Upgrade to Pro

  • নতুন বছরে সাইটের কিছু আপডেট

    New Update: 01-01-2026

    ℹ️ Boosted Groups & Events
    ℹ️ Hidden Packages
    ℹ️ Video Ads
    ℹ️ AgeVerif Integration📢
    ℹ️ Ads Report
    ℹ️ Products Messages
    ℹ️ Paid Modules📢
    ℹ️ Pro Packages Free Points📢
    ℹ️ Packages Payments History
    ℹ️ Latest Blogs Widget📢
    ℹ️ Gifts with Points System📢
    ℹ️ Event Distance
    ℹ️ Support Center (Tickets System) 📢
    ℹ️ 5 More Affiliates Levels📢
    ℹ️ Digital Products On/Off
    ℹ️ Reels/Videos Min/Max Length
    ℹ️ Delete Notifications

    ⚠️ Stay Safe & Stay Informed, The MinersLy Team
    নতুন বছরে সাইটের কিছু আপডেট New Update: 01-01-2026 ℹ️ Boosted Groups & Events ℹ️ Hidden Packages ℹ️ Video Ads ℹ️ AgeVerif Integration📢 ℹ️ Ads Report ℹ️ Products Messages ℹ️ Paid Modules📢 ℹ️ Pro Packages Free Points📢 ℹ️ Packages Payments History ℹ️ Latest Blogs Widget📢 ℹ️ Gifts with Points System📢 ℹ️ Event Distance ℹ️ Support Center (Tickets System) 📢 ℹ️ 5 More Affiliates Levels📢 ℹ️ Digital Products On/Off ℹ️ Reels/Videos Min/Max Length ℹ️ Delete Notifications ⚠️ Stay Safe & Stay Informed, The MinersLy Team
    1
    ·856 Views ·0 Reviews
  • #Bitcoin will hit $_______ in 2026 🤔👇
    #Bitcoin will hit $_______ in 2026 🤔👇
    ·798 Views ·0 Reviews
  • OPS!
    OPS!
    ·460 Views ·0 Reviews
  • নারী একমাত্র মায়ের চরিত্রেই স্বার্থবিহীন আর বিশ্বাসযোগ্য, বাকি সব চরিত্রে ভয়ংকর অভিনেত্রী 🙄
    নারী একমাত্র মায়ের চরিত্রেই স্বার্থবিহীন আর বিশ্বাসযোগ্য, বাকি সব চরিত্রে ভয়ংকর অভিনেত্রী 🙄
    ·670 Views ·0 Reviews
  • WW1: A bullet
    WW2: An artist
    WW3: A phone
    😂 😂 😂
    WW1: A bullet WW2: An artist WW3: A phone 😂 😂 😂
    ·434 Views ·0 Reviews
  • Back in Action 😎
    Back in Action 😎
    ·407 Views ·0 Reviews
  • সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর (রহ.) বাবা, নাজমুদ্দীন আইয়ুব (রহ.) তখন তিকরিতের শাসনভারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত। বয়স পেরিয়ে গেলেও তাঁর বিবাহের কোনো উদ্যোগ না দেখে তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন শিরকুহ চিন্তিত হয়ে পড়লেন।ভাই আসাদুদ্দীন তাঁকে রাজ্যের প্রভাবশালী পরিবারের মেয়েদের (যেমন মালিক শাহের বা নিযামুল মুলকের কন্যা) বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। কিন্তু নাজমুদ্দীন স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তারা তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রী নন।

    ভাই বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কাঙ্ক্ষিত পাত্রীর বৈশিষ্ট্য কী?"নাজমুদ্দীন আইয়ুবের উত্তর ছিল উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং ইখলাসে ভরা: "আমি চাই একজন সুশীলা স্ত্রী, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দেবে, যে সন্তানকে সে যথাযথ লালন-পালন করে বড় করবে। বড় হয়ে সে ছেলে হবে একজন দুর্দান্ত ঘোড়সওয়ার, সাহসী মুজাহিদ। আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে।"সেই সময় বায়তুল মুকাদ্দাস ছিল জেরুসালেম থেকে বহু দূরে, ক্রুসেডারদের দখলে। কিন্তু নাজমুদ্দীনের মন পড়ে ছিল আল-আকসার পানে।

    তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন হতাশ হয়ে বললেন, "তুমি যেমন কনের আশায় বসে আছো, ইহজীবনে তেমনটা পাবে কিনা আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে!" উত্তরে নাজমুদ্দীন দৃঢ়তার সাথে বললেন, "যে ইখলাসের সাথে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্যে কোনো নিয়ত করে, আল্লাহ তাকে তা দিয়ে দেন।"অপরিচিতের মুখে একই আকাঙ্ক্ষাঘটনার কয়েক দিন পর, নাজমুদ্দীন তিকরিতেরই এক শায়খের মজলিসে বসে আলাপ করছিলেন। এমন সময় এক পর্দানশীন যুবতী এসে শায়খকে সালাম দিলেন। শায়খ সেই যুবতীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন সে তাঁর পাঠানো পাত্রকে ফিরিয়ে দিয়েছে—যে জ্ঞানে, গুণে, পদে বা অর্থে কোনো অংশেই কম ছিল না।

    যুবতী বিনয়ের সাথে উত্তর দিলেন: "শায়খ! এই পাত্রের মধ্যে আমার কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য নেই।"শায়খের প্রশ্নে, যুবতী তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রের যে বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করলেন, তা শুনে নাজমুদ্দীন আইয়ুবের শ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। যুবতী বললেন: "আমি চাই এমন নেককার পাত্র, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। যে আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দিবে... আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে!"দুইজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের মনের কথা এমন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাওয়া দেখে নাজমুদ্দীন বাকহারা হয়ে গেলেন।

    ভাবনার অতল থেকে সম্বিত ফিরে পেয়েই তিনি বলে উঠলেন: "শায়খ! আমি এই পুণ্যবতী মানুষটাকে বিয়ে করতে চাই!"শায়খ প্রথমে ইতস্তত করলেন, কারণ নাজমুদ্দীন ছিলেন তিকরিতের ওয়ালী, আর মেয়েটি ছিল মহল্লার সবচেয়ে গরীব ঘরের সন্তান। কিন্তু নাজমুদ্দীন সব কথা খুলে বললেন। শায়খ সব শুনে অজান্তেই এক আয়াত তিলাওয়াত করলেন:{وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا}
    (অর্থাৎ: 'আর তাঁর (আল্লাহর) অন্যতম একটা নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের জন্যে, তোমাদের থেকেই স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করেছেন। যেন তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারো।'—সূরা রূম: ২১)দুইজন মহৎপ্রাণ যুবক-যুবতীর বিবাহ সম্পন্ন হলো। তাঁদের আন্তরিক ইখলাস ও দৃঢ় নিয়তের বরকতেই আল্লাহ তাঁদের দান করলেন এক অনন্য উপহার—ইতিহাসের সেই মহানায়ক, সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবী (রহ.)
    সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর (রহ.) বাবা, নাজমুদ্দীন আইয়ুব (রহ.) তখন তিকরিতের শাসনভারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত। বয়স পেরিয়ে গেলেও তাঁর বিবাহের কোনো উদ্যোগ না দেখে তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন শিরকুহ চিন্তিত হয়ে পড়লেন।ভাই আসাদুদ্দীন তাঁকে রাজ্যের প্রভাবশালী পরিবারের মেয়েদের (যেমন মালিক শাহের বা নিযামুল মুলকের কন্যা) বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। কিন্তু নাজমুদ্দীন স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তারা তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রী নন। ভাই বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কাঙ্ক্ষিত পাত্রীর বৈশিষ্ট্য কী?"নাজমুদ্দীন আইয়ুবের উত্তর ছিল উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং ইখলাসে ভরা: "আমি চাই একজন সুশীলা স্ত্রী, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দেবে, যে সন্তানকে সে যথাযথ লালন-পালন করে বড় করবে। বড় হয়ে সে ছেলে হবে একজন দুর্দান্ত ঘোড়সওয়ার, সাহসী মুজাহিদ। আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে।"সেই সময় বায়তুল মুকাদ্দাস ছিল জেরুসালেম থেকে বহু দূরে, ক্রুসেডারদের দখলে। কিন্তু নাজমুদ্দীনের মন পড়ে ছিল আল-আকসার পানে। তাঁর ভাই আসাদুদ্দীন হতাশ হয়ে বললেন, "তুমি যেমন কনের আশায় বসে আছো, ইহজীবনে তেমনটা পাবে কিনা আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে!" উত্তরে নাজমুদ্দীন দৃঢ়তার সাথে বললেন, "যে ইখলাসের সাথে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্যে কোনো নিয়ত করে, আল্লাহ তাকে তা দিয়ে দেন।"অপরিচিতের মুখে একই আকাঙ্ক্ষাঘটনার কয়েক দিন পর, নাজমুদ্দীন তিকরিতেরই এক শায়খের মজলিসে বসে আলাপ করছিলেন। এমন সময় এক পর্দানশীন যুবতী এসে শায়খকে সালাম দিলেন। শায়খ সেই যুবতীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন সে তাঁর পাঠানো পাত্রকে ফিরিয়ে দিয়েছে—যে জ্ঞানে, গুণে, পদে বা অর্থে কোনো অংশেই কম ছিল না। যুবতী বিনয়ের সাথে উত্তর দিলেন: "শায়খ! এই পাত্রের মধ্যে আমার কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য নেই।"শায়খের প্রশ্নে, যুবতী তাঁর কাঙ্ক্ষিত পাত্রের যে বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করলেন, তা শুনে নাজমুদ্দীন আইয়ুবের শ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। যুবতী বললেন: "আমি চাই এমন নেককার পাত্র, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। যে আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দিবে... আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে!"দুইজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের মনের কথা এমন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাওয়া দেখে নাজমুদ্দীন বাকহারা হয়ে গেলেন। ভাবনার অতল থেকে সম্বিত ফিরে পেয়েই তিনি বলে উঠলেন: "শায়খ! আমি এই পুণ্যবতী মানুষটাকে বিয়ে করতে চাই!"শায়খ প্রথমে ইতস্তত করলেন, কারণ নাজমুদ্দীন ছিলেন তিকরিতের ওয়ালী, আর মেয়েটি ছিল মহল্লার সবচেয়ে গরীব ঘরের সন্তান। কিন্তু নাজমুদ্দীন সব কথা খুলে বললেন। শায়খ সব শুনে অজান্তেই এক আয়াত তিলাওয়াত করলেন:{وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا} (অর্থাৎ: 'আর তাঁর (আল্লাহর) অন্যতম একটা নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের জন্যে, তোমাদের থেকেই স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করেছেন। যেন তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারো।'—সূরা রূম: ২১)দুইজন মহৎপ্রাণ যুবক-যুবতীর বিবাহ সম্পন্ন হলো। তাঁদের আন্তরিক ইখলাস ও দৃঢ় নিয়তের বরকতেই আল্লাহ তাঁদের দান করলেন এক অনন্য উপহার—ইতিহাসের সেই মহানায়ক, সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবী (রহ.)
    ·687 Views ·0 Reviews
  • Nobody is going to believe in you, until they see the results... 😎
    Nobody is going to believe in you, until they see the results... 😎
    ·443 Views ·0 Reviews
  • মানুষের এক্সপেরিয়েন্স থেকে আইডিয়া নেয়া ভালো বাট অন্ধভাবে সে যা করেছে সেটাই ফলো করা আমাদের অভ্যাস। সে এভাবে এটা করেছে,আমিও যদি করি তাহলে আমিও সফল হব। এটা ভয়ংকর একটা ভুল ধারনা।

    এই ভুলটা আমরা করি। পরিস্থিতি কখনো সবার জন্য এক হয় না। নিজের সক্ষমতা,পরিস্থিতি বিবেচনা করে পদক্ষেপ নিতে হয়। সে পেরেছে তাই আপনিও পারবেন ব্যাপার টা এমন না, আবার সে পারে নি দেখে যে আপনিও পারবেন না ব্যাপার টা তেমন ও না।

    তাই যে কোনো কাজে অন্ধভাবে মানুষের এক্সপেরিয়েন্স থেকে আইডিয়া নিয়ে প্লানিং না করে নিজের উপর ভরসা রেখে,নিজের সামর্থ্য বিবেচনা করে,প্রোপার রিসার্চ করে কাজ করুন,ইনশাআল্লাহ বিপদে পড়বেন না।
    মানুষের এক্সপেরিয়েন্স থেকে আইডিয়া নেয়া ভালো বাট অন্ধভাবে সে যা করেছে সেটাই ফলো করা আমাদের অভ্যাস। সে এভাবে এটা করেছে,আমিও যদি করি তাহলে আমিও সফল হব। এটা ভয়ংকর একটা ভুল ধারনা। এই ভুলটা আমরা করি। পরিস্থিতি কখনো সবার জন্য এক হয় না। নিজের সক্ষমতা,পরিস্থিতি বিবেচনা করে পদক্ষেপ নিতে হয়। সে পেরেছে তাই আপনিও পারবেন ব্যাপার টা এমন না, আবার সে পারে নি দেখে যে আপনিও পারবেন না ব্যাপার টা তেমন ও না। তাই যে কোনো কাজে অন্ধভাবে মানুষের এক্সপেরিয়েন্স থেকে আইডিয়া নিয়ে প্লানিং না করে নিজের উপর ভরসা রেখে,নিজের সামর্থ্য বিবেচনা করে,প্রোপার রিসার্চ করে কাজ করুন,ইনশাআল্লাহ বিপদে পড়বেন না।
    ·399 Views ·0 Reviews
  • The Pursuit of Happyness. 😎
    The Pursuit of Happyness. 😎
    ·652 Views ·0 Reviews