং রূঢ় সত্য। ---

    #ভূরাজনীতি #বাংলাদেশ #পাকিস্তান #নিরাপত্তা #আন্তর্জাতিকসম্পর্ক #স্বাধীনসার্বভৌম
    📌 ভূ-রাজনীতি: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নিরাপত্তার অদৃশ্য সুতো 🇧🇩🇵🇰 একটি নির্মম কিন্তু বাস্তব ভূ-রাজনৈতিক সত্য, যা হয়তো অনেকেই মানতে চাইবেন না: "রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান যতদিন টিকে থাকবে, তার থেকে ঠিক তিন দিন বেশি টিকে থাকবে বাংলাদেশ। যেদিন ইসলামাবাদের পতন হবে, তার ঠিক তিন দিন পরে ঢাকার পতন হবে—দিল্লির হাতে।" ❓ কিন্তু প্রশ্ন হলো, একই দিনে কেন নয়? তিন দিন কেন? কারণ, দিল্লির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ ছাত্র-জনতা এক প্রচণ্ড ও অভূতপূর্ব প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। মাতৃভূমি রক্ষায় আমাদের বীর জনতা দমে যাবে না। কিন্তু আধুনিক সামরিক আগ্রাসনের সামনে শুধু খালি হাতে বা সাধারণ প্রতিরোধ নিয়ে তারা হয়তো তিন দিনের বেশি টিকতে পারবে না। 🛡️ পারমাণবিক ভারসাম্য ও বাংলাদেশের অস্তিত্ব সোজা কথায়—যে পারমাণবিক অস্ত্র ও সামরিক শক্তি পাকিস্তানকে নিরাপত্তা দেয়, হাজার মাইল দূরে থাকা বাংলাদেশকেও পরোক্ষভাবে সেই একই অস্ত্র নিরাপত্তা দিচ্ছে। এটি একটি আন্তর্জাতিক ক্ষমতার ভারসাম্য (Balance of Power)। বাস্তবতা হলো: পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি পশ্চিমে ভারতের জন্য একটি স্থায়ী সামরিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে টিকে আছে বলেই, পূর্ব সীমান্তে বাংলাদেশ আজ স্বাধীনভাবে শ্বাস নিতে পারছে। পাকিস্তান যদি কখনো না থাকে, তবে পূর্বদিকের এই ভূখণ্ডকে গ্রাস করতে দিল্লির খুব বেশি সময় লাগবে না। আপনি বিশ্বাস করেন আর নাই বা করেন—এটাই বর্তমান ভূ-রাজনীতির সবচেয়ে বড় এবং রূঢ় সত্য। --- #ভূরাজনীতি #বাংলাদেশ #পাকিস্তান #নিরাপত্তা #আন্তর্জাতিকসম্পর্ক #স্বাধীনসার্বভৌম
    ·2K Visualizações ·0 Anterior
  • # ✨ কলম ও বর্ণমালা — খুব শীঘ্রই আসছে!

    শিক্ষা, সৃজনশীলতা এবং প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি হচ্ছে দুটি নতুন ও ব্যতিক্রমধর্মী অ্যাপ — **কলম** এবং **বর্ণমালা**। আধুনিক শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ, স্মার্ট এবং আনন্দদায়ক শেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।

    📚 **কলম** অ্যাপে থাকছে কুইজ, কনটেস্ট, স্কলারশিপ, পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ এবং দক্ষতা বিকাশের বিভিন্ন কার্যক্রম। অন্যদিকে **বর্ণমালা** অ্যাপ শিশু-কিশোরদের বাংলা ভাষা, বর্ণ, শব্দ ও মৌলিক শিক্ষা সহজ ও আকর্ষণীয় উপায়ে শেখাতে সাহায্য করবে।

    🏆 নিয়মিত প্রতিযোগিতা, পুরস্কার, সার্টিফিকেট এবং শিক্ষামূলক কনটেন্টের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের জ্ঞান বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বিভিন্ন স্বীকৃতি অর্জনের সুযোগ পাবে।

    🚀 শিক্ষা হবে আরও স্মার্ট, আরও মজার এবং আরও ফলপ্রসূ।

    **কলম ও বর্ণমালা — Coming Soon!**
    *"শেখার নতুন দিগন্ত, সাফল্যের নতুন ঠিকানা।"* 💚📖✨
    # ✨ কলম ও বর্ণমালা — খুব শীঘ্রই আসছে! শিক্ষা, সৃজনশীলতা এবং প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি হচ্ছে দুটি নতুন ও ব্যতিক্রমধর্মী অ্যাপ — **কলম** এবং **বর্ণমালা**। আধুনিক শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ, স্মার্ট এবং আনন্দদায়ক শেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। 📚 **কলম** অ্যাপে থাকছে কুইজ, কনটেস্ট, স্কলারশিপ, পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ এবং দক্ষতা বিকাশের বিভিন্ন কার্যক্রম। অন্যদিকে **বর্ণমালা** অ্যাপ শিশু-কিশোরদের বাংলা ভাষা, বর্ণ, শব্দ ও মৌলিক শিক্ষা সহজ ও আকর্ষণীয় উপায়ে শেখাতে সাহায্য করবে। 🏆 নিয়মিত প্রতিযোগিতা, পুরস্কার, সার্টিফিকেট এবং শিক্ষামূলক কনটেন্টের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের জ্ঞান বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বিভিন্ন স্বীকৃতি অর্জনের সুযোগ পাবে। 🚀 শিক্ষা হবে আরও স্মার্ট, আরও মজার এবং আরও ফলপ্রসূ। **কলম ও বর্ণমালা — Coming Soon!** *"শেখার নতুন দিগন্ত, সাফল্যের নতুন ঠিকানা।"* 💚📖✨
    1
    ·2K Visualizações ·0 Anterior
  • Meta আজকে যা Launch করলো, সেটা Unbelievable।
    ফ্রিতে যে Instagram, Facebook, WhatsApp ব্যবহার করছেন, এবার সেগুলোর সব নতুন এক্সক্লুসিভ ফিচারগুলো paid subscription এ ঢুকে যাচ্ছে। আর সবচেয়ে বড় কথা - বাংলাদেশও এই তালিকায় আছে।

    Meta এর head of product Naomi Gleit এর একটা ইন্সটাগ্রাম ভিডিও দেখছিলাম, সেখানে তিনি শেয়ার করেছেন এমন যে - "আমরা এখন globally subscription rollout শুরু করছি।" ৩টা আলাদা Plus plan এখন পাওয়া যাচ্ছে।

    Instagram Plus মাসে $3.99। এটা দিলে পাবেন story rewatch count, unlimited audience list, নিজের story কে একবার করে spotlight দেওয়ার সুযোগ, story তে কে কতক্ষণ ছিল সেটার insight, custom font আর profile pin।

    Facebook Plus-ও $3.99। WhatsApp Plus একটু কম - $2.99। WhatsApp Plus তে পাবেন custom theme, ringtone, premium sticker, আর extra pinned chats।

    এখন আসি সবচেয়ে mind-blowing অংশে - Meta One।
    Meta এই সব subscription কে একটা ছাদের নিচে আনতে চাইছে, নাম Meta One। এখানে creator আর business দের জন্য ২টা plan আসছে।

    Meta One Essential $14.99/mo - verified badge, impersonation protection, এবং একটা enhanced linksheet যেটা দিয়ে সব সোশ্যাল চ্যানেল এক জায়গায় দেখানো যাবে।

    আর Meta One Advanced $49.99/mo - এটা দিলে Facebook feed এ featured হওয়া যাবে, search result এ উপরে আসবেন, Reel এ bold "Follow" button থাকবে, আর যারা content engage করেছে তাদের কাছে automatically follow invitation যাবে।

    বিশ্বাস করেন, এই পুরো list পড়তে পড়তে আমি নিজেই হাঁ হয়ে গেছি। কারণ এটা শুধু নতুন feature না - এটা Meta এর business model পরিবর্তনের সংকেত।

    AI plan-ও আসছে। Meta One Plus $7.99/mo আর Meta One Premium $19.99/mo - এটা দিয়ে Meta AI তে deeper reasoning, বেশি video আর image generation পাওয়া যাবে। AI glasses users দের জন্য আরো extra benefit আসবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে। তবে এখানে একটা কথা আছে।

    AI plan গুলো এখনই আসছে না। প্রথমে Singapore, Guatemala আর Bolivia তে test হবে। আর creator-business plan এর test শুরু হচ্ছে Saudi Arabia, Morocco, Thailand আর বাংলাদেশে - এই সপ্তাহেই।

    মানে বাংলাদেশ সরাসরি early test market এ আছে, এটা একটু অবাকই করলো। Basic Plus plan গুলো ($2.99-$3.99) free tier বন্ধ করছে না, এখনকার ফ্রি experience একই থাকবে। আমার তো মনে হচ্ছে Meta আসলে বুঝে গেছে শুধু ads দিয়ে আর কতদূর যাবে। এখন তারা সরাসরি user এর পকেট থেকে নিতে চাইছে, YouTube Premium বা Spotify যেভাবে করছে।

    আপনাদের কাছে জানতে চাই - Instagram Plus বা WhatsApp Plus এর জন্য মাসে ৩৫০-৪৫০ টাকা দিতে রাজি আছেন, নাকি free তেই থাকবেন? কমেন্টে বলেন তো দেখি! আর সেজন্যই আমি আমার তুরুপের তাস বের করব! ইনশাল্লাহ! 🤑
    Meta আজকে যা Launch করলো, সেটা Unbelievable। ফ্রিতে যে Instagram, Facebook, WhatsApp ব্যবহার করছেন, এবার সেগুলোর সব নতুন এক্সক্লুসিভ ফিচারগুলো paid subscription এ ঢুকে যাচ্ছে। আর সবচেয়ে বড় কথা - বাংলাদেশও এই তালিকায় আছে। Meta এর head of product Naomi Gleit এর একটা ইন্সটাগ্রাম ভিডিও দেখছিলাম, সেখানে তিনি শেয়ার করেছেন এমন যে - "আমরা এখন globally subscription rollout শুরু করছি।" ৩টা আলাদা Plus plan এখন পাওয়া যাচ্ছে। Instagram Plus মাসে $3.99। এটা দিলে পাবেন story rewatch count, unlimited audience list, নিজের story কে একবার করে spotlight দেওয়ার সুযোগ, story তে কে কতক্ষণ ছিল সেটার insight, custom font আর profile pin। Facebook Plus-ও $3.99। WhatsApp Plus একটু কম - $2.99। WhatsApp Plus তে পাবেন custom theme, ringtone, premium sticker, আর extra pinned chats। এখন আসি সবচেয়ে mind-blowing অংশে - Meta One। Meta এই সব subscription কে একটা ছাদের নিচে আনতে চাইছে, নাম Meta One। এখানে creator আর business দের জন্য ২টা plan আসছে। Meta One Essential $14.99/mo - verified badge, impersonation protection, এবং একটা enhanced linksheet যেটা দিয়ে সব সোশ্যাল চ্যানেল এক জায়গায় দেখানো যাবে। আর Meta One Advanced $49.99/mo - এটা দিলে Facebook feed এ featured হওয়া যাবে, search result এ উপরে আসবেন, Reel এ bold "Follow" button থাকবে, আর যারা content engage করেছে তাদের কাছে automatically follow invitation যাবে। বিশ্বাস করেন, এই পুরো list পড়তে পড়তে আমি নিজেই হাঁ হয়ে গেছি। কারণ এটা শুধু নতুন feature না - এটা Meta এর business model পরিবর্তনের সংকেত। AI plan-ও আসছে। Meta One Plus $7.99/mo আর Meta One Premium $19.99/mo - এটা দিয়ে Meta AI তে deeper reasoning, বেশি video আর image generation পাওয়া যাবে। AI glasses users দের জন্য আরো extra benefit আসবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে। তবে এখানে একটা কথা আছে। AI plan গুলো এখনই আসছে না। প্রথমে Singapore, Guatemala আর Bolivia তে test হবে। আর creator-business plan এর test শুরু হচ্ছে Saudi Arabia, Morocco, Thailand আর বাংলাদেশে - এই সপ্তাহেই। মানে বাংলাদেশ সরাসরি early test market এ আছে, এটা একটু অবাকই করলো। Basic Plus plan গুলো ($2.99-$3.99) free tier বন্ধ করছে না, এখনকার ফ্রি experience একই থাকবে। আমার তো মনে হচ্ছে Meta আসলে বুঝে গেছে শুধু ads দিয়ে আর কতদূর যাবে। এখন তারা সরাসরি user এর পকেট থেকে নিতে চাইছে, YouTube Premium বা Spotify যেভাবে করছে। আপনাদের কাছে জানতে চাই - Instagram Plus বা WhatsApp Plus এর জন্য মাসে ৩৫০-৪৫০ টাকা দিতে রাজি আছেন, নাকি free তেই থাকবেন? কমেন্টে বলেন তো দেখি! আর সেজন্যই আমি আমার তুরুপের তাস বের করব! ইনশাল্লাহ! 🤑
    ·2K Visualizações ·0 Anterior
  • খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য:

    ২৭ জুন, ১৯৮১।
    তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে রাখা একটি টেপ রেকর্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর যখন রেকর্ডারটি চেক করা হয়, তখন তার ভেতরে একটি ছোট চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল: "ফোরকান গ্রুপের পক্ষ থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে উপহার।" বোঝা গেল, টেপ রেকোর্ডারের ভেতরে ছিল শক্তিশালী বোমা।

    ​এই ​বিস্ফোরনে খামেনির বুক, ডান কাঁধ এবং ডান হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফুসফুস ছিদ্র হয়ে যায়, সাথে প্রচুর রক্তক্ষরণ।চিকিৎসকদের মতে, তিনি যে বেঁচে ফিরেছেন তা ছিল এক কথায় অলৌকিক। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শক্তিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ডান হাতের স্নায়ু বা নার্ভগুলো পুরোপুরি ছিঁড়ে যায়। ডাক্তাররা কয়েক ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করেও হাতটি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারেননি। এর ফলে তাঁর ডান হাতটি চিরতরে অচল বা প্যারালাইজড হয়ে যায়। তবুও এক হাত দিয়ে কাঁপিয়েছেন বিশ্ব।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লেখা একটি বই ভীষণ জনপ্রিয়।বইটার নাম 'Palestine'। ৪১৬ পৃষ্ঠার এই বইটিতে তিনি ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে এমন সুনিপুণ ম্যাপ আর গাণিতিক বিশ্লেষণ দিয়েছেন যা অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষককে অবাক করেছে। বইটি পড়লে ধারণা পাওয়া যায়, কতটা রণকৌশলী মস্তিষ্ক ছিল খামেনির।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় নেতা যাকে 'টাইম' এবং 'ফোর্বস' ম্যাগাজিন বারবার বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সেখানে তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার এক ইশারায় বিশ্ব তেলের বাজার ও ভূ-রাজনীতি তোলপাড় হতে পারে।

    অনেকেই জানেন না যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি একজন বড় মাপের আধ্যাত্মিক সাধক বা 'আরিফ'। তিনি ইসলামের গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন বা 'ইরফান'-এ বিশ্বাসী। তিনি মনে করেন, স্রষ্টার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য শুধু নামাজ-রোজার পাশাপাশি অন্তরের পবিত্রতা এবং দুনিয়াবি মোহ ত্যাগ করা জরুরি। তাঁর শান্ত ও ধীরস্থির আচরণের পেছনে এই আধ্যাত্মিক চর্চার বড় প্রভাব দেখেন বিশ্লেষকরা। খামেনি 'বেলায়াত-এ-ফকিহ' দর্শনে বিশ্বাসী। এর সহজ মানে হলো—যতক্ষণ পর্যন্ত ইমাম মাহদী সশরীরে ফিরে না আসছেন, ততক্ষণ একজন যোগ্য এবং ন্যায়পরায়ণ ইসলামি আইনবিদ মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই রাজনৈতিক ক্ষমতা আসলে একটি ধর্মীয় দায়িত্ব। অনুসারী মনে করেন, খামেনি আসলে ইমাম মাহদীর আগমনের পথ প্রস্তুত করছেন।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রায়ই বলেন, বিজ্ঞান এবং ইসলাম একে অপরের পরিপূরক। একারণেই ইরানে তাঁর শাসনামলে স্টেম সেল রিসার্চ, ন্যানো টেকনোলজি এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অনেক রক্ষণশীল মুসলিম দেশে নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত করা হয়।

    খামেনির সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো তাঁর দেওয়া একটি বিশেষ ফতোয়া। এর মাধ্যমে তিনি সুন্নিদের অপমান করা হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি মনে করেন, শিয়াদের মধ্যে যারা সুন্নিদের আবেগ নিয়ে কটূক্তি করে, তারা আসলে ইসলামের শত্রু এবং ব্রিটিশ বা পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার চর।
    যেকারণে শিয়া নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ-এর মতো সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বছরের পর বছর ধরে সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। ভূ-রাজনীতিতে এটি একটি বিরল ঘটনা, যেখানে একজন শিয়া নেতা সুন্নিদের স্বার্থে এত বড় ঝুঁকি নেন।
    প্রজ্ঞাবান বিশ্বনেতাদের চাইলেই শেষ করা যায় না। বিনম্র শ্রদ্ধা, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
    - জটাংক
    খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য: ২৭ জুন, ১৯৮১। তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে রাখা একটি টেপ রেকর্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর যখন রেকর্ডারটি চেক করা হয়, তখন তার ভেতরে একটি ছোট চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল: "ফোরকান গ্রুপের পক্ষ থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে উপহার।" বোঝা গেল, টেপ রেকোর্ডারের ভেতরে ছিল শক্তিশালী বোমা। ​এই ​বিস্ফোরনে খামেনির বুক, ডান কাঁধ এবং ডান হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফুসফুস ছিদ্র হয়ে যায়, সাথে প্রচুর রক্তক্ষরণ।চিকিৎসকদের মতে, তিনি যে বেঁচে ফিরেছেন তা ছিল এক কথায় অলৌকিক। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শক্তিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ডান হাতের স্নায়ু বা নার্ভগুলো পুরোপুরি ছিঁড়ে যায়। ডাক্তাররা কয়েক ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করেও হাতটি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারেননি। এর ফলে তাঁর ডান হাতটি চিরতরে অচল বা প্যারালাইজড হয়ে যায়। তবুও এক হাত দিয়ে কাঁপিয়েছেন বিশ্ব। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লেখা একটি বই ভীষণ জনপ্রিয়।বইটার নাম 'Palestine'। ৪১৬ পৃষ্ঠার এই বইটিতে তিনি ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে এমন সুনিপুণ ম্যাপ আর গাণিতিক বিশ্লেষণ দিয়েছেন যা অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষককে অবাক করেছে। বইটি পড়লে ধারণা পাওয়া যায়, কতটা রণকৌশলী মস্তিষ্ক ছিল খামেনির। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় নেতা যাকে 'টাইম' এবং 'ফোর্বস' ম্যাগাজিন বারবার বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সেখানে তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার এক ইশারায় বিশ্ব তেলের বাজার ও ভূ-রাজনীতি তোলপাড় হতে পারে। অনেকেই জানেন না যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি একজন বড় মাপের আধ্যাত্মিক সাধক বা 'আরিফ'। তিনি ইসলামের গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন বা 'ইরফান'-এ বিশ্বাসী। তিনি মনে করেন, স্রষ্টার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য শুধু নামাজ-রোজার পাশাপাশি অন্তরের পবিত্রতা এবং দুনিয়াবি মোহ ত্যাগ করা জরুরি। তাঁর শান্ত ও ধীরস্থির আচরণের পেছনে এই আধ্যাত্মিক চর্চার বড় প্রভাব দেখেন বিশ্লেষকরা। খামেনি 'বেলায়াত-এ-ফকিহ' দর্শনে বিশ্বাসী। এর সহজ মানে হলো—যতক্ষণ পর্যন্ত ইমাম মাহদী সশরীরে ফিরে না আসছেন, ততক্ষণ একজন যোগ্য এবং ন্যায়পরায়ণ ইসলামি আইনবিদ মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই রাজনৈতিক ক্ষমতা আসলে একটি ধর্মীয় দায়িত্ব। অনুসারী মনে করেন, খামেনি আসলে ইমাম মাহদীর আগমনের পথ প্রস্তুত করছেন। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রায়ই বলেন, বিজ্ঞান এবং ইসলাম একে অপরের পরিপূরক। একারণেই ইরানে তাঁর শাসনামলে স্টেম সেল রিসার্চ, ন্যানো টেকনোলজি এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অনেক রক্ষণশীল মুসলিম দেশে নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত করা হয়। খামেনির সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো তাঁর দেওয়া একটি বিশেষ ফতোয়া। এর মাধ্যমে তিনি সুন্নিদের অপমান করা হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি মনে করেন, শিয়াদের মধ্যে যারা সুন্নিদের আবেগ নিয়ে কটূক্তি করে, তারা আসলে ইসলামের শত্রু এবং ব্রিটিশ বা পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার চর। যেকারণে শিয়া নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ-এর মতো সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বছরের পর বছর ধরে সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। ভূ-রাজনীতিতে এটি একটি বিরল ঘটনা, যেখানে একজন শিয়া নেতা সুন্নিদের স্বার্থে এত বড় ঝুঁকি নেন। প্রজ্ঞাবান বিশ্বনেতাদের চাইলেই শেষ করা যায় না। বিনম্র শ্রদ্ধা, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। - জটাংক
    ·1K Visualizações ·0 Anterior
  • ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রিভাবে 'সুদ/খোর' বলা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে, যারা ডক্টর ইউনূসকে পছন্দ করেন, তাদেরও বেশিরভাগ জানেন না যে ডক্টর ইউনূসের কোনো সুদের ব্যবসা নেই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীণ ব্যাংকে তার এক টাকার মালিকানাও নেই, শেয়ারও নেই... কখনো ছিলই না।

    সারা পৃথিবীর ১০৭টি ইউনিভার্সিটিতে ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটি করেছে। এর প্রধান কারণ হলো তাঁর মাইক্রো-ফাইন্যান্স, যেটি তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীণ ব্যাংককে নোবেল শান্তি পুরস্কার এনে দিয়েছিল।

    জিনিসটি আমাদের কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি! ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইন্যান্সের মূল ভিত্তি হলো এটি... এই ব্যবসায় কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক। এটিকে বলা হয় সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নেই, জনগণই মালিক।

    বাহির থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তাঁর এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরিব মানুষের।

    নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরি করতেন।
    প্রথমত, তিনি কোম্পানিতে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি। দ্বিতীয়ত, তিনি কোম্পানিটিকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ কোম্পানির একক মালিক না হতে পারে। কোম্পানি অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন।

    শুধু যে গ্রামীণ ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সোরোস ও টেলিনরদের সহযোগিতায় তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায়, টেলিনর বাংলাদেশে আসে এবং তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরিবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না, গ্রামীণ টেলিকমও নন-প্রফিট কোম্পানি হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। চাইলে সহজেই তিনি ১০–১৫% মালিকানা নিজের জন্য রাখতে পারতেন।

    অথচ, লাভের কোনো টাকা নিজের কাছে না আসা নিশ্চিত করেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সু/দের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে, গ্রামীণ ব্যাংকের মত সুদ আর কেউ নেয় না। কিন্তু এই টাকায় প্রফিট করে ড. ইউনূস তা নয়।
    সত্যি বলতে, আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারে না। একজন মানুষ ব্যবসা করছে, সে সেখান থেকে লাভ করবে না... এটা আমরা ভাবতেও পারি না। আমরা ভাবি শুধু টাকা কামানোর কথা। যেমনভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন: "টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, কিন্তু অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি!" উনার ভাষায়, নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস।

    মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরিব আরও গরিব হবে, ধনী আরও ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি সব নন-প্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। নিজের জন্য কোনো মালিকানা রাখেননি। কিন্তু এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানি দেখুন, মালিকানা সব নিজেদের। কোম্পানির কথা বাদ দিন, এনজিওগুলোও অধিকাংশই পরিবারের বা নিজেদের। বড় বড় পদগুলোতে পরিবারের সদস্যরাই বসে থাকে।

    কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমনটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিতে নিজেকে বা পরিবারের কাউকেই রাখেননি। চাইলে সহজেই এসব কোম্পানিতে নিজের শেয়ার রেখে তিনি বিলিয়নিয়ার হতে পারতেন। তাঁর বন্ধু-বান্ধব সবাই বিলিয়নিয়ার, মাল্টি-বিলিয়নিয়ার, কিন্তু তিনি সেদিকে হাঁটেননি। অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড. ইউনূসের আয়ের উৎস কোনটা? আমি নিশ্চিত, অনেকেই এ ব্যাপারে জানেনই না।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন বিশ্বের অন্যতম 'হাইএস্ট পেইড স্পিকার!' স্পিচ দেওয়ার জন্য তাঁকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। উনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ হয় ৭৫,০০০ থেকে ১ লাখ ডলারের মতো! কখনও কখনও আরও বেশি। বিশ্বের নামী-দামী প্রতিষ্ঠানগুলো তাঁকে নিয়ে যায় উনার বক্তব্য শোনার জন্য। উনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্য ডাকা হয়।

    যেমন, ২০২৪ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির তিনজনের একজন হচ্ছেন মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। ২০২৬ সালের ইতালি অলিম্পিকের জন্য ইতালিয়ানরা তাঁকে পরামর্শদাতা হিসেবে পেতে চাচ্ছে।

    আমরা মনে করি, গ্রামীণ ব্যাংক ও গ্রামীণ টেলিকমের মতো উনার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেই তিনি আয়ের উৎস পান... এটা ঠিক নয়। এরা প্রকাশ্যে কখনও স্বীকার করেননি যে এগুলোতে তাঁর ০.০১% শেয়ারও নেই।

    প্রফেসর ইউনুস একটি বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভাবুন, একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। বিশ্বের সেরা প্রফেসররা সেখানে আসত। তাঁর একবার আহ্বানে বিল গেটস, আমেরিকান প্রেসিডেন্টও সেখানে স্পিচ দিতে আসত। কিন্তু সেটি হতে দেওয়া হয়নি।

    সত্যি বলতে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে যত জানবেন, তত মনে হবে, দেশ ও জাতি হিসেবে আমরা ড. ইউনূসের মতো মানুষকে ডিজার্ভ করি না।

    This post is inspired by a video from RJ Zibraan. Shared by Porte Bosh. Thanks, and gratitude to him.
    ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রিভাবে 'সুদ/খোর' বলা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে, যারা ডক্টর ইউনূসকে পছন্দ করেন, তাদেরও বেশিরভাগ জানেন না যে ডক্টর ইউনূসের কোনো সুদের ব্যবসা নেই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীণ ব্যাংকে তার এক টাকার মালিকানাও নেই, শেয়ারও নেই... কখনো ছিলই না। সারা পৃথিবীর ১০৭টি ইউনিভার্সিটিতে ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটি করেছে। এর প্রধান কারণ হলো তাঁর মাইক্রো-ফাইন্যান্স, যেটি তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীণ ব্যাংককে নোবেল শান্তি পুরস্কার এনে দিয়েছিল। জিনিসটি আমাদের কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি! ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইন্যান্সের মূল ভিত্তি হলো এটি... এই ব্যবসায় কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক। এটিকে বলা হয় সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নেই, জনগণই মালিক। বাহির থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তাঁর এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরিব মানুষের। নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরি করতেন। প্রথমত, তিনি কোম্পানিতে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি। দ্বিতীয়ত, তিনি কোম্পানিটিকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ কোম্পানির একক মালিক না হতে পারে। কোম্পানি অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন। শুধু যে গ্রামীণ ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সোরোস ও টেলিনরদের সহযোগিতায় তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায়, টেলিনর বাংলাদেশে আসে এবং তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরিবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না, গ্রামীণ টেলিকমও নন-প্রফিট কোম্পানি হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। চাইলে সহজেই তিনি ১০–১৫% মালিকানা নিজের জন্য রাখতে পারতেন। অথচ, লাভের কোনো টাকা নিজের কাছে না আসা নিশ্চিত করেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সু/দের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে, গ্রামীণ ব্যাংকের মত সুদ আর কেউ নেয় না। কিন্তু এই টাকায় প্রফিট করে ড. ইউনূস তা নয়। সত্যি বলতে, আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারে না। একজন মানুষ ব্যবসা করছে, সে সেখান থেকে লাভ করবে না... এটা আমরা ভাবতেও পারি না। আমরা ভাবি শুধু টাকা কামানোর কথা। যেমনভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন: "টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, কিন্তু অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি!" উনার ভাষায়, নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস। মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরিব আরও গরিব হবে, ধনী আরও ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি সব নন-প্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। নিজের জন্য কোনো মালিকানা রাখেননি। কিন্তু এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানি দেখুন, মালিকানা সব নিজেদের। কোম্পানির কথা বাদ দিন, এনজিওগুলোও অধিকাংশই পরিবারের বা নিজেদের। বড় বড় পদগুলোতে পরিবারের সদস্যরাই বসে থাকে। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমনটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিতে নিজেকে বা পরিবারের কাউকেই রাখেননি। চাইলে সহজেই এসব কোম্পানিতে নিজের শেয়ার রেখে তিনি বিলিয়নিয়ার হতে পারতেন। তাঁর বন্ধু-বান্ধব সবাই বিলিয়নিয়ার, মাল্টি-বিলিয়নিয়ার, কিন্তু তিনি সেদিকে হাঁটেননি। অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড. ইউনূসের আয়ের উৎস কোনটা? আমি নিশ্চিত, অনেকেই এ ব্যাপারে জানেনই না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন বিশ্বের অন্যতম 'হাইএস্ট পেইড স্পিকার!' স্পিচ দেওয়ার জন্য তাঁকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। উনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ হয় ৭৫,০০০ থেকে ১ লাখ ডলারের মতো! কখনও কখনও আরও বেশি। বিশ্বের নামী-দামী প্রতিষ্ঠানগুলো তাঁকে নিয়ে যায় উনার বক্তব্য শোনার জন্য। উনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্য ডাকা হয়। যেমন, ২০২৪ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির তিনজনের একজন হচ্ছেন মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। ২০২৬ সালের ইতালি অলিম্পিকের জন্য ইতালিয়ানরা তাঁকে পরামর্শদাতা হিসেবে পেতে চাচ্ছে। আমরা মনে করি, গ্রামীণ ব্যাংক ও গ্রামীণ টেলিকমের মতো উনার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেই তিনি আয়ের উৎস পান... এটা ঠিক নয়। এরা প্রকাশ্যে কখনও স্বীকার করেননি যে এগুলোতে তাঁর ০.০১% শেয়ারও নেই। প্রফেসর ইউনুস একটি বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভাবুন, একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। বিশ্বের সেরা প্রফেসররা সেখানে আসত। তাঁর একবার আহ্বানে বিল গেটস, আমেরিকান প্রেসিডেন্টও সেখানে স্পিচ দিতে আসত। কিন্তু সেটি হতে দেওয়া হয়নি। সত্যি বলতে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে যত জানবেন, তত মনে হবে, দেশ ও জাতি হিসেবে আমরা ড. ইউনূসের মতো মানুষকে ডিজার্ভ করি না। This post is inspired by a video from RJ Zibraan. Shared by Porte Bosh. Thanks, and gratitude to him.
    ·1K Visualizações ·0 Anterior
  • #CARDANO OR #ADA OWNER SELL EVERYTHING! শালা ত দেখি আমার চাইতে ঘাড় ত্যাড়া! ল্যম্বারগিনি, নিজের ব্ল্যাকহক কোম্পানি, প্রাইভেট জেট সহ সকল জায়গা-সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়ে #BitCoin এ ইনভেস্ট করতেছে! কিন্তু আমার ত আর ল্যম্বারগিনি নাই ভাই! তাই আমিও আমার আন্ডারওয়ার ছাড়া কিছুই রাখব না। 😆
    #CARDANO OR #ADA OWNER SELL EVERYTHING! শালা ত দেখি আমার চাইতে ঘাড় ত্যাড়া! ল্যম্বারগিনি, নিজের ব্ল্যাকহক কোম্পানি, প্রাইভেট জেট সহ সকল জায়গা-সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়ে #BitCoin এ ইনভেস্ট করতেছে! কিন্তু আমার ত আর ল্যম্বারগিনি নাই ভাই! তাই আমিও আমার আন্ডারওয়ার ছাড়া কিছুই রাখব না। 😆
    ·1K Visualizações ·0 Anterior
  • উইনস্টন চার্চিল একবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থার একটি গল্প বলেছিলেন। একদিন তিনি একটি সাক্ষাৎকারের জন্য BBC (ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন) অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্যাক্সি নেন। সেখানে পৌঁছে তিনি চালককে অনুরোধ করেন, তিনি ফিরে আসা পর্যন্ত যেন প্রায় চল্লিশ মিনিট অপেক্ষা করেন।

    চালক ভদ্রভাবে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তিনি অপেক্ষা করতে পারবেন না, কারণ তাকে বাড়ি গিয়ে উইনস্টন চার্চিলের ভাষণ শুনতে হবে।

    চালকের এই আগ্রহ ও নিষ্ঠা দেখে চার্চিল বিস্মিত ও আনন্দিত হন। নিজের পরিচয় না দিয়ে তিনি পকেট থেকে দশ পাউন্ড বের করে চালককে দেন এবং গাড়ি থেকে নামেন।

    টাকা হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চালকের মনোভাব বদলে যায়। তিনি বলেন, “স্যার, আপনি যতক্ষণ চান আমি অপেক্ষা করব। চার্চিল জাহান্নামে যাক!” এই ঘটনাই অনেক কিছু বুঝিয়ে দেয়। টাকার শক্তি অদ্ভুত। টাকার জন্য নীতি বদলে যায়। টাকার জন্য দেশ বিক্রি হয়ে যায়। টাকার জন্য সম্মান বিসর্জন দেওয়া হয়। টাকার জন্য পরিবার ভেঙে যায়, বন্ধুত্ব নষ্ট হয়, মানুষ খু*ন হয়, আর মানুষ টাকার দাসেও পরিণত হয়। এটাই সেই শিক্ষা।
    উইনস্টন চার্চিল একবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থার একটি গল্প বলেছিলেন। একদিন তিনি একটি সাক্ষাৎকারের জন্য BBC (ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন) অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্যাক্সি নেন। সেখানে পৌঁছে তিনি চালককে অনুরোধ করেন, তিনি ফিরে আসা পর্যন্ত যেন প্রায় চল্লিশ মিনিট অপেক্ষা করেন। চালক ভদ্রভাবে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তিনি অপেক্ষা করতে পারবেন না, কারণ তাকে বাড়ি গিয়ে উইনস্টন চার্চিলের ভাষণ শুনতে হবে। চালকের এই আগ্রহ ও নিষ্ঠা দেখে চার্চিল বিস্মিত ও আনন্দিত হন। নিজের পরিচয় না দিয়ে তিনি পকেট থেকে দশ পাউন্ড বের করে চালককে দেন এবং গাড়ি থেকে নামেন। টাকা হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চালকের মনোভাব বদলে যায়। তিনি বলেন, “স্যার, আপনি যতক্ষণ চান আমি অপেক্ষা করব। চার্চিল জাহান্নামে যাক!” এই ঘটনাই অনেক কিছু বুঝিয়ে দেয়। টাকার শক্তি অদ্ভুত। টাকার জন্য নীতি বদলে যায়। টাকার জন্য দেশ বিক্রি হয়ে যায়। টাকার জন্য সম্মান বিসর্জন দেওয়া হয়। টাকার জন্য পরিবার ভেঙে যায়, বন্ধুত্ব নষ্ট হয়, মানুষ খু*ন হয়, আর মানুষ টাকার দাসেও পরিণত হয়। এটাই সেই শিক্ষা।
    ·523 Visualizações ·0 Anterior
  • সমাজের এমন অধঃপতনের কারণ কি? বিশেষ করে এই ছোট ছোট বাচ্চাদের অধঃপতনের মূল কারণ কি? এর প্রতীকের কি হতে পারে এর থেকে পরিত্রাণ কি হতে পারে কি করলে এগুলো থেকে বাচ্চারা মুক্ত থাকবে!

    কিছুদিন আগে ফেইসবুকে একটা ছবি দেখলাম। একটা বিল্ডিং এর চিপার মধ্যে গিয়ে এই ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়ে দুইটা জড়াজড়ি করে একজন আরেক জনকে ধরে রাখছে! আবার মেয়েটা সামনাসামনি ছেলেটাকে ঘুরে সামনাসামনি জড়িয়ে ধরেছে সমাজ কত নিচে চলে গেছে কল্পনাও করা যায় না!

    ভাই, আপনার কষ্ট-বেদনা বোঝা যায়। 😔
    আমি খুব সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলছি—কারণ বিষয়টা শিশুদের নিয়ে।

    👉 আসলে মুলত দোষ শিশুদের নয়।

    সমাজ এই অধঃপতনে কেন যাচ্ছে? (মূল কারণগুলো)

    📌 পরিবারে দ্বীনি তদারকির অভাব বাবা-মা ব্যস্ত সন্তান কার সাথে মিশছে—খেয়াল নেই “ছোট, কিছু বোঝে না”—এই ভুল ধারণা

    📌 অথচ কুরআন বলছে: > “তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।” 📖 (সূরা তাহরীম: ৬)

    📌 মোবাইল, ইউটিউব, রিলস, নাটক প্রেম-ভালোবাসার দৃশ্য জড়াজড়ি, স্পর্শ—সব নরমালাইজড শিশু নকল করে—বোঝে না

    📌 শিশু যা দেখে, তাই শেখে।

    📌 পর্দা ও লজ্জার শিক্ষা না থাকা কারণ রাসূল ﷺ বলেছেন: > “লজ্জা ঈমানের অংশ।” 📚 সহীহ বুখারী: ২৪

    আজ লজ্জাকে “ব্যাকডেটেড” বলা হচ্ছে।

    📌 মিশ্র পরিবেশ (ফ্রি মিক্সিং) ছেলে-মেয়ে একসাথে খেলাধুলা আলাদা করে শেখানো হয় না সীমারেখা বোঝানো হয় না

    📌 ইসলাম শিশু বয়স থেকেই সীমা শেখায়।

    এটা কিসের প্রতীক? 👉 এটা ভবিষ্যতের ভয়ংকর সংকেত: সামনে গিয়ে জিনা সহজ হবে হারামকে আর হারাম মনে হবে না বিবেক অসাড় হয়ে যাবে

    এটাই কুরআনের ভাষায়— > “তারা হারামকে হালাল মনে করবে।”

    তাহলে পরিত্রাণ কী? (বাস্তব ও কার্যকর সমাধান)

    ✅ পরিবার থেকেই শুরু ৫–৬ বছর থেকেই লজ্জা শরীরের সীমা কার সামনে কিভাবে চলবে —এগুলো শেখাতে হবে

    📌 নবী ﷺ শিশুদের আদব শিখিয়েছেন আগে, শুধু নামাজ নয়।
    ✅ মোবাইল নিয়ন্ত্রণ একা মোবাইল নয় ইউটিউব কিডসেও নজর রিলস/শর্টস বন্ধ

    ✅ ছেলে-মেয়ের আলাদা খেলাধুলা রাসূল ﷺ বলেছেন: > “তোমরা ১০ বছর হলে সন্তানদের বিছানা আলাদা করো। 📚 আবু দাউদ: ৪৯৫
    ➡️ তাহলে খেলাধুলায় আলাদা করা আরও আগে দরকার।

    ✅ মসজিদ ও দ্বীনি পরিবেশ মক্তব কুরআন শিক্ষা নেক মানুষের সঙ্গ
    📌 পরিবেশ বদলালে আচরণ বদলায়।

    ✅ সমাজের দায়িত্ব এমন ভিডিও শেয়ার না করা ট্রল/মজা না বানানো অভিভাবককে সতর্ক করা।

    সর্বশেষ কথা হচ্ছে আপনার বাচ্চা ছেলে-মেয়েকে এখন থেকেই দ্বীনি পরিবেশ, মক্তব, কুরআন শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। আল্লাহ্‌ হাফেজ

    সালাহ উদ্দিন কাদের আইয়ুবি
    সমাজের এমন অধঃপতনের কারণ কি? বিশেষ করে এই ছোট ছোট বাচ্চাদের অধঃপতনের মূল কারণ কি? এর প্রতীকের কি হতে পারে এর থেকে পরিত্রাণ কি হতে পারে কি করলে এগুলো থেকে বাচ্চারা মুক্ত থাকবে! কিছুদিন আগে ফেইসবুকে একটা ছবি দেখলাম। একটা বিল্ডিং এর চিপার মধ্যে গিয়ে এই ছোট ছোট বাচ্চা ছেলে মেয়ে দুইটা জড়াজড়ি করে একজন আরেক জনকে ধরে রাখছে! আবার মেয়েটা সামনাসামনি ছেলেটাকে ঘুরে সামনাসামনি জড়িয়ে ধরেছে সমাজ কত নিচে চলে গেছে কল্পনাও করা যায় না! ভাই, আপনার কষ্ট-বেদনা বোঝা যায়। 😔 আমি খুব সতর্ক ও দায়িত্বশীলভাবে কথা বলছি—কারণ বিষয়টা শিশুদের নিয়ে। 👉 আসলে মুলত দোষ শিশুদের নয়। সমাজ এই অধঃপতনে কেন যাচ্ছে? (মূল কারণগুলো) 📌 পরিবারে দ্বীনি তদারকির অভাব বাবা-মা ব্যস্ত সন্তান কার সাথে মিশছে—খেয়াল নেই “ছোট, কিছু বোঝে না”—এই ভুল ধারণা 📌 অথচ কুরআন বলছে: > “তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।” 📖 (সূরা তাহরীম: ৬) 📌 মোবাইল, ইউটিউব, রিলস, নাটক প্রেম-ভালোবাসার দৃশ্য জড়াজড়ি, স্পর্শ—সব নরমালাইজড শিশু নকল করে—বোঝে না 📌 শিশু যা দেখে, তাই শেখে। 📌 পর্দা ও লজ্জার শিক্ষা না থাকা কারণ রাসূল ﷺ বলেছেন: > “লজ্জা ঈমানের অংশ।” 📚 সহীহ বুখারী: ২৪ আজ লজ্জাকে “ব্যাকডেটেড” বলা হচ্ছে। 📌 মিশ্র পরিবেশ (ফ্রি মিক্সিং) ছেলে-মেয়ে একসাথে খেলাধুলা আলাদা করে শেখানো হয় না সীমারেখা বোঝানো হয় না 📌 ইসলাম শিশু বয়স থেকেই সীমা শেখায়। এটা কিসের প্রতীক? 👉 এটা ভবিষ্যতের ভয়ংকর সংকেত: সামনে গিয়ে জিনা সহজ হবে হারামকে আর হারাম মনে হবে না বিবেক অসাড় হয়ে যাবে এটাই কুরআনের ভাষায়— > “তারা হারামকে হালাল মনে করবে।” তাহলে পরিত্রাণ কী? (বাস্তব ও কার্যকর সমাধান) ✅ পরিবার থেকেই শুরু ৫–৬ বছর থেকেই লজ্জা শরীরের সীমা কার সামনে কিভাবে চলবে —এগুলো শেখাতে হবে 📌 নবী ﷺ শিশুদের আদব শিখিয়েছেন আগে, শুধু নামাজ নয়। ✅ মোবাইল নিয়ন্ত্রণ একা মোবাইল নয় ইউটিউব কিডসেও নজর রিলস/শর্টস বন্ধ ✅ ছেলে-মেয়ের আলাদা খেলাধুলা রাসূল ﷺ বলেছেন: > “তোমরা ১০ বছর হলে সন্তানদের বিছানা আলাদা করো। 📚 আবু দাউদ: ৪৯৫ ➡️ তাহলে খেলাধুলায় আলাদা করা আরও আগে দরকার। ✅ মসজিদ ও দ্বীনি পরিবেশ মক্তব কুরআন শিক্ষা নেক মানুষের সঙ্গ 📌 পরিবেশ বদলালে আচরণ বদলায়। ✅ সমাজের দায়িত্ব এমন ভিডিও শেয়ার না করা ট্রল/মজা না বানানো অভিভাবককে সতর্ক করা। সর্বশেষ কথা হচ্ছে আপনার বাচ্চা ছেলে-মেয়েকে এখন থেকেই দ্বীনি পরিবেশ, মক্তব, কুরআন শিক্ষায় শিক্ষিত করুন। আল্লাহ্‌ হাফেজ সালাহ উদ্দিন কাদের আইয়ুবি
    1
    ·689 Visualizações ·0 Anterior
  • ⭕ গায়রত কী?
    সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না।এটাই গায়রত।
    একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভয়ংকর। এখনকার সময়ের পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূর, তারা তাদের স্ত্রীর বেপর্দা ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়! আল্লাহুম্মাগফিরলী..!

    ঘটনা ১
    একদিন এক ব্যাক্তি আলি ইবনু আবি তালিব (রা) কে জিজ্ঞাসা করলেন তার স্ত্রী কেমন আছে?
    তিনি উত্তর দিলেন:
    " যদি তোমার রক্ত হালাল হতো,তাহলে আমি তরবারি দিয়ে তোমার মাথা কেটে ফেলতাম।"
    [ ইবনে কাসীর,আল- বিদায়া ওয়ান- নিহায়া]

    ঘটনা ২
    মক্কার এক মুশরিক তার উটকে জবেহ করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উট টি জবেহ কেন করলেন? আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন।
    তখন লোকটি বললো, এই উটের উপর আমার মহিলারা বসতো, বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে এটা আমার সহ্য হবে না, তাই এই উটই আমি রাখবো না। একজন মুশরিক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত! আর আমাদের ভাই- বোনদের কি দশা? আস্তাগফিরুল্লাহ্

    গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ। রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।

    وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ ﴿۲۰﴾

    আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোকার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়। (সুরা হাদীদ-২০)
    এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে! সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?
    (সূরা ফাজর,আয়াত-২০)

    স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের সাথে হাসি তামাসা আড্ডায় ব্যস্ত থাকে!! বউয়ের চুল দেখা যাবে তাতে কষ্ট পাবে তো দূর, বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের বউকে দেখিয়ে পরে আবার শোনে, মেয়েটা কেমন রে!বন্ধুদের চোখের খোরাক বানিয়ে তারপর সে বিয়ে করে! আর এটাই নাকি এখনকার ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড! আল্লাহুম্মাগফিরলী...

    আর এখনকার পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূরের কথা, অনেকে গায়রত কি সেটাও জানেনা
    হায় আফসোস! এই উম্মাহর কোনো নারী গায়রতহীন পুরুষকে আপন করে নিছে এমন নজির নাই।
    হায় আফসোস!

    এই উম্মার পুরুষরা আজ জানেই না গায়রত কী?
    মহিলারা আজ বোঝে না গায়রতের মর্ম। বরং তারা গায়রতহীন চাকচিক্যময় নিবেদিত পুরুষদেরই খুঁজে ফেরে হর হামেশা গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না। ইয়া রব বুঝার তৌফিক দান করুন সকল মুসলিম ভাই বোনকে।
    আল্লাহুম্মা আমীন...
    ⭕ গায়রত কী? সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না।এটাই গায়রত। একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভয়ংকর। এখনকার সময়ের পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূর, তারা তাদের স্ত্রীর বেপর্দা ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়! আল্লাহুম্মাগফিরলী..! ঘটনা ১ একদিন এক ব্যাক্তি আলি ইবনু আবি তালিব (রা) কে জিজ্ঞাসা করলেন তার স্ত্রী কেমন আছে? তিনি উত্তর দিলেন: " যদি তোমার রক্ত হালাল হতো,তাহলে আমি তরবারি দিয়ে তোমার মাথা কেটে ফেলতাম।" [ ইবনে কাসীর,আল- বিদায়া ওয়ান- নিহায়া] ঘটনা ২ মক্কার এক মুশরিক তার উটকে জবেহ করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উট টি জবেহ কেন করলেন? আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন। তখন লোকটি বললো, এই উটের উপর আমার মহিলারা বসতো, বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে এটা আমার সহ্য হবে না, তাই এই উটই আমি রাখবো না। একজন মুশরিক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত! আর আমাদের ভাই- বোনদের কি দশা? আস্তাগফিরুল্লাহ্ গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ। রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না। وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ ﴿۲۰﴾ আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোকার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়। (সুরা হাদীদ-২০) এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে! সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে? (সূরা ফাজর,আয়াত-২০) স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের সাথে হাসি তামাসা আড্ডায় ব্যস্ত থাকে!! বউয়ের চুল দেখা যাবে তাতে কষ্ট পাবে তো দূর, বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের বউকে দেখিয়ে পরে আবার শোনে, মেয়েটা কেমন রে!বন্ধুদের চোখের খোরাক বানিয়ে তারপর সে বিয়ে করে! আর এটাই নাকি এখনকার ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড! আল্লাহুম্মাগফিরলী... আর এখনকার পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূরের কথা, অনেকে গায়রত কি সেটাও জানেনা হায় আফসোস! এই উম্মাহর কোনো নারী গায়রতহীন পুরুষকে আপন করে নিছে এমন নজির নাই। হায় আফসোস! এই উম্মার পুরুষরা আজ জানেই না গায়রত কী? মহিলারা আজ বোঝে না গায়রতের মর্ম। বরং তারা গায়রতহীন চাকচিক্যময় নিবেদিত পুরুষদেরই খুঁজে ফেরে হর হামেশা গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না। ইয়া রব বুঝার তৌফিক দান করুন সকল মুসলিম ভাই বোনকে। আল্লাহুম্মা আমীন...
    ·695 Visualizações ·0 Anterior
  • সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর (রহ.) বাবা, নাজমুদ্দীন আইয়ুব (রহ.) তখন তিকরিতের শাসনভারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত। বয়স পেরিয়ে গেলেও তাঁর বিবাহের কোনো উদ্যোগ না দেখে তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন শিরকুহ চিন্তিত হয়ে পড়লেন।ভাই আসাদুদ্দীন তাঁকে রাজ্যের প্রভাবশালী পরিবারের মেয়েদের (যেমন মালিক শাহের বা নিযামুল মুলকের কন্যা) বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। কিন্তু নাজমুদ্দীন স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তারা তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রী নন।

    ভাই বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কাঙ্ক্ষিত পাত্রীর বৈশিষ্ট্য কী?"নাজমুদ্দীন আইয়ুবের উত্তর ছিল উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং ইখলাসে ভরা: "আমি চাই একজন সুশীলা স্ত্রী, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দেবে, যে সন্তানকে সে যথাযথ লালন-পালন করে বড় করবে। বড় হয়ে সে ছেলে হবে একজন দুর্দান্ত ঘোড়সওয়ার, সাহসী মুজাহিদ। আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে।"সেই সময় বায়তুল মুকাদ্দাস ছিল জেরুসালেম থেকে বহু দূরে, ক্রুসেডারদের দখলে। কিন্তু নাজমুদ্দীনের মন পড়ে ছিল আল-আকসার পানে।

    তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন হতাশ হয়ে বললেন, "তুমি যেমন কনের আশায় বসে আছো, ইহজীবনে তেমনটা পাবে কিনা আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে!" উত্তরে নাজমুদ্দীন দৃঢ়তার সাথে বললেন, "যে ইখলাসের সাথে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্যে কোনো নিয়ত করে, আল্লাহ তাকে তা দিয়ে দেন।"অপরিচিতের মুখে একই আকাঙ্ক্ষাঘটনার কয়েক দিন পর, নাজমুদ্দীন তিকরিতেরই এক শায়খের মজলিসে বসে আলাপ করছিলেন। এমন সময় এক পর্দানশীন যুবতী এসে শায়খকে সালাম দিলেন। শায়খ সেই যুবতীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন সে তাঁর পাঠানো পাত্রকে ফিরিয়ে দিয়েছে—যে জ্ঞানে, গুণে, পদে বা অর্থে কোনো অংশেই কম ছিল না।

    যুবতী বিনয়ের সাথে উত্তর দিলেন: "শায়খ! এই পাত্রের মধ্যে আমার কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য নেই।"শায়খের প্রশ্নে, যুবতী তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রের যে বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করলেন, তা শুনে নাজমুদ্দীন আইয়ুবের শ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। যুবতী বললেন: "আমি চাই এমন নেককার পাত্র, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। যে আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দিবে... আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে!"দুইজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের মনের কথা এমন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাওয়া দেখে নাজমুদ্দীন বাকহারা হয়ে গেলেন।

    ভাবনার অতল থেকে সম্বিত ফিরে পেয়েই তিনি বলে উঠলেন: "শায়খ! আমি এই পুণ্যবতী মানুষটাকে বিয়ে করতে চাই!"শায়খ প্রথমে ইতস্তত করলেন, কারণ নাজমুদ্দীন ছিলেন তিকরিতের ওয়ালী, আর মেয়েটি ছিল মহল্লার সবচেয়ে গরীব ঘরের সন্তান। কিন্তু নাজমুদ্দীন সব কথা খুলে বললেন। শায়খ সব শুনে অজান্তেই এক আয়াত তিলাওয়াত করলেন:{وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا}
    (অর্থাৎ: 'আর তাঁর (আল্লাহর) অন্যতম একটা নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের জন্যে, তোমাদের থেকেই স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করেছেন। যেন তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারো।'—সূরা রূম: ২১)দুইজন মহৎপ্রাণ যুবক-যুবতীর বিবাহ সম্পন্ন হলো। তাঁদের আন্তরিক ইখলাস ও দৃঢ় নিয়তের বরকতেই আল্লাহ তাঁদের দান করলেন এক অনন্য উপহার—ইতিহাসের সেই মহানায়ক, সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবী (রহ.)
    সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর (রহ.) বাবা, নাজমুদ্দীন আইয়ুব (রহ.) তখন তিকরিতের শাসনভারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত। বয়স পেরিয়ে গেলেও তাঁর বিবাহের কোনো উদ্যোগ না দেখে তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন শিরকুহ চিন্তিত হয়ে পড়লেন।ভাই আসাদুদ্দীন তাঁকে রাজ্যের প্রভাবশালী পরিবারের মেয়েদের (যেমন মালিক শাহের বা নিযামুল মুলকের কন্যা) বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। কিন্তু নাজমুদ্দীন স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তারা তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রী নন। ভাই বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কাঙ্ক্ষিত পাত্রীর বৈশিষ্ট্য কী?"নাজমুদ্দীন আইয়ুবের উত্তর ছিল উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং ইখলাসে ভরা: "আমি চাই একজন সুশীলা স্ত্রী, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দেবে, যে সন্তানকে সে যথাযথ লালন-পালন করে বড় করবে। বড় হয়ে সে ছেলে হবে একজন দুর্দান্ত ঘোড়সওয়ার, সাহসী মুজাহিদ। আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে।"সেই সময় বায়তুল মুকাদ্দাস ছিল জেরুসালেম থেকে বহু দূরে, ক্রুসেডারদের দখলে। কিন্তু নাজমুদ্দীনের মন পড়ে ছিল আল-আকসার পানে। তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন হতাশ হয়ে বললেন, "তুমি যেমন কনের আশায় বসে আছো, ইহজীবনে তেমনটা পাবে কিনা আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে!" উত্তরে নাজমুদ্দীন দৃঢ়তার সাথে বললেন, "যে ইখলাসের সাথে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্যে কোনো নিয়ত করে, আল্লাহ তাকে তা দিয়ে দেন।"অপরিচিতের মুখে একই আকাঙ্ক্ষাঘটনার কয়েক দিন পর, নাজমুদ্দীন তিকরিতেরই এক শায়খের মজলিসে বসে আলাপ করছিলেন। এমন সময় এক পর্দানশীন যুবতী এসে শায়খকে সালাম দিলেন। শায়খ সেই যুবতীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন সে তাঁর পাঠানো পাত্রকে ফিরিয়ে দিয়েছে—যে জ্ঞানে, গুণে, পদে বা অর্থে কোনো অংশেই কম ছিল না। যুবতী বিনয়ের সাথে উত্তর দিলেন: "শায়খ! এই পাত্রের মধ্যে আমার কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য নেই।"শায়খের প্রশ্নে, যুবতী তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রের যে বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করলেন, তা শুনে নাজমুদ্দীন আইয়ুবের শ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। যুবতী বললেন: "আমি চাই এমন নেককার পাত্র, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। যে আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দিবে... আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে!"দুইজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের মনের কথা এমন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাওয়া দেখে নাজমুদ্দীন বাকহারা হয়ে গেলেন। ভাবনার অতল থেকে সম্বিত ফিরে পেয়েই তিনি বলে উঠলেন: "শায়খ! আমি এই পুণ্যবতী মানুষটাকে বিয়ে করতে চাই!"শায়খ প্রথমে ইতস্তত করলেন, কারণ নাজমুদ্দীন ছিলেন তিকরিতের ওয়ালী, আর মেয়েটি ছিল মহল্লার সবচেয়ে গরীব ঘরের সন্তান। কিন্তু নাজমুদ্দীন সব কথা খুলে বললেন। শায়খ সব শুনে অজান্তেই এক আয়াত তিলাওয়াত করলেন:{وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا} (অর্থাৎ: 'আর তাঁর (আল্লাহর) অন্যতম একটা নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের জন্যে, তোমাদের থেকেই স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করেছেন। যেন তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারো।'—সূরা রূম: ২১)দুইজন মহৎপ্রাণ যুবক-যুবতীর বিবাহ সম্পন্ন হলো। তাঁদের আন্তরিক ইখলাস ও দৃঢ় নিয়তের বরকতেই আল্লাহ তাঁদের দান করলেন এক অনন্য উপহার—ইতিহাসের সেই মহানায়ক, সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবী (রহ.)
    ·683 Visualizações ·0 Anterior
  • বাংলাদেশে হাই রেঞ্জের প-তি-তা ভার্সিটির মেয়েরা...
    আমার আবার নারীর প্রতি ঘৃণা বা বিরাগ মনোভাব, নাই, মা/বোন সবাই -ই আছে...তারপরও লিখলাম...
    অর্থাৎ বাংলাদেশের এলিট শ্রেণীতে সবচেয়ে চড়া মূল্যে বাসায় আনতে হয় ভার্সিটির সুন্দরী মেয়েদের।
    বিশেষ করে ভার্সিটির শিক্ষক,ব্যাংকার,ব্যবসায়ী,নেতা ইত্যাদি ধরণের ক্যাটাগরির মানুষের প্রথম পছন্দ ভার্সিটির মেয়ে।

    একেকজন এর রেট ১০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা হতে পারে৷। বিশেষ করে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মেয়েদের চাহিদা বেশি।

    আমি যখন ভার্সিটিতে পড়ি। তখন আমাদের ভার্সিটির একটা লোকেশনে এসব কার্যকলাপ ছিলো।
    ভার্সিটির মেয়েরা এসব করে এগুলা অনেকে বিশ্বাস ই করবে না। কিন্তু আপনারা জানলে অবাক হবেন যে অভিজাত শ্রেনীর মানুষরা এখন ভার্সিটির মেয়ে ছাড়া ভোগ করে না। আর সাধারণ আবাসিক হোটেল ত লেবার,ড্রাইভার, দিনমজুরদের।

    একটা ভার্সিটির মেয়ে যদি মাসে ৩/৪ লাখ টাকা আর্ন করে। সে কিভাবে টাকার লোভ সামলাবে। চট্টগ্রামে হালিশহরে একটা পতি-তালয়ের সন্ধান পেয়েছি। যা ভার্সিটির মেয়েদের দ্বারা পরিচালিত। আর তাদের সেবা গুলো ভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। যেমন নির্দিষ্ট পতি'তা কে ২/৪ দিনের জন্য কন্টাক্ট করে কক্সবাজার বা নিজেদের বাসায় নিয়ে যায়। বেশিরভাগ কক্সবাজারে নিয়ে যায় সবাই। কক্সবাজারে ট্রেন সেবা চালু হয়েছে। এটার একটা হিডেন ম্যাসেজ আছে।

    এই দেশটা কে সমূলে ধ্বংস করতে কক্সবাজারের বিকল্প নাই। ট্যুরিস্ট স্পট গুলো সহজলভ্য করা মানে। আর্থিক ব্যানিফেশিয়াল এর পাশাপাশি অবাধ যৌনতা দিয়ে দেশ কে ডুবিয়ে দেওয়া। কক্সবাজারে অধিকাংশ যায় এসব হোটেলে প্রাইভেট এনজয় করার জন্য৷ আর ঢাকার কথা কি বলব। ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো অবস্থা ভয়াবহ।

    ঢাকা এখন স্মার্ট পতি-তা নগর.... 🥵
    —সংগ্রহ পোস্ট
    বাংলাদেশে হাই রেঞ্জের প-তি-তা ভার্সিটির মেয়েরা... আমার আবার নারীর প্রতি ঘৃণা বা বিরাগ মনোভাব, নাই, মা/বোন সবাই -ই আছে...তারপরও লিখলাম... অর্থাৎ বাংলাদেশের এলিট শ্রেণীতে সবচেয়ে চড়া মূল্যে বাসায় আনতে হয় ভার্সিটির সুন্দরী মেয়েদের। বিশেষ করে ভার্সিটির শিক্ষক,ব্যাংকার,ব্যবসায়ী,নেতা ইত্যাদি ধরণের ক্যাটাগরির মানুষের প্রথম পছন্দ ভার্সিটির মেয়ে। একেকজন এর রেট ১০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা হতে পারে৷। বিশেষ করে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মেয়েদের চাহিদা বেশি। আমি যখন ভার্সিটিতে পড়ি। তখন আমাদের ভার্সিটির একটা লোকেশনে এসব কার্যকলাপ ছিলো। ভার্সিটির মেয়েরা এসব করে এগুলা অনেকে বিশ্বাস ই করবে না। কিন্তু আপনারা জানলে অবাক হবেন যে অভিজাত শ্রেনীর মানুষরা এখন ভার্সিটির মেয়ে ছাড়া ভোগ করে না। আর সাধারণ আবাসিক হোটেল ত লেবার,ড্রাইভার, দিনমজুরদের। একটা ভার্সিটির মেয়ে যদি মাসে ৩/৪ লাখ টাকা আর্ন করে। সে কিভাবে টাকার লোভ সামলাবে। চট্টগ্রামে হালিশহরে একটা পতি-তালয়ের সন্ধান পেয়েছি। যা ভার্সিটির মেয়েদের দ্বারা পরিচালিত। আর তাদের সেবা গুলো ভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। যেমন নির্দিষ্ট পতি'তা কে ২/৪ দিনের জন্য কন্টাক্ট করে কক্সবাজার বা নিজেদের বাসায় নিয়ে যায়। বেশিরভাগ কক্সবাজারে নিয়ে যায় সবাই। কক্সবাজারে ট্রেন সেবা চালু হয়েছে। এটার একটা হিডেন ম্যাসেজ আছে। এই দেশটা কে সমূলে ধ্বংস করতে কক্সবাজারের বিকল্প নাই। ট্যুরিস্ট স্পট গুলো সহজলভ্য করা মানে। আর্থিক ব্যানিফেশিয়াল এর পাশাপাশি অবাধ যৌনতা দিয়ে দেশ কে ডুবিয়ে দেওয়া। কক্সবাজারে অধিকাংশ যায় এসব হোটেলে প্রাইভেট এনজয় করার জন্য৷ আর ঢাকার কথা কি বলব। ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো অবস্থা ভয়াবহ। ঢাকা এখন স্মার্ট পতি-তা নগর.... 🥵 —সংগ্রহ পোস্ট
    ·776 Visualizações ·0 Anterior
  • ডক্টর প্রফিট বলেছেন যে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ক্রিপ্টোতে তরল থাকার নিশ্চয়তা দেয় না এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে বিয়ার পর্যায় দীর্ঘ সময়ের জন্য অব্যাহত থাকবে। তিনি তার বৃহত্তম পজিশনগুলিও প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে $১১৫,০০০-$১২৫,০০০ রেঞ্জ থেকে একটি BTC শর্ট এবং ৮৫,০০০-এর কাছাকাছি ক্রয়কৃত একটি মাঝারি আকারের BTC হোল্ডিং। ফেব্রুয়ারি-মার্চে পরবর্তী নিম্নমুখী পর্যায়ের আগে তিনি $১০৭,০০০-এর দিকে সম্ভাব্য স্বল্পমেয়াদী উত্থানে যাত্রা করার ইচ্ছা করছেন।

    বর্তমানে, বিটকয়েন দৈনিক ২% লাভের পরে $৮৯,২৫৯-এ লেনদেন হচ্ছে। যদিও সম্পদটি কিছু স্বল্পমেয়াদী ঊর্ধ্বমুখী আন্দোলন দেখিয়েছে, এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ স্তরের নীচে ঘোরাফেরা অব্যাহত রেখেছে। ক্রিপ্টোকোয়ান্ট অনুসারে, $১০০,০০০ হল BTC-এর জন্য একটি প্রধান স্বল্পমেয়াদী প্রতিরোধ, মূলত সাম্প্রতিক হোয়েল বিনিয়োগকারী এবং বাইন্যান্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে খরচ ভিত্তির ঘনত্বের কারণে।

    নতুন হোয়েলরা, যারা ১৫৫ দিনেরও কম সময় ধরে বিটকয়েন রেখেছে, তাদের গড় খরচ ভিত্তি প্রায় $১০০,৫০০। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক-ইভেন জোন তৈরি করে যেখানে লাভ গ্রহণ বা নতুন সংগ্রহ নিকট-মেয়াদী মূল্য প্রবণতা নির্ধারণ করতে পারে। অন্যদিকে, বাইন্যান্স স্পট ব্যবহারকারীরা গড়ে প্রায় $৫৬,০০০, যা একটি সম্ভাব্য বর্ধিত বিয়ার পর্যায়ে একটি উল্লেখযোগ্য সমর্থন স্তর প্রদান করে।

    দীর্ঘমেয়াদী হোয়েল যাদের ১৫৫ দিনের বেশি হোল্ডিং রয়েছে তাদের গড় খরচ ভিত্তি প্রায় $৪০,০০০, যার মানে তারা উল্লেখযোগ্যভাবে লাভজনক রয়েছে এবং সম্ভবত সাম্প্রতিক লাভ গ্রহণের কার্যকলাপে অবদান রাখছে।
    ডক্টর প্রফিট বলেছেন যে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ক্রিপ্টোতে তরল থাকার নিশ্চয়তা দেয় না এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে বিয়ার পর্যায় দীর্ঘ সময়ের জন্য অব্যাহত থাকবে। তিনি তার বৃহত্তম পজিশনগুলিও প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে $১১৫,০০০-$১২৫,০০০ রেঞ্জ থেকে একটি BTC শর্ট এবং ৮৫,০০০-এর কাছাকাছি ক্রয়কৃত একটি মাঝারি আকারের BTC হোল্ডিং। ফেব্রুয়ারি-মার্চে পরবর্তী নিম্নমুখী পর্যায়ের আগে তিনি $১০৭,০০০-এর দিকে সম্ভাব্য স্বল্পমেয়াদী উত্থানে যাত্রা করার ইচ্ছা করছেন। বর্তমানে, বিটকয়েন দৈনিক ২% লাভের পরে $৮৯,২৫৯-এ লেনদেন হচ্ছে। যদিও সম্পদটি কিছু স্বল্পমেয়াদী ঊর্ধ্বমুখী আন্দোলন দেখিয়েছে, এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ স্তরের নীচে ঘোরাফেরা অব্যাহত রেখেছে। ক্রিপ্টোকোয়ান্ট অনুসারে, $১০০,০০০ হল BTC-এর জন্য একটি প্রধান স্বল্পমেয়াদী প্রতিরোধ, মূলত সাম্প্রতিক হোয়েল বিনিয়োগকারী এবং বাইন্যান্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে খরচ ভিত্তির ঘনত্বের কারণে। নতুন হোয়েলরা, যারা ১৫৫ দিনেরও কম সময় ধরে বিটকয়েন রেখেছে, তাদের গড় খরচ ভিত্তি প্রায় $১০০,৫০০। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক-ইভেন জোন তৈরি করে যেখানে লাভ গ্রহণ বা নতুন সংগ্রহ নিকট-মেয়াদী মূল্য প্রবণতা নির্ধারণ করতে পারে। অন্যদিকে, বাইন্যান্স স্পট ব্যবহারকারীরা গড়ে প্রায় $৫৬,০০০, যা একটি সম্ভাব্য বর্ধিত বিয়ার পর্যায়ে একটি উল্লেখযোগ্য সমর্থন স্তর প্রদান করে। দীর্ঘমেয়াদী হোয়েল যাদের ১৫৫ দিনের বেশি হোল্ডিং রয়েছে তাদের গড় খরচ ভিত্তি প্রায় $৪০,০০০, যার মানে তারা উল্লেখযোগ্যভাবে লাভজনক রয়েছে এবং সম্ভবত সাম্প্রতিক লাভ গ্রহণের কার্যকলাপে অবদান রাখছে।
    ·808 Visualizações ·0 Anterior
Páginas Impulsionadas