Upgrade to Pro

  • ডক্টর প্রফিট বলেছেন যে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ক্রিপ্টোতে তরল থাকার নিশ্চয়তা দেয় না এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে বিয়ার পর্যায় দীর্ঘ সময়ের জন্য অব্যাহত থাকবে। তিনি তার বৃহত্তম পজিশনগুলিও প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে $১১৫,০০০-$১২৫,০০০ রেঞ্জ থেকে একটি BTC শর্ট এবং ৮৫,০০০-এর কাছাকাছি ক্রয়কৃত একটি মাঝারি আকারের BTC হোল্ডিং। ফেব্রুয়ারি-মার্চে পরবর্তী নিম্নমুখী পর্যায়ের আগে তিনি $১০৭,০০০-এর দিকে সম্ভাব্য স্বল্পমেয়াদী উত্থানে যাত্রা করার ইচ্ছা করছেন।

    বর্তমানে, বিটকয়েন দৈনিক ২% লাভের পরে $৮৯,২৫৯-এ লেনদেন হচ্ছে। যদিও সম্পদটি কিছু স্বল্পমেয়াদী ঊর্ধ্বমুখী আন্দোলন দেখিয়েছে, এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ স্তরের নীচে ঘোরাফেরা অব্যাহত রেখেছে। ক্রিপ্টোকোয়ান্ট অনুসারে, $১০০,০০০ হল BTC-এর জন্য একটি প্রধান স্বল্পমেয়াদী প্রতিরোধ, মূলত সাম্প্রতিক হোয়েল বিনিয়োগকারী এবং বাইন্যান্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে খরচ ভিত্তির ঘনত্বের কারণে।

    নতুন হোয়েলরা, যারা ১৫৫ দিনেরও কম সময় ধরে বিটকয়েন রেখেছে, তাদের গড় খরচ ভিত্তি প্রায় $১০০,৫০০। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক-ইভেন জোন তৈরি করে যেখানে লাভ গ্রহণ বা নতুন সংগ্রহ নিকট-মেয়াদী মূল্য প্রবণতা নির্ধারণ করতে পারে। অন্যদিকে, বাইন্যান্স স্পট ব্যবহারকারীরা গড়ে প্রায় $৫৬,০০০, যা একটি সম্ভাব্য বর্ধিত বিয়ার পর্যায়ে একটি উল্লেখযোগ্য সমর্থন স্তর প্রদান করে।

    দীর্ঘমেয়াদী হোয়েল যাদের ১৫৫ দিনের বেশি হোল্ডিং রয়েছে তাদের গড় খরচ ভিত্তি প্রায় $৪০,০০০, যার মানে তারা উল্লেখযোগ্যভাবে লাভজনক রয়েছে এবং সম্ভবত সাম্প্রতিক লাভ গ্রহণের কার্যকলাপে অবদান রাখছে।
    ডক্টর প্রফিট বলেছেন যে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ক্রিপ্টোতে তরল থাকার নিশ্চয়তা দেয় না এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে বিয়ার পর্যায় দীর্ঘ সময়ের জন্য অব্যাহত থাকবে। তিনি তার বৃহত্তম পজিশনগুলিও প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে $১১৫,০০০-$১২৫,০০০ রেঞ্জ থেকে একটি BTC শর্ট এবং ৮৫,০০০-এর কাছাকাছি ক্রয়কৃত একটি মাঝারি আকারের BTC হোল্ডিং। ফেব্রুয়ারি-মার্চে পরবর্তী নিম্নমুখী পর্যায়ের আগে তিনি $১০৭,০০০-এর দিকে সম্ভাব্য স্বল্পমেয়াদী উত্থানে যাত্রা করার ইচ্ছা করছেন। বর্তমানে, বিটকয়েন দৈনিক ২% লাভের পরে $৮৯,২৫৯-এ লেনদেন হচ্ছে। যদিও সম্পদটি কিছু স্বল্পমেয়াদী ঊর্ধ্বমুখী আন্দোলন দেখিয়েছে, এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ স্তরের নীচে ঘোরাফেরা অব্যাহত রেখেছে। ক্রিপ্টোকোয়ান্ট অনুসারে, $১০০,০০০ হল BTC-এর জন্য একটি প্রধান স্বল্পমেয়াদী প্রতিরোধ, মূলত সাম্প্রতিক হোয়েল বিনিয়োগকারী এবং বাইন্যান্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে খরচ ভিত্তির ঘনত্বের কারণে। নতুন হোয়েলরা, যারা ১৫৫ দিনেরও কম সময় ধরে বিটকয়েন রেখেছে, তাদের গড় খরচ ভিত্তি প্রায় $১০০,৫০০। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক-ইভেন জোন তৈরি করে যেখানে লাভ গ্রহণ বা নতুন সংগ্রহ নিকট-মেয়াদী মূল্য প্রবণতা নির্ধারণ করতে পারে। অন্যদিকে, বাইন্যান্স স্পট ব্যবহারকারীরা গড়ে প্রায় $৫৬,০০০, যা একটি সম্ভাব্য বর্ধিত বিয়ার পর্যায়ে একটি উল্লেখযোগ্য সমর্থন স্তর প্রদান করে। দীর্ঘমেয়াদী হোয়েল যাদের ১৫৫ দিনের বেশি হোল্ডিং রয়েছে তাদের গড় খরচ ভিত্তি প্রায় $৪০,০০০, যার মানে তারা উল্লেখযোগ্যভাবে লাভজনক রয়েছে এবং সম্ভবত সাম্প্রতিক লাভ গ্রহণের কার্যকলাপে অবদান রাখছে।
    ·821 Views ·0 önizleme
  • BTC ২০২৬ সালের শেষ দিকে $40K HIT করবে বা পতনের ঝুঁকি আছে ৯৫%
    BTC ২০২৬ সালের শেষ দিকে $40K HIT করবে বা পতনের ঝুঁকি আছে ৯৫%
    1
    ·369 Views ·0 önizleme
  • Pump.fun Token or Coin এ কারো ইনভেস্ট আছে? মার্কেটে Pump.fun ভালোই চমক দেখাচ্ছে!
    Pump.fun Token or Coin এ কারো ইনভেস্ট আছে? মার্কেটে Pump.fun ভালোই চমক দেখাচ্ছে!
    ·404 Views ·0 önizleme
  • আজকের ক্রিপ্টো মার্কেট কন্ডিশন 🤑
    আজকের ক্রিপ্টো মার্কেট কন্ডিশন 🤑
    1
    ·644 Views ·0 önizleme
  • Meme Coin, NFT Token, Red Pocket থেকে দুরে থাকেন।
    Meme Coin, NFT Token, Red Pocket থেকে দুরে থাকেন।
    ·575 Views ·0 önizleme
  • বাংলাদেশে হাই রেঞ্জের প-তি-তা ভার্সিটির মেয়েরা...
    আমার আবার নারীর প্রতি ঘৃণা বা বিরাগ মনোভাব, নাই, মা/বোন সবাই -ই আছে...তারপরও লিখলাম...
    অর্থাৎ বাংলাদেশের এলিট শ্রেণীতে সবচেয়ে চড়া মূল্যে বাসায় আনতে হয় ভার্সিটির সুন্দরী মেয়েদের।
    বিশেষ করে ভার্সিটির শিক্ষক,ব্যাংকার,ব্যবসায়ী,নেতা ইত্যাদি ধরণের ক্যাটাগরির মানুষের প্রথম পছন্দ ভার্সিটির মেয়ে।

    একেকজন এর রেট ১০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা হতে পারে৷। বিশেষ করে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মেয়েদের চাহিদা বেশি।

    আমি যখন ভার্সিটিতে পড়ি। তখন আমাদের ভার্সিটির একটা লোকেশনে এসব কার্যকলাপ ছিলো।
    ভার্সিটির মেয়েরা এসব করে এগুলা অনেকে বিশ্বাস ই করবে না। কিন্তু আপনারা জানলে অবাক হবেন যে অভিজাত শ্রেনীর মানুষরা এখন ভার্সিটির মেয়ে ছাড়া ভোগ করে না। আর সাধারণ আবাসিক হোটেল ত লেবার,ড্রাইভার, দিনমজুরদের।

    একটা ভার্সিটির মেয়ে যদি মাসে ৩/৪ লাখ টাকা আর্ন করে। সে কিভাবে টাকার লোভ সামলাবে। চট্টগ্রামে হালিশহরে একটা পতি-তালয়ের সন্ধান পেয়েছি। যা ভার্সিটির মেয়েদের দ্বারা পরিচালিত। আর তাদের সেবা গুলো ভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। যেমন নির্দিষ্ট পতি'তা কে ২/৪ দিনের জন্য কন্টাক্ট করে কক্সবাজার বা নিজেদের বাসায় নিয়ে যায়। বেশিরভাগ কক্সবাজারে নিয়ে যায় সবাই। কক্সবাজারে ট্রেন সেবা চালু হয়েছে। এটার একটা হিডেন ম্যাসেজ আছে।

    এই দেশটা কে সমূলে ধ্বংস করতে কক্সবাজারের বিকল্প নাই। ট্যুরিস্ট স্পট গুলো সহজলভ্য করা মানে। আর্থিক ব্যানিফেশিয়াল এর পাশাপাশি অবাধ যৌনতা দিয়ে দেশ কে ডুবিয়ে দেওয়া। কক্সবাজারে অধিকাংশ যায় এসব হোটেলে প্রাইভেট এনজয় করার জন্য৷ আর ঢাকার কথা কি বলব। ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো অবস্থা ভয়াবহ।

    ঢাকা এখন স্মার্ট পতি-তা নগর.... 🥵
    —সংগ্রহ পোস্ট
    বাংলাদেশে হাই রেঞ্জের প-তি-তা ভার্সিটির মেয়েরা... আমার আবার নারীর প্রতি ঘৃণা বা বিরাগ মনোভাব, নাই, মা/বোন সবাই -ই আছে...তারপরও লিখলাম... অর্থাৎ বাংলাদেশের এলিট শ্রেণীতে সবচেয়ে চড়া মূল্যে বাসায় আনতে হয় ভার্সিটির সুন্দরী মেয়েদের। বিশেষ করে ভার্সিটির শিক্ষক,ব্যাংকার,ব্যবসায়ী,নেতা ইত্যাদি ধরণের ক্যাটাগরির মানুষের প্রথম পছন্দ ভার্সিটির মেয়ে। একেকজন এর রেট ১০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা হতে পারে৷। বিশেষ করে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মেয়েদের চাহিদা বেশি। আমি যখন ভার্সিটিতে পড়ি। তখন আমাদের ভার্সিটির একটা লোকেশনে এসব কার্যকলাপ ছিলো। ভার্সিটির মেয়েরা এসব করে এগুলা অনেকে বিশ্বাস ই করবে না। কিন্তু আপনারা জানলে অবাক হবেন যে অভিজাত শ্রেনীর মানুষরা এখন ভার্সিটির মেয়ে ছাড়া ভোগ করে না। আর সাধারণ আবাসিক হোটেল ত লেবার,ড্রাইভার, দিনমজুরদের। একটা ভার্সিটির মেয়ে যদি মাসে ৩/৪ লাখ টাকা আর্ন করে। সে কিভাবে টাকার লোভ সামলাবে। চট্টগ্রামে হালিশহরে একটা পতি-তালয়ের সন্ধান পেয়েছি। যা ভার্সিটির মেয়েদের দ্বারা পরিচালিত। আর তাদের সেবা গুলো ভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। যেমন নির্দিষ্ট পতি'তা কে ২/৪ দিনের জন্য কন্টাক্ট করে কক্সবাজার বা নিজেদের বাসায় নিয়ে যায়। বেশিরভাগ কক্সবাজারে নিয়ে যায় সবাই। কক্সবাজারে ট্রেন সেবা চালু হয়েছে। এটার একটা হিডেন ম্যাসেজ আছে। এই দেশটা কে সমূলে ধ্বংস করতে কক্সবাজারের বিকল্প নাই। ট্যুরিস্ট স্পট গুলো সহজলভ্য করা মানে। আর্থিক ব্যানিফেশিয়াল এর পাশাপাশি অবাধ যৌনতা দিয়ে দেশ কে ডুবিয়ে দেওয়া। কক্সবাজারে অধিকাংশ যায় এসব হোটেলে প্রাইভেট এনজয় করার জন্য৷ আর ঢাকার কথা কি বলব। ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো অবস্থা ভয়াবহ। ঢাকা এখন স্মার্ট পতি-তা নগর.... 🥵 —সংগ্রহ পোস্ট
    ·785 Views ·0 önizleme
  • নুনু মিয়া নামের এক লোক উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দাড়াইছে। পরদিন স্থানীয় পত্রিকার শিরোনাম!
    "নুনু খাড়াইছে!"
    খবর দেখে নুনু মিয়ার মেজাজ গরম হইছে। তিনি পত্রিকা অফিসে ফোন করে রাগী গলায় বকা ঝকা করলেন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এসেছে
    "নুনু গরম হইছে!"
    --
    নুনু মিয়া ভোটে দাঁড়াইছে এই খবর এলাকার বড় এক বয়স্ক নেতা জানেন না। মূলত তিনি একই দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও রানিং ভাইস চেয়ারম্যান। সাংবাদিকরা ওনার কাছে গিয়ে অনুভূতি জানতে গেলে উনি বলেন "নুনু আবার কবে খাড়াইল? আমিতো টেরই পেলাম না।"
    --
    এদিকে সেই উপজেলার নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে দাড়িয়েছেন এক মহিলা। তিনি নুনু মিয়ার ঘোর বিরোধী। তিনি নারীদের নিয়ে নুনু মিয়ার বিরুদ্ধে মিছিল করলেন। নারীরা পত্রিকায় সাক্ষাতকার দিল। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এসেছে!
    "এলাকার নারীদের খুশী করতে পারেনি নুনু!"
    --
    "খবর দেখে এবার পত্রিকাওয়ালার বিরুদ্ধে সেই মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ক্ষেপে গেছেন। তিনি ও নুনু মিয়া একই দলের লোক। ওনাকে কেন্দ্র থেকে বকা দিয়েছে। বকা খেয়ে তিনি পত্রিকায় ফোন করে বলেন " এই সামান্য বিষয় নিয়েও আপনারা শিরোনাম করেন!" ওনার সাথে আমার কোন ব্যাক্তিগত ঝামেলা নেই। আপনারা আগামীকাল সঠিক খবর প্রকাশ করুন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো!
    "মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুনুতে সন্তুষ্ট!"
    --
    বিষয়টা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের গোচরে আসল। তারা ভাবলেন গ্রুপিং করার চেয়ে সেখানে একজন মোটিভেশনাল স্পিকার পাঠানো দরকার যিনি সবাইকে বোঝাবেন। কেন্দ্র থেকে 'সোনাইমাল' নামের এক মোটিভেশনাল স্পিকারকে পাঠানো হল। যাকে আবার আদর করে লোকজন 'মাল' ডাকেন। সোনাইমাল সাহেব নুনু সাহেবকে চিনতেন না। তিনি মোটিভেশান দেয়ার জন্য ঐ উপজেলার এক হুডেলে গেলেন। এদিকে নুনু সাহেবও ঐ হুডেলে ঢুকলেন। নুনু মিয়াকে দেখেই সোনাইমালের মেজাজ গরম হয়ে গেল। এই নুনু মিয়া একদিন তার এক পোস্টে কমেন্ট করছিল "এত চিকনা পাছা দিয়া হাগেন কেমনে?" সেই থেকে সোনাইমাল সাহেব এই লোককে খুজছে। কিন্তু নুনু সাহেব সরকারি দলের লোক৷ তাকে ক্ষেপালে ঝামেলা আছে। তিনি রাগ করে হুডেল থেকে বেরিয়ে গেলেন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো!
    "নুনু ঢোকার সাথে সাথেই মাল আউট"
    --
    এইবার নুনু মিয়া পড়লেন টেংশনে। কেন্দ্র থেকে পাঠানো মোটিভেশনাল স্পিকার ফেরত গেছে। কেন্দ্রের লোকজন ক্ষেপলে নমিনেশন পাবে না। নমিনেশন প্রত্যাশী দলের আরেক প্রার্থী সোনা মিয়া উচ্চ মহলে তদবির করছেন। শোনা গেছে উনি এজন্য বেশ টাকা পয়সা খরচ করছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রের এক নেতা ফোন করে বললেন "নমিনেশন তোমার ইয়ে দিয়ে ভরে দিব"। দুঃখে নুনু মিয়া কয়েকদিন প্রচারণা বন্ধ রাখলেন। শুধু শুধু টাকা নস্ট করার মানে হয় না।
    একদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো
    "মাল আউটের পরে নিস্তেজ নুনু"
    ---
    এদিকে নুনুর পক্ষে আসলেন আরেক বড় নেতা। সবাই তাকে 'মাল' বলে ডাকেন। ওনার নামও মাল। নুনু মিয়া এবার উজ্জীবিত হলেন। তিনি আবারও প্রচারণা শুরু করলেন।
    পত্রিকার শিরোনাম এলো!
    'মালে পরিপূর্ণ নুনু সতেজ হয়ে গেছে!"
    --
    কিন্তু নুনু মিয়ার টেংশন এখনো দূর হয় নাই। কারণ তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সোনা মিয়া। পত্রিকায় প্রায়ই খবর আসে!
    "
    অবশেষে নুনু মিয়া সফল হলেন। মাল সাহেবের প্রচেস্টায় তিনি নমিনেশন পেলেন। জেলা পর্যায়ের নেতারা যারা এতদিন সোনা মিয়াকে গুরুত্ব দিত তারা এখন সবাই নুনুর পক্ষে। পত্রিকায় শিরোনাম এলো!
    "নুনু এখন আগের চেয়ে শক্তিশালী। সবাই নুনুতে তেল মাখাচ্ছে... 🤣
    @highlight
    নুনু মিয়া নামের এক লোক উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দাড়াইছে। পরদিন স্থানীয় পত্রিকার শিরোনাম! "নুনু খাড়াইছে!" খবর দেখে নুনু মিয়ার মেজাজ গরম হইছে। তিনি পত্রিকা অফিসে ফোন করে রাগী গলায় বকা ঝকা করলেন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এসেছে "নুনু গরম হইছে!" -- নুনু মিয়া ভোটে দাঁড়াইছে এই খবর এলাকার বড় এক বয়স্ক নেতা জানেন না। মূলত তিনি একই দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও রানিং ভাইস চেয়ারম্যান। সাংবাদিকরা ওনার কাছে গিয়ে অনুভূতি জানতে গেলে উনি বলেন "নুনু আবার কবে খাড়াইল? আমিতো টেরই পেলাম না।" -- এদিকে সেই উপজেলার নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে দাড়িয়েছেন এক মহিলা। তিনি নুনু মিয়ার ঘোর বিরোধী। তিনি নারীদের নিয়ে নুনু মিয়ার বিরুদ্ধে মিছিল করলেন। নারীরা পত্রিকায় সাক্ষাতকার দিল। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এসেছে! "এলাকার নারীদের খুশী করতে পারেনি নুনু!" -- "খবর দেখে এবার পত্রিকাওয়ালার বিরুদ্ধে সেই মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ক্ষেপে গেছেন। তিনি ও নুনু মিয়া একই দলের লোক। ওনাকে কেন্দ্র থেকে বকা দিয়েছে। বকা খেয়ে তিনি পত্রিকায় ফোন করে বলেন " এই সামান্য বিষয় নিয়েও আপনারা শিরোনাম করেন!" ওনার সাথে আমার কোন ব্যাক্তিগত ঝামেলা নেই। আপনারা আগামীকাল সঠিক খবর প্রকাশ করুন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো! "মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুনুতে সন্তুষ্ট!" -- বিষয়টা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের গোচরে আসল। তারা ভাবলেন গ্রুপিং করার চেয়ে সেখানে একজন মোটিভেশনাল স্পিকার পাঠানো দরকার যিনি সবাইকে বোঝাবেন। কেন্দ্র থেকে 'সোনাইমাল' নামের এক মোটিভেশনাল স্পিকারকে পাঠানো হল। যাকে আবার আদর করে লোকজন 'মাল' ডাকেন। সোনাইমাল সাহেব নুনু সাহেবকে চিনতেন না। তিনি মোটিভেশান দেয়ার জন্য ঐ উপজেলার এক হুডেলে গেলেন। এদিকে নুনু সাহেবও ঐ হুডেলে ঢুকলেন। নুনু মিয়াকে দেখেই সোনাইমালের মেজাজ গরম হয়ে গেল। এই নুনু মিয়া একদিন তার এক পোস্টে কমেন্ট করছিল "এত চিকনা পাছা দিয়া হাগেন কেমনে?" সেই থেকে সোনাইমাল সাহেব এই লোককে খুজছে। কিন্তু নুনু সাহেব সরকারি দলের লোক৷ তাকে ক্ষেপালে ঝামেলা আছে। তিনি রাগ করে হুডেল থেকে বেরিয়ে গেলেন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো! "নুনু ঢোকার সাথে সাথেই মাল আউট" -- এইবার নুনু মিয়া পড়লেন টেংশনে। কেন্দ্র থেকে পাঠানো মোটিভেশনাল স্পিকার ফেরত গেছে। কেন্দ্রের লোকজন ক্ষেপলে নমিনেশন পাবে না। নমিনেশন প্রত্যাশী দলের আরেক প্রার্থী সোনা মিয়া উচ্চ মহলে তদবির করছেন। শোনা গেছে উনি এজন্য বেশ টাকা পয়সা খরচ করছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রের এক নেতা ফোন করে বললেন "নমিনেশন তোমার ইয়ে দিয়ে ভরে দিব"। দুঃখে নুনু মিয়া কয়েকদিন প্রচারণা বন্ধ রাখলেন। শুধু শুধু টাকা নস্ট করার মানে হয় না। একদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো "মাল আউটের পরে নিস্তেজ নুনু" --- এদিকে নুনুর পক্ষে আসলেন আরেক বড় নেতা। সবাই তাকে 'মাল' বলে ডাকেন। ওনার নামও মাল। নুনু মিয়া এবার উজ্জীবিত হলেন। তিনি আবারও প্রচারণা শুরু করলেন। পত্রিকার শিরোনাম এলো! 'মালে পরিপূর্ণ নুনু সতেজ হয়ে গেছে!" -- কিন্তু নুনু মিয়ার টেংশন এখনো দূর হয় নাই। কারণ তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সোনা মিয়া। পত্রিকায় প্রায়ই খবর আসে! " অবশেষে নুনু মিয়া সফল হলেন। মাল সাহেবের প্রচেস্টায় তিনি নমিনেশন পেলেন। জেলা পর্যায়ের নেতারা যারা এতদিন সোনা মিয়াকে গুরুত্ব দিত তারা এখন সবাই নুনুর পক্ষে। পত্রিকায় শিরোনাম এলো! "নুনু এখন আগের চেয়ে শক্তিশালী। সবাই নুনুতে তেল মাখাচ্ছে... 🤣 @highlight
    ·364 Views ·0 önizleme
  • No Risk. No Story.
    No Risk. No Story.
    ·385 Views ·0 önizleme
  • ·712 Views ·0 önizleme
  • ⚠️ URGENT: PROTECT YOUR ASSETS

    Attention MinersLy Community,

    In light of recent market volatility and increased phishing activity, we urge all users to remain hyper-vigilant. Security is a shared responsibility. Please adhere to the following safety protocols immediately:

    Never Share Your Private Keys: No member of the MinersLy team—including our CEO, Salah Uddin Kader Ayyubi (CryptoBaba)—will ever ask for your seed phrase, private keys, or passwords.

    Beware of Impersonators: Scammers often create fake profiles or "support" accounts that look identical to official ones. Always verify the handle and official website URL before clicking any links.

    Double-Check Deposit Addresses: Malware can sometimes swap wallet addresses in your clipboard. Always verify the first and last four digits of any address before confirming a transaction.

    Enable 2FA: If you haven’t already, enable Hardware-based or App-based Two-Factor Authentication (like Google Authenticator). Avoid SMS-based 2FA due to the risk of SIM-swapping.

    Avoid "Guaranteed" Returns: If an investment sounds too good to be true, it is. Stay away from "doubling" schemes or unverified airdrops that require you to send funds first.

    Official Notice: MinersLy communications will only come through our verified official channels. When in doubt, reach out to our official support desk directly.

    Stay Safe & Stay Informed, The MinersLy Team 🤑
    ⚠️ URGENT: PROTECT YOUR ASSETS Attention MinersLy Community, In light of recent market volatility and increased phishing activity, we urge all users to remain hyper-vigilant. Security is a shared responsibility. Please adhere to the following safety protocols immediately: Never Share Your Private Keys: No member of the MinersLy team—including our CEO, Salah Uddin Kader Ayyubi (CryptoBaba)—will ever ask for your seed phrase, private keys, or passwords. Beware of Impersonators: Scammers often create fake profiles or "support" accounts that look identical to official ones. Always verify the handle and official website URL before clicking any links. Double-Check Deposit Addresses: Malware can sometimes swap wallet addresses in your clipboard. Always verify the first and last four digits of any address before confirming a transaction. Enable 2FA: If you haven’t already, enable Hardware-based or App-based Two-Factor Authentication (like Google Authenticator). Avoid SMS-based 2FA due to the risk of SIM-swapping. Avoid "Guaranteed" Returns: If an investment sounds too good to be true, it is. Stay away from "doubling" schemes or unverified airdrops that require you to send funds first. Official Notice: MinersLy communications will only come through our verified official channels. When in doubt, reach out to our official support desk directly. Stay Safe & Stay Informed, The MinersLy Team 🤑
    ·1K Views ·0 önizleme