Atualize para o Pro

  • 📄 নিজের একটি সমস্যার সমাধান করতে গিয়েই কোটি মানুষের কাজ সহজ করে দিলেন মার্কো গ্রসি!

    PDF ফাইল একসঙ্গে যুক্ত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ার পর ২০১০ সালে ব্যক্তিগত প্রকল্প হিসেবে তৈরি করেন iLovePDF। নিজের ব্যবহারের জন্য বানানো সেই বিনামূল্যের টুলই বাইরের বিনিয়োগ ছাড়াই হয়ে ওঠে বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষের নির্ভরতার প্ল্যাটফর্ম।

    কোম্পানি কিনে নেওয়ার প্রস্তাব এলেও গ্রসি প্রতিষ্ঠানটিকে স্বাধীন রাখার সিদ্ধান্ত নেন। আজও iLovePDF-এর মূল সেবাগুলো বেশিরভাগ ব্যবহারকারীর জন্য বিনামূল্যে পাওয়া যায়। আর আয়ের বড় অংশ আসে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন থেকে, যার প্রধান গ্রাহক বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।
    📄 নিজের একটি সমস্যার সমাধান করতে গিয়েই কোটি মানুষের কাজ সহজ করে দিলেন মার্কো গ্রসি! PDF ফাইল একসঙ্গে যুক্ত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ার পর ২০১০ সালে ব্যক্তিগত প্রকল্প হিসেবে তৈরি করেন iLovePDF। নিজের ব্যবহারের জন্য বানানো সেই বিনামূল্যের টুলই বাইরের বিনিয়োগ ছাড়াই হয়ে ওঠে বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষের নির্ভরতার প্ল্যাটফর্ম। কোম্পানি কিনে নেওয়ার প্রস্তাব এলেও গ্রসি প্রতিষ্ঠানটিকে স্বাধীন রাখার সিদ্ধান্ত নেন। আজও iLovePDF-এর মূল সেবাগুলো বেশিরভাগ ব্যবহারকারীর জন্য বিনামূল্যে পাওয়া যায়। আর আয়ের বড় অংশ আসে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন থেকে, যার প্রধান গ্রাহক বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।
    ·1K Visualizações ·0 Anterior
  • 📌 ভূ-রাজনীতি: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নিরাপত্তার অদৃশ্য সুতো 🇧🇩🇵🇰
    একটি নির্মম কিন্তু বাস্তব ভূ-রাজনৈতিক সত্য, যা হয়তো অনেকেই মানতে চাইবেন না:

    "রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান যতদিন টিকে থাকবে, তার থেকে ঠিক তিন দিন বেশি টিকে থাকবে বাংলাদেশ। যেদিন ইসলামাবাদের পতন হবে, তার ঠিক তিন দিন পরে ঢাকার পতন হবে—দিল্লির হাতে।"

    ❓ কিন্তু প্রশ্ন হলো, একই দিনে কেন নয়? তিন দিন কেন?
    কারণ, দিল্লির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ ছাত্র-জনতা এক প্রচণ্ড ও অভূতপূর্ব প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। মাতৃভূমি রক্ষায় আমাদের বীর জনতা দমে যাবে না। কিন্তু আধুনিক সামরিক আগ্রাসনের সামনে শুধু খালি হাতে বা সাধারণ প্রতিরোধ নিয়ে তারা হয়তো তিন দিনের বেশি টিকতে পারবে না।

    🛡️ পারমাণবিক ভারসাম্য ও বাংলাদেশের অস্তিত্ব
    সোজা কথায়—যে পারমাণবিক অস্ত্র ও সামরিক শক্তি পাকিস্তানকে নিরাপত্তা দেয়, হাজার মাইল দূরে থাকা বাংলাদেশকেও পরোক্ষভাবে সেই একই অস্ত্র নিরাপত্তা দিচ্ছে। এটি একটি আন্তর্জাতিক ক্ষমতার ভারসাম্য (Balance of Power)।

    বাস্তবতা হলো: পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি পশ্চিমে ভারতের জন্য একটি স্থায়ী সামরিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে টিকে আছে বলেই, পূর্ব সীমান্তে বাংলাদেশ আজ স্বাধীনভাবে শ্বাস নিতে পারছে।

    পাকিস্তান যদি কখনো না থাকে, তবে পূর্বদিকের এই ভূখণ্ডকে গ্রাস করতে দিল্লির খুব বেশি সময় লাগবে না।

    আপনি বিশ্বাস করেন আর নাই বা করেন—এটাই বর্তমান ভূ-রাজনীতির সবচেয়ে বড় এবং রূঢ় সত্য। ---

    #ভূরাজনীতি #বাংলাদেশ #পাকিস্তান #নিরাপত্তা #আন্তর্জাতিকসম্পর্ক #স্বাধীনসার্বভৌম
    📌 ভূ-রাজনীতি: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নিরাপত্তার অদৃশ্য সুতো 🇧🇩🇵🇰 একটি নির্মম কিন্তু বাস্তব ভূ-রাজনৈতিক সত্য, যা হয়তো অনেকেই মানতে চাইবেন না: "রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান যতদিন টিকে থাকবে, তার থেকে ঠিক তিন দিন বেশি টিকে থাকবে বাংলাদেশ। যেদিন ইসলামাবাদের পতন হবে, তার ঠিক তিন দিন পরে ঢাকার পতন হবে—দিল্লির হাতে।" ❓ কিন্তু প্রশ্ন হলো, একই দিনে কেন নয়? তিন দিন কেন? কারণ, দিল্লির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এদেশের সাধারণ ছাত্র-জনতা এক প্রচণ্ড ও অভূতপূর্ব প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। মাতৃভূমি রক্ষায় আমাদের বীর জনতা দমে যাবে না। কিন্তু আধুনিক সামরিক আগ্রাসনের সামনে শুধু খালি হাতে বা সাধারণ প্রতিরোধ নিয়ে তারা হয়তো তিন দিনের বেশি টিকতে পারবে না। 🛡️ পারমাণবিক ভারসাম্য ও বাংলাদেশের অস্তিত্ব সোজা কথায়—যে পারমাণবিক অস্ত্র ও সামরিক শক্তি পাকিস্তানকে নিরাপত্তা দেয়, হাজার মাইল দূরে থাকা বাংলাদেশকেও পরোক্ষভাবে সেই একই অস্ত্র নিরাপত্তা দিচ্ছে। এটি একটি আন্তর্জাতিক ক্ষমতার ভারসাম্য (Balance of Power)। বাস্তবতা হলো: পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি পশ্চিমে ভারতের জন্য একটি স্থায়ী সামরিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে টিকে আছে বলেই, পূর্ব সীমান্তে বাংলাদেশ আজ স্বাধীনভাবে শ্বাস নিতে পারছে। পাকিস্তান যদি কখনো না থাকে, তবে পূর্বদিকের এই ভূখণ্ডকে গ্রাস করতে দিল্লির খুব বেশি সময় লাগবে না। আপনি বিশ্বাস করেন আর নাই বা করেন—এটাই বর্তমান ভূ-রাজনীতির সবচেয়ে বড় এবং রূঢ় সত্য। --- #ভূরাজনীতি #বাংলাদেশ #পাকিস্তান #নিরাপত্তা #আন্তর্জাতিকসম্পর্ক #স্বাধীনসার্বভৌম
    ·2K Visualizações ·0 Anterior
  • 🎓 **কলম — অনলাইন ভিত্তিক উপবৃত্তি (Scholarship) অ্যাপ** 📚

    শুধু পড়াশোনা নয়, এখন জ্ঞানের মাধ্যমেই জিতে নিন আকর্ষণীয় পুরস্কার! 🏆

    ✅ Quiz ভিত্তিক প্রতিযোগিতা
    ✅ মেধা যাচাইয়ের সুযোগ
    ✅ Scholarship অর্জনের সুযোগ
    ✅ আকর্ষণীয় উপহার ও সার্টিফিকেট

    📖 শিখুন, কুইজে অংশ নিন এবং নিজের মেধার স্বীকৃতি অর্জন করুন।

    🚀 **কলম — খুব শীঘ্রই আসছে!**

    #Kolom #ScholarshipApp #QuizContest #Education #ComingSoon
    🎓 **কলম — অনলাইন ভিত্তিক উপবৃত্তি (Scholarship) অ্যাপ** 📚 শুধু পড়াশোনা নয়, এখন জ্ঞানের মাধ্যমেই জিতে নিন আকর্ষণীয় পুরস্কার! 🏆 ✅ Quiz ভিত্তিক প্রতিযোগিতা ✅ মেধা যাচাইয়ের সুযোগ ✅ Scholarship অর্জনের সুযোগ ✅ আকর্ষণীয় উপহার ও সার্টিফিকেট 📖 শিখুন, কুইজে অংশ নিন এবং নিজের মেধার স্বীকৃতি অর্জন করুন। 🚀 **কলম — খুব শীঘ্রই আসছে!** #Kolom #ScholarshipApp #QuizContest #Education #ComingSoon
    ·3K Visualizações ·0 Anterior
  • # ✨ কলম ও বর্ণমালা — খুব শীঘ্রই আসছে!

    শিক্ষা, সৃজনশীলতা এবং প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি হচ্ছে দুটি নতুন ও ব্যতিক্রমধর্মী অ্যাপ — **কলম** এবং **বর্ণমালা**। আধুনিক শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ, স্মার্ট এবং আনন্দদায়ক শেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।

    📚 **কলম** অ্যাপে থাকছে কুইজ, কনটেস্ট, স্কলারশিপ, পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ এবং দক্ষতা বিকাশের বিভিন্ন কার্যক্রম। অন্যদিকে **বর্ণমালা** অ্যাপ শিশু-কিশোরদের বাংলা ভাষা, বর্ণ, শব্দ ও মৌলিক শিক্ষা সহজ ও আকর্ষণীয় উপায়ে শেখাতে সাহায্য করবে।

    🏆 নিয়মিত প্রতিযোগিতা, পুরস্কার, সার্টিফিকেট এবং শিক্ষামূলক কনটেন্টের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের জ্ঞান বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বিভিন্ন স্বীকৃতি অর্জনের সুযোগ পাবে।

    🚀 শিক্ষা হবে আরও স্মার্ট, আরও মজার এবং আরও ফলপ্রসূ।

    **কলম ও বর্ণমালা — Coming Soon!**
    *"শেখার নতুন দিগন্ত, সাফল্যের নতুন ঠিকানা।"* 💚📖✨
    # ✨ কলম ও বর্ণমালা — খুব শীঘ্রই আসছে! শিক্ষা, সৃজনশীলতা এবং প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি হচ্ছে দুটি নতুন ও ব্যতিক্রমধর্মী অ্যাপ — **কলম** এবং **বর্ণমালা**। আধুনিক শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ, স্মার্ট এবং আনন্দদায়ক শেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। 📚 **কলম** অ্যাপে থাকছে কুইজ, কনটেস্ট, স্কলারশিপ, পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ এবং দক্ষতা বিকাশের বিভিন্ন কার্যক্রম। অন্যদিকে **বর্ণমালা** অ্যাপ শিশু-কিশোরদের বাংলা ভাষা, বর্ণ, শব্দ ও মৌলিক শিক্ষা সহজ ও আকর্ষণীয় উপায়ে শেখাতে সাহায্য করবে। 🏆 নিয়মিত প্রতিযোগিতা, পুরস্কার, সার্টিফিকেট এবং শিক্ষামূলক কনটেন্টের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের জ্ঞান বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বিভিন্ন স্বীকৃতি অর্জনের সুযোগ পাবে। 🚀 শিক্ষা হবে আরও স্মার্ট, আরও মজার এবং আরও ফলপ্রসূ। **কলম ও বর্ণমালা — Coming Soon!** *"শেখার নতুন দিগন্ত, সাফল্যের নতুন ঠিকানা।"* 💚📖✨
    1
    ·2K Visualizações ·0 Anterior
  • Meta আজকে যা Launch করলো, সেটা Unbelievable।
    ফ্রিতে যে Instagram, Facebook, WhatsApp ব্যবহার করছেন, এবার সেগুলোর সব নতুন এক্সক্লুসিভ ফিচারগুলো paid subscription এ ঢুকে যাচ্ছে। আর সবচেয়ে বড় কথা - বাংলাদেশও এই তালিকায় আছে।

    Meta এর head of product Naomi Gleit এর একটা ইন্সটাগ্রাম ভিডিও দেখছিলাম, সেখানে তিনি শেয়ার করেছেন এমন যে - "আমরা এখন globally subscription rollout শুরু করছি।" ৩টা আলাদা Plus plan এখন পাওয়া যাচ্ছে।

    Instagram Plus মাসে $3.99। এটা দিলে পাবেন story rewatch count, unlimited audience list, নিজের story কে একবার করে spotlight দেওয়ার সুযোগ, story তে কে কতক্ষণ ছিল সেটার insight, custom font আর profile pin।

    Facebook Plus-ও $3.99। WhatsApp Plus একটু কম - $2.99। WhatsApp Plus তে পাবেন custom theme, ringtone, premium sticker, আর extra pinned chats।

    এখন আসি সবচেয়ে mind-blowing অংশে - Meta One।
    Meta এই সব subscription কে একটা ছাদের নিচে আনতে চাইছে, নাম Meta One। এখানে creator আর business দের জন্য ২টা plan আসছে।

    Meta One Essential $14.99/mo - verified badge, impersonation protection, এবং একটা enhanced linksheet যেটা দিয়ে সব সোশ্যাল চ্যানেল এক জায়গায় দেখানো যাবে।

    আর Meta One Advanced $49.99/mo - এটা দিলে Facebook feed এ featured হওয়া যাবে, search result এ উপরে আসবেন, Reel এ bold "Follow" button থাকবে, আর যারা content engage করেছে তাদের কাছে automatically follow invitation যাবে।

    বিশ্বাস করেন, এই পুরো list পড়তে পড়তে আমি নিজেই হাঁ হয়ে গেছি। কারণ এটা শুধু নতুন feature না - এটা Meta এর business model পরিবর্তনের সংকেত।

    AI plan-ও আসছে। Meta One Plus $7.99/mo আর Meta One Premium $19.99/mo - এটা দিয়ে Meta AI তে deeper reasoning, বেশি video আর image generation পাওয়া যাবে। AI glasses users দের জন্য আরো extra benefit আসবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে। তবে এখানে একটা কথা আছে।

    AI plan গুলো এখনই আসছে না। প্রথমে Singapore, Guatemala আর Bolivia তে test হবে। আর creator-business plan এর test শুরু হচ্ছে Saudi Arabia, Morocco, Thailand আর বাংলাদেশে - এই সপ্তাহেই।

    মানে বাংলাদেশ সরাসরি early test market এ আছে, এটা একটু অবাকই করলো। Basic Plus plan গুলো ($2.99-$3.99) free tier বন্ধ করছে না, এখনকার ফ্রি experience একই থাকবে। আমার তো মনে হচ্ছে Meta আসলে বুঝে গেছে শুধু ads দিয়ে আর কতদূর যাবে। এখন তারা সরাসরি user এর পকেট থেকে নিতে চাইছে, YouTube Premium বা Spotify যেভাবে করছে।

    আপনাদের কাছে জানতে চাই - Instagram Plus বা WhatsApp Plus এর জন্য মাসে ৩৫০-৪৫০ টাকা দিতে রাজি আছেন, নাকি free তেই থাকবেন? কমেন্টে বলেন তো দেখি! আর সেজন্যই আমি আমার তুরুপের তাস বের করব! ইনশাল্লাহ! 🤑
    Meta আজকে যা Launch করলো, সেটা Unbelievable। ফ্রিতে যে Instagram, Facebook, WhatsApp ব্যবহার করছেন, এবার সেগুলোর সব নতুন এক্সক্লুসিভ ফিচারগুলো paid subscription এ ঢুকে যাচ্ছে। আর সবচেয়ে বড় কথা - বাংলাদেশও এই তালিকায় আছে। Meta এর head of product Naomi Gleit এর একটা ইন্সটাগ্রাম ভিডিও দেখছিলাম, সেখানে তিনি শেয়ার করেছেন এমন যে - "আমরা এখন globally subscription rollout শুরু করছি।" ৩টা আলাদা Plus plan এখন পাওয়া যাচ্ছে। Instagram Plus মাসে $3.99। এটা দিলে পাবেন story rewatch count, unlimited audience list, নিজের story কে একবার করে spotlight দেওয়ার সুযোগ, story তে কে কতক্ষণ ছিল সেটার insight, custom font আর profile pin। Facebook Plus-ও $3.99। WhatsApp Plus একটু কম - $2.99। WhatsApp Plus তে পাবেন custom theme, ringtone, premium sticker, আর extra pinned chats। এখন আসি সবচেয়ে mind-blowing অংশে - Meta One। Meta এই সব subscription কে একটা ছাদের নিচে আনতে চাইছে, নাম Meta One। এখানে creator আর business দের জন্য ২টা plan আসছে। Meta One Essential $14.99/mo - verified badge, impersonation protection, এবং একটা enhanced linksheet যেটা দিয়ে সব সোশ্যাল চ্যানেল এক জায়গায় দেখানো যাবে। আর Meta One Advanced $49.99/mo - এটা দিলে Facebook feed এ featured হওয়া যাবে, search result এ উপরে আসবেন, Reel এ bold "Follow" button থাকবে, আর যারা content engage করেছে তাদের কাছে automatically follow invitation যাবে। বিশ্বাস করেন, এই পুরো list পড়তে পড়তে আমি নিজেই হাঁ হয়ে গেছি। কারণ এটা শুধু নতুন feature না - এটা Meta এর business model পরিবর্তনের সংকেত। AI plan-ও আসছে। Meta One Plus $7.99/mo আর Meta One Premium $19.99/mo - এটা দিয়ে Meta AI তে deeper reasoning, বেশি video আর image generation পাওয়া যাবে। AI glasses users দের জন্য আরো extra benefit আসবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে। তবে এখানে একটা কথা আছে। AI plan গুলো এখনই আসছে না। প্রথমে Singapore, Guatemala আর Bolivia তে test হবে। আর creator-business plan এর test শুরু হচ্ছে Saudi Arabia, Morocco, Thailand আর বাংলাদেশে - এই সপ্তাহেই। মানে বাংলাদেশ সরাসরি early test market এ আছে, এটা একটু অবাকই করলো। Basic Plus plan গুলো ($2.99-$3.99) free tier বন্ধ করছে না, এখনকার ফ্রি experience একই থাকবে। আমার তো মনে হচ্ছে Meta আসলে বুঝে গেছে শুধু ads দিয়ে আর কতদূর যাবে। এখন তারা সরাসরি user এর পকেট থেকে নিতে চাইছে, YouTube Premium বা Spotify যেভাবে করছে। আপনাদের কাছে জানতে চাই - Instagram Plus বা WhatsApp Plus এর জন্য মাসে ৩৫০-৪৫০ টাকা দিতে রাজি আছেন, নাকি free তেই থাকবেন? কমেন্টে বলেন তো দেখি! আর সেজন্যই আমি আমার তুরুপের তাস বের করব! ইনশাল্লাহ! 🤑
    ·2K Visualizações ·0 Anterior
  • বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ দিয়ে বেরোতে থাকে। তৎসহ এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যা সহ্য করা অসম্ভব। আর ঐ দুর্গন্ধ পোকার সমগোত্রীয় পোকাদের নিমন্ত্রণ দেয়। দুর্গন্ধ পেয়ে সমস্ত পোকা, মাকড়, বিছে মানুষের মৃতদেহের দিকে যাত্রা শুরু করে আর সবাই মিলে মানুষের মাংস খাওয়া শুরু করে দেয়।

    কবরস্থ করার 3 দিন পরে সবচেয়ে প্রথমে নাকের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে এবং পচন ধরে যায়। 6 দিন পরে নখ খসে পড়তে থাকে। নয় দিন পরে চুল খসে পড়া শুরু হয়। মানুষের শরীরের সমস্ত লোম ঝরে পরে আর পেট ফোলা শুরু হয়ে যায়, 17 দিন পরে পেট ফেটে যায় আর শরীরের ভিতরের সমস্ত অংশ বাহিরে বেরিয়ে আসে। 60 দিন পরে মৃতদেহের শরীরের সমস্ত মাংস শেষ হয়ে যায়। মানুষের শরীরে একটু টুকরো মাংস অবশিষ্ট থাকে না। 90 দিন পরে সমস্ত হাড় একে অপরের থেকে পৃথক হয়ে যায়। এক বছর পরে মানুষের শরীরের সমস্ত হাড় মাটির সঙ্গে মিশে যায়।

    আর যে মানুষের মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়েছিল তার সমস্ত অস্তিত্ব মুছে যায়। অতএব আমার ভাই ও বোনেরা বলুন - মানুষের এতো অহংকার, এতো আত্মগরিমা, এতো হিংসা, এতো বিদ্বেষ, এতো লালসা, এতো নাম, এতো শৌর্য্য, এতো সম্মান, এতো শক্তি, এতো সামর্থ্য, এতো ধণদৌলত, এতো ক্ষমতা, এই বাদশাহী কোথায় যায়? সবকিছুই মাটিতে মিশে যায়। মানুষের অস্তিত্ব বা কি আছে? মাটি থেকে সৃষ্ট, মাটিতেই কবরস্থ হয়ে, মাটিতেই মিশে যায়।

    5 ফুট, 6 ফুট, 7 ফুটের মানুষ কবরে চলে যাওয়ার পরে তার নাম, চিহ্ন মুছে যায়। এই দুনিয়াতে গাম্ভীর্যের সঙ্গে বিচরণকারী যখন কবরে চলে যায় তখন তার অস্তিত্ব মাটি ছাড়া অন্য কিছুই থাকে না।

    অতএব মানুষের আসল জীবন, আমৃত্যু জীবন যাতে সুন্দর হয় এবং শান্তিপূর্ণ হয় তার চেষ্টা করা উচিত এবং সেই মোতাবেক কাজ করা উচিত। প্রতিটি ভালো কাজ, এবং প্রতিটি উত্তম কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করা উচিত। আর প্রতিটি মন্দ চিন্তাভাবনার অস্তিত্ব নষ্ট করার জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থণা করা উচিত। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সকলকে বুঝার তৌফিক দান করুন (আমিন)।
    (কপি)

    বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ দিয়ে বেরোতে থাকে। তৎসহ এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যা সহ্য করা অসম্ভব। আর ঐ দুর্গন্ধ পোকার সমগোত্রীয় পোকাদের নিমন্ত্রণ দেয়। দুর্গন্ধ পেয়ে সমস্ত পোকা, মাকড়, বিছে মানুষের মৃতদেহের দিকে যাত্রা শুরু করে আর সবাই মিলে মানুষের মাংস খাওয়া শুরু করে দেয়। কবরস্থ করার 3 দিন পরে সবচেয়ে প্রথমে নাকের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে এবং পচন ধরে যায়। 6 দিন পরে নখ খসে পড়তে থাকে। নয় দিন পরে চুল খসে পড়া শুরু হয়। মানুষের শরীরের সমস্ত লোম ঝরে পরে আর পেট ফোলা শুরু হয়ে যায়, 17 দিন পরে পেট ফেটে যায় আর শরীরের ভিতরের সমস্ত অংশ বাহিরে বেরিয়ে আসে। 60 দিন পরে মৃতদেহের শরীরের সমস্ত মাংস শেষ হয়ে যায়। মানুষের শরীরে একটু টুকরো মাংস অবশিষ্ট থাকে না। 90 দিন পরে সমস্ত হাড় একে অপরের থেকে পৃথক হয়ে যায়। এক বছর পরে মানুষের শরীরের সমস্ত হাড় মাটির সঙ্গে মিশে যায়। আর যে মানুষের মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়েছিল তার সমস্ত অস্তিত্ব মুছে যায়। অতএব আমার ভাই ও বোনেরা বলুন - মানুষের এতো অহংকার, এতো আত্মগরিমা, এতো হিংসা, এতো বিদ্বেষ, এতো লালসা, এতো নাম, এতো শৌর্য্য, এতো সম্মান, এতো শক্তি, এতো সামর্থ্য, এতো ধণদৌলত, এতো ক্ষমতা, এই বাদশাহী কোথায় যায়? সবকিছুই মাটিতে মিশে যায়। মানুষের অস্তিত্ব বা কি আছে? মাটি থেকে সৃষ্ট, মাটিতেই কবরস্থ হয়ে, মাটিতেই মিশে যায়। 5 ফুট, 6 ফুট, 7 ফুটের মানুষ কবরে চলে যাওয়ার পরে তার নাম, চিহ্ন মুছে যায়। এই দুনিয়াতে গাম্ভীর্যের সঙ্গে বিচরণকারী যখন কবরে চলে যায় তখন তার অস্তিত্ব মাটি ছাড়া অন্য কিছুই থাকে না। অতএব মানুষের আসল জীবন, আমৃত্যু জীবন যাতে সুন্দর হয় এবং শান্তিপূর্ণ হয় তার চেষ্টা করা উচিত এবং সেই মোতাবেক কাজ করা উচিত। প্রতিটি ভালো কাজ, এবং প্রতিটি উত্তম কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করা উচিত। আর প্রতিটি মন্দ চিন্তাভাবনার অস্তিত্ব নষ্ট করার জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থণা করা উচিত। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সকলকে বুঝার তৌফিক দান করুন (আমিন)। (কপি)
    1
    ·1K Visualizações ·0 Anterior
  • পরবর্তী প্রজন্মকে বলতে পারবো যে আমরা এমন এক মুসলিম নেতা নিজ চোখে দেখেছি যেকিনা পুরো বিশ্বের সাথে একাই লড়ে গেছে! ❤️

    পরবর্তী প্রজন্মকে বলতে পারবো যে আমরা এমন এক মুসলিম নেতা নিজ চোখে দেখেছি যেকিনা পুরো বিশ্বের সাথে একাই লড়ে গেছে! ❤️
    ·1K Visualizações ·0 Anterior
  • সাদ্দাম হোসেন, মুয়াম্মার গাদ্দাফি কিংবা ওমর আল-বশির; এক সময়ের দাপুটে এইসব মুসলিম শাসকদের পতনের ইতিহাস থেকে একটা 'লেসন লার্ন্ড' খুব 'কমন' আর তা হলঃ

    মুসলিম বিশ্বের 'রেজিম চেঞ্জ' বা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যে স্বপ্ন পশ্চিমা শক্তিগুলো আমাদের দেখায়, তার বাস্তব পরিণতি কী হতে পারে, তা ইরাক, লিবিয়া এবং সুদানের বর্তমান মানচিত্রের দিকে তাকালেই বোঝা যায়।

    সাদ্দাম এবং গাদ্দাফিকে শুধু ক্ষমতাচ্যুতই করা হয়নি, বরং নিজ দেশেই ন্যাক্কারজনকভাবে অপমানিত ও হত্যা করা হয়েছিল। পশ্চিমা শক্তির মদতে আসা সেই 'পরিবর্তন' কি দেশগুলোতে শান্তি এনেছে?

    ১. লিবিয়া: গাদ্দাফির সময়ে লিবিয়া ছিল আফ্রিকার অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ। আজ সেই লিবিয়া কয়েক টুকরোয় বিভক্ত এবং সশস্ত্র মিলিশিয়াদের স্বর্গরাজ্য।

    ২. ইরাক: সাদ্দাম-পরবর্তী ইরাক এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আইএস এবং উগ্রবাদী গোষ্ঠীর ধ্বংসযজ্ঞের সাক্ষী।

    ৩. সুদান: বশিরের পতনের পর গণতন্ত্রের বদলে দেশটি এখন ইতিহাসের ভয়াবহতম এক গৃহযুদ্ধের আগুনে জ্বলছে।

    প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, বাইরের হস্তক্ষেপে আসা তথাকথিত 'মুক্তি' আসলে দেশগুলোকে দুর্বল করেছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনকে নরকে পরিণত করেছে।

    আজ ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে যখন আলোচনা হচ্ছে, তখন এই ঐতিহাসিক উদাহরণগুলো সামনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

    কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিবর্তন বা পরিবর্তন হওয়া উচিত সেই দেশের জনগণের নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ও জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে। বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের ফলাফল যে দীর্ঘস্থায়ী পরাধীনতা বা বিশৃঙ্খলা ছাড়া আর কিছু নয়, তা ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে।

    আবেগ নয়, বরং দূরদর্শিতাই হোক আমাদের পথচলার মূলমন্ত্র। কারণ, স্থিতিশীলতা হারানো সহজ, কিন্তু ধ্বংসস্তূপ থেকে রাষ্ট্রকে পুনরায় গড়ে তোলা কয়েক প্রজন্মের লড়াইয়ের সমান।

    #Geopolitics #Iran #History #RegimeChange #Libya #Iraq #Sudan #ForeignPolicy #Alert
    সাদ্দাম হোসেন, মুয়াম্মার গাদ্দাফি কিংবা ওমর আল-বশির; এক সময়ের দাপুটে এইসব মুসলিম শাসকদের পতনের ইতিহাস থেকে একটা 'লেসন লার্ন্ড' খুব 'কমন' আর তা হলঃ মুসলিম বিশ্বের 'রেজিম চেঞ্জ' বা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যে স্বপ্ন পশ্চিমা শক্তিগুলো আমাদের দেখায়, তার বাস্তব পরিণতি কী হতে পারে, তা ইরাক, লিবিয়া এবং সুদানের বর্তমান মানচিত্রের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। সাদ্দাম এবং গাদ্দাফিকে শুধু ক্ষমতাচ্যুতই করা হয়নি, বরং নিজ দেশেই ন্যাক্কারজনকভাবে অপমানিত ও হত্যা করা হয়েছিল। পশ্চিমা শক্তির মদতে আসা সেই 'পরিবর্তন' কি দেশগুলোতে শান্তি এনেছে? ১. লিবিয়া: গাদ্দাফির সময়ে লিবিয়া ছিল আফ্রিকার অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ। আজ সেই লিবিয়া কয়েক টুকরোয় বিভক্ত এবং সশস্ত্র মিলিশিয়াদের স্বর্গরাজ্য। ২. ইরাক: সাদ্দাম-পরবর্তী ইরাক এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আইএস এবং উগ্রবাদী গোষ্ঠীর ধ্বংসযজ্ঞের সাক্ষী। ৩. সুদান: বশিরের পতনের পর গণতন্ত্রের বদলে দেশটি এখন ইতিহাসের ভয়াবহতম এক গৃহযুদ্ধের আগুনে জ্বলছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, বাইরের হস্তক্ষেপে আসা তথাকথিত 'মুক্তি' আসলে দেশগুলোকে দুর্বল করেছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনকে নরকে পরিণত করেছে। আজ ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে যখন আলোচনা হচ্ছে, তখন এই ঐতিহাসিক উদাহরণগুলো সামনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিবর্তন বা পরিবর্তন হওয়া উচিত সেই দেশের জনগণের নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ও জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে। বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের ফলাফল যে দীর্ঘস্থায়ী পরাধীনতা বা বিশৃঙ্খলা ছাড়া আর কিছু নয়, তা ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে। আবেগ নয়, বরং দূরদর্শিতাই হোক আমাদের পথচলার মূলমন্ত্র। কারণ, স্থিতিশীলতা হারানো সহজ, কিন্তু ধ্বংসস্তূপ থেকে রাষ্ট্রকে পুনরায় গড়ে তোলা কয়েক প্রজন্মের লড়াইয়ের সমান। #Geopolitics #Iran #History #RegimeChange #Libya #Iraq #Sudan #ForeignPolicy #Alert
    ·2K Visualizações ·0 Anterior
  • মরার আগে নিশ্চিত করে যাও—তোমার সন্তানদের আর আগামী প্রজন্মকে বলবে, তুমি সেই সময়টাকে নিজের চোখে দেখেছ।
    যখন ছিয়াশি বছরের এক মানুষ একা দাঁড়িয়ে মুসলমানদের ভাতৃত্ব রক্ষার দাবি নিয়ে লড়েছিল।
    আর যখন কথিত বহু ইসলামী দেশ বিলাসিতা আর নীরবতার ভেতরে ডুবে ছিল।
    #AyatollahKhamenei #ayatullahkhamenei #iran #Irannews
    মরার আগে নিশ্চিত করে যাও—তোমার সন্তানদের আর আগামী প্রজন্মকে বলবে, তুমি সেই সময়টাকে নিজের চোখে দেখেছ। যখন ছিয়াশি বছরের এক মানুষ একা দাঁড়িয়ে মুসলমানদের ভাতৃত্ব রক্ষার দাবি নিয়ে লড়েছিল। আর যখন কথিত বহু ইসলামী দেশ বিলাসিতা আর নীরবতার ভেতরে ডুবে ছিল। #AyatollahKhamenei #ayatullahkhamenei #iran #Irannews
    ·2K Visualizações ·0 Anterior
  • আর হবে না দেখা,মনে থাকবে বন্ধুদের নিরবতা।

    প্রথমে তারা রাশিয়া চীনের বন্ধু মাদুরোকে উঠিয়ে নিয়ে গেল, তারপর খামেনিকে দিনেদুপুরে মেরে ফেলল।

    রাশিয়া চীনের বন্ধুত্ব হচ্ছে ভণ্ডামি।
    রাশিয়া চীনের বন্ধু কে হবে আর? কেন হবে?
    আর হবে না দেখা,মনে থাকবে বন্ধুদের নিরবতা। প্রথমে তারা রাশিয়া চীনের বন্ধু মাদুরোকে উঠিয়ে নিয়ে গেল, তারপর খামেনিকে দিনেদুপুরে মেরে ফেলল। রাশিয়া চীনের বন্ধুত্ব হচ্ছে ভণ্ডামি। রাশিয়া চীনের বন্ধু কে হবে আর? কেন হবে?
    ·996 Visualizações ·0 Anterior
  • ফিলিস্তিন, লেবানন, ইয়েমেন, ইরান ইরাকসহ গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য কতই না সম্মানের বিষয় যে, তাদের নেতা শাহাদাতের সুমহান মর্যাদায় উন্নীত হয়েছেন!

    "এপথে যদি জীবন দেয়, তো আরো জীবন্ত হয়।"
    জেগে ওঠো, হে উম্মতে মুহাম্মদী!
    ফিলিস্তিন, লেবানন, ইয়েমেন, ইরান ইরাকসহ গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য কতই না সম্মানের বিষয় যে, তাদের নেতা শাহাদাতের সুমহান মর্যাদায় উন্নীত হয়েছেন! "এপথে যদি জীবন দেয়, তো আরো জীবন্ত হয়।" জেগে ওঠো, হে উম্মতে মুহাম্মদী!
    ·846 Visualizações ·0 Anterior
  • আয়াতুল্লাহ খামেনির জায়গায় এসেছেন তার ছেলে মোজতবা খামেনি। প্রথম আঘাতে তার বাবা শহীদ হয়ে থাকতে পারেন। এর পর থেকে ইরান এতক্ষণ পর্যন্ত যত আক্রমণ করেছে সব তার নেতৃত্ব। এমন পরিস্থিতির জন্য তাকে তৈরি করা হয়েছে কয়েক দশক ধরে।

    মিডিয়া আউটলেটগুলো দাবি, মোজতবা খামেনি ইরানের নতুন খামেনি, নতুন সুপ্রিম লিডার।
    অফিসিয়াল কনফার্মেশনের অপেক্ষা...
    আয়াতুল্লাহ খামেনির জায়গায় এসেছেন তার ছেলে মোজতবা খামেনি। প্রথম আঘাতে তার বাবা শহীদ হয়ে থাকতে পারেন। এর পর থেকে ইরান এতক্ষণ পর্যন্ত যত আক্রমণ করেছে সব তার নেতৃত্ব। এমন পরিস্থিতির জন্য তাকে তৈরি করা হয়েছে কয়েক দশক ধরে। মিডিয়া আউটলেটগুলো দাবি, মোজতবা খামেনি ইরানের নতুন খামেনি, নতুন সুপ্রিম লিডার। অফিসিয়াল কনফার্মেশনের অপেক্ষা...
    ·726 Visualizações ·0 Anterior
Páginas Impulsionadas