Upgrade to Pro

  • পরবর্তী প্রজন্মকে বলতে পারবো যে আমরা এমন এক মুসলিম নেতা নিজ চোখে দেখেছি যেকিনা পুরো বিশ্বের সাথে একাই লড়ে গেছে! ❤️

    পরবর্তী প্রজন্মকে বলতে পারবো যে আমরা এমন এক মুসলিম নেতা নিজ চোখে দেখেছি যেকিনা পুরো বিশ্বের সাথে একাই লড়ে গেছে! ❤️
    ·1K Views ·0 voorbeeld
  • সাদ্দাম হোসেন, মুয়াম্মার গাদ্দাফি কিংবা ওমর আল-বশির; এক সময়ের দাপুটে এইসব মুসলিম শাসকদের পতনের ইতিহাস থেকে একটা 'লেসন লার্ন্ড' খুব 'কমন' আর তা হলঃ

    মুসলিম বিশ্বের 'রেজিম চেঞ্জ' বা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যে স্বপ্ন পশ্চিমা শক্তিগুলো আমাদের দেখায়, তার বাস্তব পরিণতি কী হতে পারে, তা ইরাক, লিবিয়া এবং সুদানের বর্তমান মানচিত্রের দিকে তাকালেই বোঝা যায়।

    সাদ্দাম এবং গাদ্দাফিকে শুধু ক্ষমতাচ্যুতই করা হয়নি, বরং নিজ দেশেই ন্যাক্কারজনকভাবে অপমানিত ও হত্যা করা হয়েছিল। পশ্চিমা শক্তির মদতে আসা সেই 'পরিবর্তন' কি দেশগুলোতে শান্তি এনেছে?

    ১. লিবিয়া: গাদ্দাফির সময়ে লিবিয়া ছিল আফ্রিকার অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ। আজ সেই লিবিয়া কয়েক টুকরোয় বিভক্ত এবং সশস্ত্র মিলিশিয়াদের স্বর্গরাজ্য।

    ২. ইরাক: সাদ্দাম-পরবর্তী ইরাক এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আইএস এবং উগ্রবাদী গোষ্ঠীর ধ্বংসযজ্ঞের সাক্ষী।

    ৩. সুদান: বশিরের পতনের পর গণতন্ত্রের বদলে দেশটি এখন ইতিহাসের ভয়াবহতম এক গৃহযুদ্ধের আগুনে জ্বলছে।

    প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, বাইরের হস্তক্ষেপে আসা তথাকথিত 'মুক্তি' আসলে দেশগুলোকে দুর্বল করেছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনকে নরকে পরিণত করেছে।

    আজ ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে যখন আলোচনা হচ্ছে, তখন এই ঐতিহাসিক উদাহরণগুলো সামনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।

    কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিবর্তন বা পরিবর্তন হওয়া উচিত সেই দেশের জনগণের নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ও জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে। বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের ফলাফল যে দীর্ঘস্থায়ী পরাধীনতা বা বিশৃঙ্খলা ছাড়া আর কিছু নয়, তা ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে।

    আবেগ নয়, বরং দূরদর্শিতাই হোক আমাদের পথচলার মূলমন্ত্র। কারণ, স্থিতিশীলতা হারানো সহজ, কিন্তু ধ্বংসস্তূপ থেকে রাষ্ট্রকে পুনরায় গড়ে তোলা কয়েক প্রজন্মের লড়াইয়ের সমান।

    #Geopolitics #Iran #History #RegimeChange #Libya #Iraq #Sudan #ForeignPolicy #Alert
    সাদ্দাম হোসেন, মুয়াম্মার গাদ্দাফি কিংবা ওমর আল-বশির; এক সময়ের দাপুটে এইসব মুসলিম শাসকদের পতনের ইতিহাস থেকে একটা 'লেসন লার্ন্ড' খুব 'কমন' আর তা হলঃ মুসলিম বিশ্বের 'রেজিম চেঞ্জ' বা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যে স্বপ্ন পশ্চিমা শক্তিগুলো আমাদের দেখায়, তার বাস্তব পরিণতি কী হতে পারে, তা ইরাক, লিবিয়া এবং সুদানের বর্তমান মানচিত্রের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। সাদ্দাম এবং গাদ্দাফিকে শুধু ক্ষমতাচ্যুতই করা হয়নি, বরং নিজ দেশেই ন্যাক্কারজনকভাবে অপমানিত ও হত্যা করা হয়েছিল। পশ্চিমা শক্তির মদতে আসা সেই 'পরিবর্তন' কি দেশগুলোতে শান্তি এনেছে? ১. লিবিয়া: গাদ্দাফির সময়ে লিবিয়া ছিল আফ্রিকার অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ। আজ সেই লিবিয়া কয়েক টুকরোয় বিভক্ত এবং সশস্ত্র মিলিশিয়াদের স্বর্গরাজ্য। ২. ইরাক: সাদ্দাম-পরবর্তী ইরাক এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আইএস এবং উগ্রবাদী গোষ্ঠীর ধ্বংসযজ্ঞের সাক্ষী। ৩. সুদান: বশিরের পতনের পর গণতন্ত্রের বদলে দেশটি এখন ইতিহাসের ভয়াবহতম এক গৃহযুদ্ধের আগুনে জ্বলছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, বাইরের হস্তক্ষেপে আসা তথাকথিত 'মুক্তি' আসলে দেশগুলোকে দুর্বল করেছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনকে নরকে পরিণত করেছে। আজ ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে যখন আলোচনা হচ্ছে, তখন এই ঐতিহাসিক উদাহরণগুলো সামনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিবর্তন বা পরিবর্তন হওয়া উচিত সেই দেশের জনগণের নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ও জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে। বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের ফলাফল যে দীর্ঘস্থায়ী পরাধীনতা বা বিশৃঙ্খলা ছাড়া আর কিছু নয়, তা ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে। আবেগ নয়, বরং দূরদর্শিতাই হোক আমাদের পথচলার মূলমন্ত্র। কারণ, স্থিতিশীলতা হারানো সহজ, কিন্তু ধ্বংসস্তূপ থেকে রাষ্ট্রকে পুনরায় গড়ে তোলা কয়েক প্রজন্মের লড়াইয়ের সমান। #Geopolitics #Iran #History #RegimeChange #Libya #Iraq #Sudan #ForeignPolicy #Alert
    ·2K Views ·0 voorbeeld
  • খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য:

    ২৭ জুন, ১৯৮১।
    তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে রাখা একটি টেপ রেকর্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর যখন রেকর্ডারটি চেক করা হয়, তখন তার ভেতরে একটি ছোট চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল: "ফোরকান গ্রুপের পক্ষ থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে উপহার।" বোঝা গেল, টেপ রেকোর্ডারের ভেতরে ছিল শক্তিশালী বোমা।

    ​এই ​বিস্ফোরনে খামেনির বুক, ডান কাঁধ এবং ডান হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফুসফুস ছিদ্র হয়ে যায়, সাথে প্রচুর রক্তক্ষরণ।চিকিৎসকদের মতে, তিনি যে বেঁচে ফিরেছেন তা ছিল এক কথায় অলৌকিক। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শক্তিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ডান হাতের স্নায়ু বা নার্ভগুলো পুরোপুরি ছিঁড়ে যায়। ডাক্তাররা কয়েক ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করেও হাতটি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারেননি। এর ফলে তাঁর ডান হাতটি চিরতরে অচল বা প্যারালাইজড হয়ে যায়। তবুও এক হাত দিয়ে কাঁপিয়েছেন বিশ্ব।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লেখা একটি বই ভীষণ জনপ্রিয়।বইটার নাম 'Palestine'। ৪১৬ পৃষ্ঠার এই বইটিতে তিনি ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে এমন সুনিপুণ ম্যাপ আর গাণিতিক বিশ্লেষণ দিয়েছেন যা অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষককে অবাক করেছে। বইটি পড়লে ধারণা পাওয়া যায়, কতটা রণকৌশলী মস্তিষ্ক ছিল খামেনির।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় নেতা যাকে 'টাইম' এবং 'ফোর্বস' ম্যাগাজিন বারবার বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সেখানে তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার এক ইশারায় বিশ্ব তেলের বাজার ও ভূ-রাজনীতি তোলপাড় হতে পারে।

    অনেকেই জানেন না যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি একজন বড় মাপের আধ্যাত্মিক সাধক বা 'আরিফ'। তিনি ইসলামের গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন বা 'ইরফান'-এ বিশ্বাসী। তিনি মনে করেন, স্রষ্টার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য শুধু নামাজ-রোজার পাশাপাশি অন্তরের পবিত্রতা এবং দুনিয়াবি মোহ ত্যাগ করা জরুরি। তাঁর শান্ত ও ধীরস্থির আচরণের পেছনে এই আধ্যাত্মিক চর্চার বড় প্রভাব দেখেন বিশ্লেষকরা। খামেনি 'বেলায়াত-এ-ফকিহ' দর্শনে বিশ্বাসী। এর সহজ মানে হলো—যতক্ষণ পর্যন্ত ইমাম মাহদী সশরীরে ফিরে না আসছেন, ততক্ষণ একজন যোগ্য এবং ন্যায়পরায়ণ ইসলামি আইনবিদ মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই রাজনৈতিক ক্ষমতা আসলে একটি ধর্মীয় দায়িত্ব। অনুসারী মনে করেন, খামেনি আসলে ইমাম মাহদীর আগমনের পথ প্রস্তুত করছেন।

    আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রায়ই বলেন, বিজ্ঞান এবং ইসলাম একে অপরের পরিপূরক। একারণেই ইরানে তাঁর শাসনামলে স্টেম সেল রিসার্চ, ন্যানো টেকনোলজি এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অনেক রক্ষণশীল মুসলিম দেশে নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত করা হয়।

    খামেনির সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো তাঁর দেওয়া একটি বিশেষ ফতোয়া। এর মাধ্যমে তিনি সুন্নিদের অপমান করা হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি মনে করেন, শিয়াদের মধ্যে যারা সুন্নিদের আবেগ নিয়ে কটূক্তি করে, তারা আসলে ইসলামের শত্রু এবং ব্রিটিশ বা পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার চর।
    যেকারণে শিয়া নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ-এর মতো সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বছরের পর বছর ধরে সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। ভূ-রাজনীতিতে এটি একটি বিরল ঘটনা, যেখানে একজন শিয়া নেতা সুন্নিদের স্বার্থে এত বড় ঝুঁকি নেন।
    প্রজ্ঞাবান বিশ্বনেতাদের চাইলেই শেষ করা যায় না। বিনম্র শ্রদ্ধা, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
    - জটাংক
    খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য: ২৭ জুন, ১৯৮১। তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে রাখা একটি টেপ রেকর্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর যখন রেকর্ডারটি চেক করা হয়, তখন তার ভেতরে একটি ছোট চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল: "ফোরকান গ্রুপের পক্ষ থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে উপহার।" বোঝা গেল, টেপ রেকোর্ডারের ভেতরে ছিল শক্তিশালী বোমা। ​এই ​বিস্ফোরনে খামেনির বুক, ডান কাঁধ এবং ডান হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফুসফুস ছিদ্র হয়ে যায়, সাথে প্রচুর রক্তক্ষরণ।চিকিৎসকদের মতে, তিনি যে বেঁচে ফিরেছেন তা ছিল এক কথায় অলৌকিক। বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শক্তিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ডান হাতের স্নায়ু বা নার্ভগুলো পুরোপুরি ছিঁড়ে যায়। ডাক্তাররা কয়েক ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করেও হাতটি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারেননি। এর ফলে তাঁর ডান হাতটি চিরতরে অচল বা প্যারালাইজড হয়ে যায়। তবুও এক হাত দিয়ে কাঁপিয়েছেন বিশ্ব। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লেখা একটি বই ভীষণ জনপ্রিয়।বইটার নাম 'Palestine'। ৪১৬ পৃষ্ঠার এই বইটিতে তিনি ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে এমন সুনিপুণ ম্যাপ আর গাণিতিক বিশ্লেষণ দিয়েছেন যা অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষককে অবাক করেছে। বইটি পড়লে ধারণা পাওয়া যায়, কতটা রণকৌশলী মস্তিষ্ক ছিল খামেনির। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় নেতা যাকে 'টাইম' এবং 'ফোর্বস' ম্যাগাজিন বারবার বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সেখানে তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার এক ইশারায় বিশ্ব তেলের বাজার ও ভূ-রাজনীতি তোলপাড় হতে পারে। অনেকেই জানেন না যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি একজন বড় মাপের আধ্যাত্মিক সাধক বা 'আরিফ'। তিনি ইসলামের গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন বা 'ইরফান'-এ বিশ্বাসী। তিনি মনে করেন, স্রষ্টার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য শুধু নামাজ-রোজার পাশাপাশি অন্তরের পবিত্রতা এবং দুনিয়াবি মোহ ত্যাগ করা জরুরি। তাঁর শান্ত ও ধীরস্থির আচরণের পেছনে এই আধ্যাত্মিক চর্চার বড় প্রভাব দেখেন বিশ্লেষকরা। খামেনি 'বেলায়াত-এ-ফকিহ' দর্শনে বিশ্বাসী। এর সহজ মানে হলো—যতক্ষণ পর্যন্ত ইমাম মাহদী সশরীরে ফিরে না আসছেন, ততক্ষণ একজন যোগ্য এবং ন্যায়পরায়ণ ইসলামি আইনবিদ মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই রাজনৈতিক ক্ষমতা আসলে একটি ধর্মীয় দায়িত্ব। অনুসারী মনে করেন, খামেনি আসলে ইমাম মাহদীর আগমনের পথ প্রস্তুত করছেন। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রায়ই বলেন, বিজ্ঞান এবং ইসলাম একে অপরের পরিপূরক। একারণেই ইরানে তাঁর শাসনামলে স্টেম সেল রিসার্চ, ন্যানো টেকনোলজি এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অনেক রক্ষণশীল মুসলিম দেশে নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত করা হয়। খামেনির সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো তাঁর দেওয়া একটি বিশেষ ফতোয়া। এর মাধ্যমে তিনি সুন্নিদের অপমান করা হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি মনে করেন, শিয়াদের মধ্যে যারা সুন্নিদের আবেগ নিয়ে কটূক্তি করে, তারা আসলে ইসলামের শত্রু এবং ব্রিটিশ বা পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার চর। যেকারণে শিয়া নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ-এর মতো সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বছরের পর বছর ধরে সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। ভূ-রাজনীতিতে এটি একটি বিরল ঘটনা, যেখানে একজন শিয়া নেতা সুন্নিদের স্বার্থে এত বড় ঝুঁকি নেন। প্রজ্ঞাবান বিশ্বনেতাদের চাইলেই শেষ করা যায় না। বিনম্র শ্রদ্ধা, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। - জটাংক
    ·1K Views ·0 voorbeeld
  • ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রিভাবে 'সুদ/খোর' বলা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে, যারা ডক্টর ইউনূসকে পছন্দ করেন, তাদেরও বেশিরভাগ জানেন না যে ডক্টর ইউনূসের কোনো সুদের ব্যবসা নেই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীণ ব্যাংকে তার এক টাকার মালিকানাও নেই, শেয়ারও নেই... কখনো ছিলই না।

    সারা পৃথিবীর ১০৭টি ইউনিভার্সিটিতে ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটি করেছে। এর প্রধান কারণ হলো তাঁর মাইক্রো-ফাইন্যান্স, যেটি তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীণ ব্যাংককে নোবেল শান্তি পুরস্কার এনে দিয়েছিল।

    জিনিসটি আমাদের কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি! ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইন্যান্সের মূল ভিত্তি হলো এটি... এই ব্যবসায় কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক। এটিকে বলা হয় সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নেই, জনগণই মালিক।

    বাহির থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তাঁর এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরিব মানুষের।

    নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরি করতেন।
    প্রথমত, তিনি কোম্পানিতে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি। দ্বিতীয়ত, তিনি কোম্পানিটিকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ কোম্পানির একক মালিক না হতে পারে। কোম্পানি অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন।

    শুধু যে গ্রামীণ ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সোরোস ও টেলিনরদের সহযোগিতায় তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায়, টেলিনর বাংলাদেশে আসে এবং তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরিবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না, গ্রামীণ টেলিকমও নন-প্রফিট কোম্পানি হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। চাইলে সহজেই তিনি ১০–১৫% মালিকানা নিজের জন্য রাখতে পারতেন।

    অথচ, লাভের কোনো টাকা নিজের কাছে না আসা নিশ্চিত করেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সু/দের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে, গ্রামীণ ব্যাংকের মত সুদ আর কেউ নেয় না। কিন্তু এই টাকায় প্রফিট করে ড. ইউনূস তা নয়।
    সত্যি বলতে, আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারে না। একজন মানুষ ব্যবসা করছে, সে সেখান থেকে লাভ করবে না... এটা আমরা ভাবতেও পারি না। আমরা ভাবি শুধু টাকা কামানোর কথা। যেমনভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন: "টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, কিন্তু অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি!" উনার ভাষায়, নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস।

    মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরিব আরও গরিব হবে, ধনী আরও ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি সব নন-প্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। নিজের জন্য কোনো মালিকানা রাখেননি। কিন্তু এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানি দেখুন, মালিকানা সব নিজেদের। কোম্পানির কথা বাদ দিন, এনজিওগুলোও অধিকাংশই পরিবারের বা নিজেদের। বড় বড় পদগুলোতে পরিবারের সদস্যরাই বসে থাকে।

    কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমনটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিতে নিজেকে বা পরিবারের কাউকেই রাখেননি। চাইলে সহজেই এসব কোম্পানিতে নিজের শেয়ার রেখে তিনি বিলিয়নিয়ার হতে পারতেন। তাঁর বন্ধু-বান্ধব সবাই বিলিয়নিয়ার, মাল্টি-বিলিয়নিয়ার, কিন্তু তিনি সেদিকে হাঁটেননি। অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড. ইউনূসের আয়ের উৎস কোনটা? আমি নিশ্চিত, অনেকেই এ ব্যাপারে জানেনই না।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন বিশ্বের অন্যতম 'হাইএস্ট পেইড স্পিকার!' স্পিচ দেওয়ার জন্য তাঁকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। উনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ হয় ৭৫,০০০ থেকে ১ লাখ ডলারের মতো! কখনও কখনও আরও বেশি। বিশ্বের নামী-দামী প্রতিষ্ঠানগুলো তাঁকে নিয়ে যায় উনার বক্তব্য শোনার জন্য। উনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্য ডাকা হয়।

    যেমন, ২০২৪ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির তিনজনের একজন হচ্ছেন মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। ২০২৬ সালের ইতালি অলিম্পিকের জন্য ইতালিয়ানরা তাঁকে পরামর্শদাতা হিসেবে পেতে চাচ্ছে।

    আমরা মনে করি, গ্রামীণ ব্যাংক ও গ্রামীণ টেলিকমের মতো উনার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেই তিনি আয়ের উৎস পান... এটা ঠিক নয়। এরা প্রকাশ্যে কখনও স্বীকার করেননি যে এগুলোতে তাঁর ০.০১% শেয়ারও নেই।

    প্রফেসর ইউনুস একটি বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভাবুন, একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। বিশ্বের সেরা প্রফেসররা সেখানে আসত। তাঁর একবার আহ্বানে বিল গেটস, আমেরিকান প্রেসিডেন্টও সেখানে স্পিচ দিতে আসত। কিন্তু সেটি হতে দেওয়া হয়নি।

    সত্যি বলতে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে যত জানবেন, তত মনে হবে, দেশ ও জাতি হিসেবে আমরা ড. ইউনূসের মতো মানুষকে ডিজার্ভ করি না।

    This post is inspired by a video from RJ Zibraan. Shared by Porte Bosh. Thanks, and gratitude to him.
    ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রিভাবে 'সুদ/খোর' বলা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে, যারা ডক্টর ইউনূসকে পছন্দ করেন, তাদেরও বেশিরভাগ জানেন না যে ডক্টর ইউনূসের কোনো সুদের ব্যবসা নেই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীণ ব্যাংকে তার এক টাকার মালিকানাও নেই, শেয়ারও নেই... কখনো ছিলই না। সারা পৃথিবীর ১০৭টি ইউনিভার্সিটিতে ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটি করেছে। এর প্রধান কারণ হলো তাঁর মাইক্রো-ফাইন্যান্স, যেটি তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীণ ব্যাংককে নোবেল শান্তি পুরস্কার এনে দিয়েছিল। জিনিসটি আমাদের কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি! ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইন্যান্সের মূল ভিত্তি হলো এটি... এই ব্যবসায় কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক। এটিকে বলা হয় সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নেই, জনগণই মালিক। বাহির থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তাঁর এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরিব মানুষের। নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরি করতেন। প্রথমত, তিনি কোম্পানিতে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি। দ্বিতীয়ত, তিনি কোম্পানিটিকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ কোম্পানির একক মালিক না হতে পারে। কোম্পানি অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন। শুধু যে গ্রামীণ ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সোরোস ও টেলিনরদের সহযোগিতায় তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায়, টেলিনর বাংলাদেশে আসে এবং তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরিবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না, গ্রামীণ টেলিকমও নন-প্রফিট কোম্পানি হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। চাইলে সহজেই তিনি ১০–১৫% মালিকানা নিজের জন্য রাখতে পারতেন। অথচ, লাভের কোনো টাকা নিজের কাছে না আসা নিশ্চিত করেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সু/দের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে, গ্রামীণ ব্যাংকের মত সুদ আর কেউ নেয় না। কিন্তু এই টাকায় প্রফিট করে ড. ইউনূস তা নয়। সত্যি বলতে, আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারে না। একজন মানুষ ব্যবসা করছে, সে সেখান থেকে লাভ করবে না... এটা আমরা ভাবতেও পারি না। আমরা ভাবি শুধু টাকা কামানোর কথা। যেমনভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন: "টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, কিন্তু অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি!" উনার ভাষায়, নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস। মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরিব আরও গরিব হবে, ধনী আরও ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি সব নন-প্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। নিজের জন্য কোনো মালিকানা রাখেননি। কিন্তু এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানি দেখুন, মালিকানা সব নিজেদের। কোম্পানির কথা বাদ দিন, এনজিওগুলোও অধিকাংশই পরিবারের বা নিজেদের। বড় বড় পদগুলোতে পরিবারের সদস্যরাই বসে থাকে। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমনটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিতে নিজেকে বা পরিবারের কাউকেই রাখেননি। চাইলে সহজেই এসব কোম্পানিতে নিজের শেয়ার রেখে তিনি বিলিয়নিয়ার হতে পারতেন। তাঁর বন্ধু-বান্ধব সবাই বিলিয়নিয়ার, মাল্টি-বিলিয়নিয়ার, কিন্তু তিনি সেদিকে হাঁটেননি। অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড. ইউনূসের আয়ের উৎস কোনটা? আমি নিশ্চিত, অনেকেই এ ব্যাপারে জানেনই না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন বিশ্বের অন্যতম 'হাইএস্ট পেইড স্পিকার!' স্পিচ দেওয়ার জন্য তাঁকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। উনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ হয় ৭৫,০০০ থেকে ১ লাখ ডলারের মতো! কখনও কখনও আরও বেশি। বিশ্বের নামী-দামী প্রতিষ্ঠানগুলো তাঁকে নিয়ে যায় উনার বক্তব্য শোনার জন্য। উনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্য ডাকা হয়। যেমন, ২০২৪ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির তিনজনের একজন হচ্ছেন মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। ২০২৬ সালের ইতালি অলিম্পিকের জন্য ইতালিয়ানরা তাঁকে পরামর্শদাতা হিসেবে পেতে চাচ্ছে। আমরা মনে করি, গ্রামীণ ব্যাংক ও গ্রামীণ টেলিকমের মতো উনার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেই তিনি আয়ের উৎস পান... এটা ঠিক নয়। এরা প্রকাশ্যে কখনও স্বীকার করেননি যে এগুলোতে তাঁর ০.০১% শেয়ারও নেই। প্রফেসর ইউনুস একটি বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভাবুন, একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। বিশ্বের সেরা প্রফেসররা সেখানে আসত। তাঁর একবার আহ্বানে বিল গেটস, আমেরিকান প্রেসিডেন্টও সেখানে স্পিচ দিতে আসত। কিন্তু সেটি হতে দেওয়া হয়নি। সত্যি বলতে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে যত জানবেন, তত মনে হবে, দেশ ও জাতি হিসেবে আমরা ড. ইউনূসের মতো মানুষকে ডিজার্ভ করি না। This post is inspired by a video from RJ Zibraan. Shared by Porte Bosh. Thanks, and gratitude to him.
    ·1K Views ·0 voorbeeld
  • চীন যদি কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে নির্ণায়ক অগ্রগতি অর্জন করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো পশ্চিমা বিশ্ব এক ধাক্কায় বিশাল প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের মুখে পড়বে—এমনই গুরুতর সতর্কতা দিচ্ছেন কানাডাভিত্তিক সাইবার বিশেষজ্ঞ জেসি ভ্যান গ্রিন্সভেন। তাঁর মতে, ত্রুটিমুক্ত বা error-corrected quantum computer হাতে পেলে এটি হবে যেন পৃথিবীর সব ডিজিটাল তালা খোলার মাস্টার কী।

    গ্রিন্সভেন সতর্ক করে বলেন, প্রচলিত কম্পিউটারের তুলনায় লক্ষ-কোটি গুণ বেশি সক্ষম এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সবচেয়ে শক্তিশালী এনক্রিপশনও ভেঙে ফেলা সম্ভব হবে। এতে বিমানবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ব্যাংকিং সিস্টেম, টেলিকম নেটওয়ার্ক, স্যাটেলাইট যোগাযোগ—সবকিছুই হয়ে উঠতে পারে অকার্যকর। এমনকি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত মার্কিন সামরিক যোগাযোগ ও কমান্ড-কন্ট্রোল সিস্টেমও বিপর্যস্ত হতে পারে।

    তিনি বলেন, “চীন যদি প্রথম ত্রুটিমুক্ত কোয়ান্টাম কম্পিউটার বানাতে পারে, তবে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি গুলিও ছুঁড়তে হবে না—ডিজিটালভাবে অচল করে দেওয়াই যথেষ্ট।”

    একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছেন দুই মার্কিন বিশ্লেষক রায়ান ফেডাসিউক ও লিন্ডসি গোরম্যান। তাদের মতে, যেই দেশ সর্বপ্রথম ব্যবহারযোগ্য কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি করবে, সেই দেশ মুহূর্তেই বিশ্বের সব রাষ্ট্রীয় গোপন নথি, সামরিক কোড, আর্থিক এনক্রিপশন এবং নিরাপত্তা অবকাঠামো ভেঙে ফেলার সক্ষমতা অর্জন করবে। এটি হবে তথ্যযুদ্ধের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা।
    চীন যদি কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে নির্ণায়ক অগ্রগতি অর্জন করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো পশ্চিমা বিশ্ব এক ধাক্কায় বিশাল প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের মুখে পড়বে—এমনই গুরুতর সতর্কতা দিচ্ছেন কানাডাভিত্তিক সাইবার বিশেষজ্ঞ জেসি ভ্যান গ্রিন্সভেন। তাঁর মতে, ত্রুটিমুক্ত বা error-corrected quantum computer হাতে পেলে এটি হবে যেন পৃথিবীর সব ডিজিটাল তালা খোলার মাস্টার কী। গ্রিন্সভেন সতর্ক করে বলেন, প্রচলিত কম্পিউটারের তুলনায় লক্ষ-কোটি গুণ বেশি সক্ষম এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সবচেয়ে শক্তিশালী এনক্রিপশনও ভেঙে ফেলা সম্ভব হবে। এতে বিমানবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ব্যাংকিং সিস্টেম, টেলিকম নেটওয়ার্ক, স্যাটেলাইট যোগাযোগ—সবকিছুই হয়ে উঠতে পারে অকার্যকর। এমনকি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত মার্কিন সামরিক যোগাযোগ ও কমান্ড-কন্ট্রোল সিস্টেমও বিপর্যস্ত হতে পারে। তিনি বলেন, “চীন যদি প্রথম ত্রুটিমুক্ত কোয়ান্টাম কম্পিউটার বানাতে পারে, তবে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি গুলিও ছুঁড়তে হবে না—ডিজিটালভাবে অচল করে দেওয়াই যথেষ্ট।” একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছেন দুই মার্কিন বিশ্লেষক রায়ান ফেডাসিউক ও লিন্ডসি গোরম্যান। তাদের মতে, যেই দেশ সর্বপ্রথম ব্যবহারযোগ্য কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি করবে, সেই দেশ মুহূর্তেই বিশ্বের সব রাষ্ট্রীয় গোপন নথি, সামরিক কোড, আর্থিক এনক্রিপশন এবং নিরাপত্তা অবকাঠামো ভেঙে ফেলার সক্ষমতা অর্জন করবে। এটি হবে তথ্যযুদ্ধের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা।
    ·527 Views ·0 voorbeeld