Upgrade to Pro

  • চীন যদি কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে নির্ণায়ক অগ্রগতি অর্জন করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো পশ্চিমা বিশ্ব এক ধাক্কায় বিশাল প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের মুখে পড়বে—এমনই গুরুতর সতর্কতা দিচ্ছেন কানাডাভিত্তিক সাইবার বিশেষজ্ঞ জেসি ভ্যান গ্রিন্সভেন। তাঁর মতে, ত্রুটিমুক্ত বা error-corrected quantum computer হাতে পেলে এটি হবে যেন পৃথিবীর সব ডিজিটাল তালা খোলার মাস্টার কী।

    গ্রিন্সভেন সতর্ক করে বলেন, প্রচলিত কম্পিউটারের তুলনায় লক্ষ-কোটি গুণ বেশি সক্ষম এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সবচেয়ে শক্তিশালী এনক্রিপশনও ভেঙে ফেলা সম্ভব হবে। এতে বিমানবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ব্যাংকিং সিস্টেম, টেলিকম নেটওয়ার্ক, স্যাটেলাইট যোগাযোগ—সবকিছুই হয়ে উঠতে পারে অকার্যকর। এমনকি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত মার্কিন সামরিক যোগাযোগ ও কমান্ড-কন্ট্রোল সিস্টেমও বিপর্যস্ত হতে পারে।

    তিনি বলেন, “চীন যদি প্রথম ত্রুটিমুক্ত কোয়ান্টাম কম্পিউটার বানাতে পারে, তবে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি গুলিও ছুঁড়তে হবে না—ডিজিটালভাবে অচল করে দেওয়াই যথেষ্ট।”

    একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছেন দুই মার্কিন বিশ্লেষক রায়ান ফেডাসিউক ও লিন্ডসি গোরম্যান। তাদের মতে, যেই দেশ সর্বপ্রথম ব্যবহারযোগ্য কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি করবে, সেই দেশ মুহূর্তেই বিশ্বের সব রাষ্ট্রীয় গোপন নথি, সামরিক কোড, আর্থিক এনক্রিপশন এবং নিরাপত্তা অবকাঠামো ভেঙে ফেলার সক্ষমতা অর্জন করবে। এটি হবে তথ্যযুদ্ধের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা।
    চীন যদি কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে নির্ণায়ক অগ্রগতি অর্জন করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো পশ্চিমা বিশ্ব এক ধাক্কায় বিশাল প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের মুখে পড়বে—এমনই গুরুতর সতর্কতা দিচ্ছেন কানাডাভিত্তিক সাইবার বিশেষজ্ঞ জেসি ভ্যান গ্রিন্সভেন। তাঁর মতে, ত্রুটিমুক্ত বা error-corrected quantum computer হাতে পেলে এটি হবে যেন পৃথিবীর সব ডিজিটাল তালা খোলার মাস্টার কী। গ্রিন্সভেন সতর্ক করে বলেন, প্রচলিত কম্পিউটারের তুলনায় লক্ষ-কোটি গুণ বেশি সক্ষম এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সবচেয়ে শক্তিশালী এনক্রিপশনও ভেঙে ফেলা সম্ভব হবে। এতে বিমানবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ব্যাংকিং সিস্টেম, টেলিকম নেটওয়ার্ক, স্যাটেলাইট যোগাযোগ—সবকিছুই হয়ে উঠতে পারে অকার্যকর। এমনকি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত মার্কিন সামরিক যোগাযোগ ও কমান্ড-কন্ট্রোল সিস্টেমও বিপর্যস্ত হতে পারে। তিনি বলেন, “চীন যদি প্রথম ত্রুটিমুক্ত কোয়ান্টাম কম্পিউটার বানাতে পারে, তবে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি গুলিও ছুঁড়তে হবে না—ডিজিটালভাবে অচল করে দেওয়াই যথেষ্ট।” একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছেন দুই মার্কিন বিশ্লেষক রায়ান ফেডাসিউক ও লিন্ডসি গোরম্যান। তাদের মতে, যেই দেশ সর্বপ্রথম ব্যবহারযোগ্য কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি করবে, সেই দেশ মুহূর্তেই বিশ্বের সব রাষ্ট্রীয় গোপন নথি, সামরিক কোড, আর্থিক এনক্রিপশন এবং নিরাপত্তা অবকাঠামো ভেঙে ফেলার সক্ষমতা অর্জন করবে। এটি হবে তথ্যযুদ্ধের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা।
    ·526 Views ·0 voorbeeld