Mise à niveau vers Pro

৩১ বছর বয়সে আমার ৩১টা অভিজ্ঞতা..

১. ভার্সিটির বড় ডিগ্রিটা কেবল ইন্টারভিউ বোর্ড পর্যন্ত নিয়ে যাবে। এরপর টিকে থাকতে হলে স্কিল লাগবে। কোন স্কিল কিংবা জব ফিল্ড পার্মানেন্ট নয় সরকারি চাকরি ছাড়া তাই কন্টিনিউ নিজেকে আপডেট করতে থাকুন আর যদি বাংলাদেশে থাকেন তবে কোনভাবে সরকারি চাকরিতে ঢোকার সুযোগ হয় সেটা হাতছাড়া করবেন না, and Yes CGPA এবং মামা-চাচা থাকাটা অনেক বড় ম্যাটার করে।

২. টাকা না থাকলে পুরুষ মানুষ হিজড়া হয়ে যায়, শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্য।

৩. আপনি ফেরেশতা হলেও কারো না কারো কাছে আপনি খারাপ। তাই "লোকে কী বলবে" সেটা লোককে ভাবতে দিন আপনি আপনার কাজ করে যান।

৪. Zara/H&M-এর জামা বা দামী আইফোন কেনাটা সফলতা নয়। বিপদের সময় কারো কাছে হাত না পেতে চলার মতো ব্যাংক ব্যালেন্স থাকাই আসল সফলতা। Show Off করে ফকিন্নি।

৫. কেবল একটা চাকরির ওপর ভরসা করে থাকা বোকামি। সাইড হাসল বা ছোটখাটো ইনভেস্টমেন্ট থাকতেই হবে। চাকরি কাল চলে গেলে পরশু কী খাবেন, সেটা আজই ভাবতে হবে।

৬. এক বছর আপনি যদি ইনকাম না করেন তারপরও আপনার পরিবার যেন চলতে পারে এই পরিমাণ টাকা যদি আপনার ব্যাংকে" ইমারজেন্সি ফান্ড" হিসেবে না থাকে তাহলে আপনার ব্যবসায় আসা উচিত না।

৭. দেখানোর জন্য লোন করে বাইক বা ফোন কেনা মানে নিজের গলার ফাঁস নিজে তৈরি করা। আয়ের চেয়ে ব্যয় কম—এই সহজ সূত্র যে বোঝে না, সে সারাজীবন গরিবই থাকে।

৮. ২৮-এ এসে দেখবেন ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট বড় কিন্তু কথা বলার মানুষ ২-৩ জন। এটাই স্বাভাবিক।

৯. আমরা ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে ভুলে যাই যে বাবা-মায়ের সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের সাথে সময় কাটান, কারণ এই সময়টা আর ফিরবে না।

১০. অফিসের কথা অফিসে। কলিগদের সাথে বেশি মাখামাখি বা ব্যক্তিগত কথা শেয়ার করা ক্যারিয়ারের জন্য আত্মঘাতী হতে পারে।

১১. রিলেশনশিপ গার্লফ্রেন্ডকে খুশি করার জন্য সামর্থের বাইরে খরচ করবেন না, এমন একজন পার্টনার খুঁজে বের করুন যে সারা জীবন আপনার পাশে থাকবে আপনার বিপদ-আপদে আপনাকে ছেড়ে যাবে না, Otherwise, stay alone.

১২. যে অন্য কাউকে ধোঁকা দিয়েছে সে আপনাকেও ধোকা দিবে, এই জামানায় ফ্যামিলি মেনে নিচ্ছে না এই কথাটা একবারেই ভুয়া, তার কাছে আপনার থেকেও বেটার অফার এসেছে এটা হল কথা | যখন কোন কিছু চিন্তা করবেন তখন দুই কানের মাঝখানে যেটা আছে সেটা ব্যবহার করার ট্রাই করবেন, দুই পায়ের মাঝখানে যেটা আছে সেটা নয়, পার্টনার ধোকা দিলে মাফ করবেন না..

১৩. এমন মানুষ খুঁজুন যে আপনার ভিশন বুঝবে এবং খারাপ সময়ে মানসিক সাপোর্ট দেবে। চেহারা কয়েক বছর পর এমনিতেই ফিকে হয়ে যায়। পারস্পরিক সমঝোতা এবং সম্মান না থাকলে কোন সম্পর্কই থাকবে না | আপনি যদি পুরুষ মানুষ হন তাহলে পরিবারে টাকা পয়সার ব্যালেন্স এবং নিরাপত্তা তৈরি করা আপনার দায়িত্ব আর আপনি যদি মহিলা মানুষ হন সংসার ঠিকভাবে ব্যালেন্স করে চলে এবং আপনার বাচ্চা যেন সঠিকভাবে মানুষ হয় এটা আপনার দায়িত্ব.. বাকি সব কিছু শুধু সোসাইটি মেনটেন করা।

১৪. সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের ট্যুর বা সাকসেস স্টোরি দেখে ডিপ্রেশনে ভুগবেন না। প্রত্যেকে তার নিজের টাইমজোনে দৌড়াচ্ছে। কেউ ২৫-এ সিইও, কেউ ৩৫-এ শুরু করে। মাসের এক তারিখে শুরু করতে হবে এমন কোন মানে নেই- যখন মনে হবে তখনই শুরু করুন।

১৫. নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করে অন্যের উপকার করার দরকার নেই। নির্লজ্জের মতো "না" বলা শিখলে জীবনে প্যারা অনেক কমে যায়। মানুষের জন্য বেশি করতে যাবেন না, মানুষ দিনশেষে নিমকহারাম।

১৬. সব নিজে ঠেকে শিখতে গেলে জীবন ছোট হয়ে যাবে। সঠিক মানুষের কাজ ফলো করুন। কোন একজন মানুষকে ফলো করুন তাকে নিজের মেন্টর বানানোর চেষ্টা করুন হয়তোবা সহজ হবে না কিন্তু যদি বানাতে পারেন তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন।

১৭. ২৮-এর পর শরীর জানান দেয়। ব্যাক পেইন, গ্যাস্ট্রিক বা চোখের সমস্যা শুরু হতে পারে। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ব্যায়াম আর পর্যাপ্ত ঘুম বিলাসিতা নয়, প্রয়োজনীয়তা। Gym কথা শুনে কেউ যদি হাসে কিংবা টিটকারি করে ডাম্বেল ওর মুখে ছুড়ে মারুন।

১৮. রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোনো স্কিম নেই। শর্টকাট খুঁজলে লং টার্মে পস্তাতে হবে। কনসিস্টেন্সি বা লেগে থাকাই আসল চাবিকাঠি।

১৯. রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত সবসময় ভুল হয়। চুপ থাকতে পারাটা এই বয়সে এসে একটা বড় সুপারপাওয়ার। আমি ছোটবেলা থেকেই খুবই শর্ট টেম্পার এবং বদমেজাজি টাইপের মানুষ ছিলাম আমি আস্তে আস্তে এই জিনিসটা শিখেছি এখন আমি অনেক ঠান্ডা মাথায় অনেক কোল্ড ডিসিশন নেই এবং খুব ভয়ঙ্কর ভাবেই নেই।

২০. মুভি দেখতে বা রেস্টুরেন্টে যেতে সঙ্গী লাগবেই—এই ধারণা বাদ দিন। নিজের সাথে সময় কাটাতে না জানলে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল। Covid সময়ে প্রায় 3 বছর আমি একাই থাকা শিখেছি এবং এরপর থেকে আমার আসলে কোন জায়গা যাওয়ার জন্য কোন মানুষ প্রয়োজন পড়ে না বেশিভাগ জায়গায় আমি একাই যাই এমন কি তিনটা দেশে আমি ঘুরেছি একাই।

২১. যে বুঝবে না, তাকে বোঝানোর চেয়ে মুচকি হেসে এড়িয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। আপনার এনার্জি তর্কের চেয়ে কাজে লাগানো জরুরি। যে বুঝবে না তাকে মারা খেতে দিন, ভালোভাবে মারা খেয়ে তখন আপনার কাছে আবার আসবে, চিন্তা করার কোন কিছু নেই।

২২. যা নেই তা নিয়ে হাহাকার না করে, যা আছে তা নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলা শিখুন। মানসিক শান্তি মিলবে। নামাজ পড়ুন পারলে দান সদকা কিছুটা করুন.. হয়তোবা যা আপনার কাছে আছে এটা অন্য মানুষের কাছে স্বপ্ন।

২৩. নিজের প্ল্যান, লাভ লাইফ বা ইনকাম—মানুষকে যত কম জানাবেন, আপনি তত নিরাপদ থাকবেন। নজরে লাগা বা হিংসা করার মানুষের অভাব নেই। আমার মনে হয় আমার প্রত্যেকটা ফলোয়ার এ বিষয়ে সম্পর্কে জানা উচিত আপনারা অনেকেই দেখছেন হয়তোবা আমি এমন কোন ভিডিও দুই বছর আগে শুট করে রেখেছি কিন্তু আপনাদেরকে জানায়নি আমার বেশিরভাগ প্রজেক্ট কাজ সবকিছুই আমি গোপন রাখতে পছন্দ করি | আমার রুমমেট দুই বছর ধরে আমার একই রুমে থেকেও বুঝতে পারেনি আমি কি কাজ করতেছি।

২৪. ছেলে হোক বা মেয়ে, নিজের কাজ (রান্না, কাপড় ধোয়া) নিজে জানাটা এখন বেসিক লাইফ স্কিল। যেসব পারেনা সে ছেলে কিংবা মেয়ে যেই হোক না কেন সে একটা অপদার্থ।

২৫. বই পড়ে যা শেখা যায় না, একটা সস্তা বাজেটের ট্যুর দিলে তার চেয়ে বেশি শেখা যায়। পৃথিবীটা দেখুন। টাকা পয়সা জমিয়ে কিংবা প্ল্যান করে কোথাও যাওয়ার চিন্তাভাবনা থাকলে সারা জীবনের যেতে পারবেন না।

২৬. কারো কাছে কিছু আশা করবেন না। মানুষ তার প্রয়োজনে আপনাকে মনে রাখবে, কাজ শেষে ভুলে যাবে—এটাই নিয়ম। মানুষকে কথা দিলে কথা রাখুন। সময়ের দাম দিলে সময় আপনাকে দাম দেবে। মনে ক্ষোভ পুষে রাখলে নিজেরই ক্ষতি। মাফ করে দিন, কিন্তু নামটা মনে রাখুন যাতে দ্বিতীয়বার ঠকতে না হয়।

২৭. নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়।

২৮. সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি।

২৯. জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা।

৩০. শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে।

৩১. সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা।

সার-সংক্ষেপঃ
১) বয়স বাড়ে, কিন্তু সবাই বড় হয় না—কিছু মানুষ শুধু বয়সে বড় হয়।
২) সম্পর্ক টিকে থাকে সম্মান আর বোঝাপড়ায়, কথার দৈর্ঘ্যে না।
৩) বেশি কথা বললে নয়, ঠিক সময়ে চুপ থাকলেই মানুষ বড় হয়।
৪) সব বন্ধু সারাজীবনের নয়—কিছু বন্ধু শুধু একটি অধ্যায়ের জন্য।
৫) পরিবারই একমাত্র জায়গা, যেখানে হারলেও আশ্রয় মেলে।
৬) টাকা সব সমস্যার সমাধান না, কিন্তু টাকার অভাবে সমস্যা নিশ্চিত।
৭) কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে ধারাবাহিকতা বেশি ফল দেয়।
৮) সবাই তোমার ভালো চাইবে—এই ধারণা সবচেয়ে বড় ভুল।
৯) নিজের সীমা না জানলে মানুষ সেই সীমা লঙ্ঘন করবেই।
১০) সম্মান চাইলে আগে নিজেকে সম্মান করতে হয়।
১১) ব্যর্থতা লজ্জার নয়, থেমে যাওয়া লজ্জার।
১২) জীবনে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না—কিছু মেনে নিতে হয়।
১৩) একাকিত্ব কখনো দুর্বলতা নয়, কখনো শক্তির উৎস।
১৪) আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে পরে যুক্তি খুঁজতে হয়।
১৫) সময়ই সবচেয়ে দামি সম্পদ—এটা অপচয় করলে জীবন অপচয় হয়।
১৬) সবার সাথে সব কথা বলা বুদ্ধিমানের কাজ না।
১৭) যারা কষ্টে পাশে থাকে, তারাই আসল মানুষ।
১৮) স্বপ্ন বড় হওয়া দোষ না, সাহস ছোট হওয়াই সমস্যা।
১৯) নিজের ভেতরের ভয়টাই সবচেয়ে বড় শত্রু।
২০) সবকিছু ঠিক করার দায়িত্ব শুধু নিজেরই।
২১) ক্ষমা করা মানে ভুলে যাওয়া না, নিজের মনকে হালকা করা।
২২) জীবনে “না” বলতে শেখা খুব জরুরি।
২৩) মানুষ বদলায়—পরিস্থিতি বদলালে সেটা আরও স্পষ্ট হয়।
২৪) শান্তি অনেক সময় সাফল্যের চেয়েও মূল্যবান।
২৫) তুলনা সুখ নষ্ট করে, আত্মউন্নয়ন সুখ বাড়ায়।
২৬) সময় খারাপ গেলে আসল চরিত্রগুলো সামনে আসে।
২৭) শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে।
২৮) নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়।
২৯) সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি।
৩০) জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা।
৩১) সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা।

Good Luck ❤️ with Salah Uddin Kader Ayyubi
৩১ বছর বয়সে আমার ৩১টা অভিজ্ঞতা.. ১. ভার্সিটির বড় ডিগ্রিটা কেবল ইন্টারভিউ বোর্ড পর্যন্ত নিয়ে যাবে। এরপর টিকে থাকতে হলে স্কিল লাগবে। কোন স্কিল কিংবা জব ফিল্ড পার্মানেন্ট নয় সরকারি চাকরি ছাড়া তাই কন্টিনিউ নিজেকে আপডেট করতে থাকুন আর যদি বাংলাদেশে থাকেন তবে কোনভাবে সরকারি চাকরিতে ঢোকার সুযোগ হয় সেটা হাতছাড়া করবেন না, and Yes CGPA এবং মামা-চাচা থাকাটা অনেক বড় ম্যাটার করে। ২. টাকা না থাকলে পুরুষ মানুষ হিজড়া হয়ে যায়, শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্য। ৩. আপনি ফেরেশতা হলেও কারো না কারো কাছে আপনি খারাপ। তাই "লোকে কী বলবে" সেটা লোককে ভাবতে দিন আপনি আপনার কাজ করে যান। ৪. Zara/H&M-এর জামা বা দামী আইফোন কেনাটা সফলতা নয়। বিপদের সময় কারো কাছে হাত না পেতে চলার মতো ব্যাংক ব্যালেন্স থাকাই আসল সফলতা। Show Off করে ফকিন্নি। ৫. কেবল একটা চাকরির ওপর ভরসা করে থাকা বোকামি। সাইড হাসল বা ছোটখাটো ইনভেস্টমেন্ট থাকতেই হবে। চাকরি কাল চলে গেলে পরশু কী খাবেন, সেটা আজই ভাবতে হবে। ৬. এক বছর আপনি যদি ইনকাম না করেন তারপরও আপনার পরিবার যেন চলতে পারে এই পরিমাণ টাকা যদি আপনার ব্যাংকে" ইমারজেন্সি ফান্ড" হিসেবে না থাকে তাহলে আপনার ব্যবসায় আসা উচিত না। ৭. দেখানোর জন্য লোন করে বাইক বা ফোন কেনা মানে নিজের গলার ফাঁস নিজে তৈরি করা। আয়ের চেয়ে ব্যয় কম—এই সহজ সূত্র যে বোঝে না, সে সারাজীবন গরিবই থাকে। ৮. ২৮-এ এসে দেখবেন ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট বড় কিন্তু কথা বলার মানুষ ২-৩ জন। এটাই স্বাভাবিক। ৯. আমরা ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে ভুলে যাই যে বাবা-মায়ের সময় ফুরিয়ে আসছে। তাদের সাথে সময় কাটান, কারণ এই সময়টা আর ফিরবে না। ১০. অফিসের কথা অফিসে। কলিগদের সাথে বেশি মাখামাখি বা ব্যক্তিগত কথা শেয়ার করা ক্যারিয়ারের জন্য আত্মঘাতী হতে পারে। ১১. রিলেশনশিপ গার্লফ্রেন্ডকে খুশি করার জন্য সামর্থের বাইরে খরচ করবেন না, এমন একজন পার্টনার খুঁজে বের করুন যে সারা জীবন আপনার পাশে থাকবে আপনার বিপদ-আপদে আপনাকে ছেড়ে যাবে না, Otherwise, stay alone. ১২. যে অন্য কাউকে ধোঁকা দিয়েছে সে আপনাকেও ধোকা দিবে, এই জামানায় ফ্যামিলি মেনে নিচ্ছে না এই কথাটা একবারেই ভুয়া, তার কাছে আপনার থেকেও বেটার অফার এসেছে এটা হল কথা | যখন কোন কিছু চিন্তা করবেন তখন দুই কানের মাঝখানে যেটা আছে সেটা ব্যবহার করার ট্রাই করবেন, দুই পায়ের মাঝখানে যেটা আছে সেটা নয়, পার্টনার ধোকা দিলে মাফ করবেন না.. ১৩. এমন মানুষ খুঁজুন যে আপনার ভিশন বুঝবে এবং খারাপ সময়ে মানসিক সাপোর্ট দেবে। চেহারা কয়েক বছর পর এমনিতেই ফিকে হয়ে যায়। পারস্পরিক সমঝোতা এবং সম্মান না থাকলে কোন সম্পর্কই থাকবে না | আপনি যদি পুরুষ মানুষ হন তাহলে পরিবারে টাকা পয়সার ব্যালেন্স এবং নিরাপত্তা তৈরি করা আপনার দায়িত্ব আর আপনি যদি মহিলা মানুষ হন সংসার ঠিকভাবে ব্যালেন্স করে চলে এবং আপনার বাচ্চা যেন সঠিকভাবে মানুষ হয় এটা আপনার দায়িত্ব.. বাকি সব কিছু শুধু সোসাইটি মেনটেন করা। ১৪. সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের ট্যুর বা সাকসেস স্টোরি দেখে ডিপ্রেশনে ভুগবেন না। প্রত্যেকে তার নিজের টাইমজোনে দৌড়াচ্ছে। কেউ ২৫-এ সিইও, কেউ ৩৫-এ শুরু করে। মাসের এক তারিখে শুরু করতে হবে এমন কোন মানে নেই- যখন মনে হবে তখনই শুরু করুন। ১৫. নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করে অন্যের উপকার করার দরকার নেই। নির্লজ্জের মতো "না" বলা শিখলে জীবনে প্যারা অনেক কমে যায়। মানুষের জন্য বেশি করতে যাবেন না, মানুষ দিনশেষে নিমকহারাম। ১৬. সব নিজে ঠেকে শিখতে গেলে জীবন ছোট হয়ে যাবে। সঠিক মানুষের কাজ ফলো করুন। কোন একজন মানুষকে ফলো করুন তাকে নিজের মেন্টর বানানোর চেষ্টা করুন হয়তোবা সহজ হবে না কিন্তু যদি বানাতে পারেন তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন। ১৭. ২৮-এর পর শরীর জানান দেয়। ব্যাক পেইন, গ্যাস্ট্রিক বা চোখের সমস্যা শুরু হতে পারে। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ব্যায়াম আর পর্যাপ্ত ঘুম বিলাসিতা নয়, প্রয়োজনীয়তা। Gym কথা শুনে কেউ যদি হাসে কিংবা টিটকারি করে ডাম্বেল ওর মুখে ছুড়ে মারুন। ১৮. রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোনো স্কিম নেই। শর্টকাট খুঁজলে লং টার্মে পস্তাতে হবে। কনসিস্টেন্সি বা লেগে থাকাই আসল চাবিকাঠি। ১৯. রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত সবসময় ভুল হয়। চুপ থাকতে পারাটা এই বয়সে এসে একটা বড় সুপারপাওয়ার। আমি ছোটবেলা থেকেই খুবই শর্ট টেম্পার এবং বদমেজাজি টাইপের মানুষ ছিলাম আমি আস্তে আস্তে এই জিনিসটা শিখেছি এখন আমি অনেক ঠান্ডা মাথায় অনেক কোল্ড ডিসিশন নেই এবং খুব ভয়ঙ্কর ভাবেই নেই। ২০. মুভি দেখতে বা রেস্টুরেন্টে যেতে সঙ্গী লাগবেই—এই ধারণা বাদ দিন। নিজের সাথে সময় কাটাতে না জানলে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল। Covid সময়ে প্রায় 3 বছর আমি একাই থাকা শিখেছি এবং এরপর থেকে আমার আসলে কোন জায়গা যাওয়ার জন্য কোন মানুষ প্রয়োজন পড়ে না বেশিভাগ জায়গায় আমি একাই যাই এমন কি তিনটা দেশে আমি ঘুরেছি একাই। ২১. যে বুঝবে না, তাকে বোঝানোর চেয়ে মুচকি হেসে এড়িয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। আপনার এনার্জি তর্কের চেয়ে কাজে লাগানো জরুরি। যে বুঝবে না তাকে মারা খেতে দিন, ভালোভাবে মারা খেয়ে তখন আপনার কাছে আবার আসবে, চিন্তা করার কোন কিছু নেই। ২২. যা নেই তা নিয়ে হাহাকার না করে, যা আছে তা নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলা শিখুন। মানসিক শান্তি মিলবে। নামাজ পড়ুন পারলে দান সদকা কিছুটা করুন.. হয়তোবা যা আপনার কাছে আছে এটা অন্য মানুষের কাছে স্বপ্ন। ২৩. নিজের প্ল্যান, লাভ লাইফ বা ইনকাম—মানুষকে যত কম জানাবেন, আপনি তত নিরাপদ থাকবেন। নজরে লাগা বা হিংসা করার মানুষের অভাব নেই। আমার মনে হয় আমার প্রত্যেকটা ফলোয়ার এ বিষয়ে সম্পর্কে জানা উচিত আপনারা অনেকেই দেখছেন হয়তোবা আমি এমন কোন ভিডিও দুই বছর আগে শুট করে রেখেছি কিন্তু আপনাদেরকে জানায়নি আমার বেশিরভাগ প্রজেক্ট কাজ সবকিছুই আমি গোপন রাখতে পছন্দ করি | আমার রুমমেট দুই বছর ধরে আমার একই রুমে থেকেও বুঝতে পারেনি আমি কি কাজ করতেছি। ২৪. ছেলে হোক বা মেয়ে, নিজের কাজ (রান্না, কাপড় ধোয়া) নিজে জানাটা এখন বেসিক লাইফ স্কিল। যেসব পারেনা সে ছেলে কিংবা মেয়ে যেই হোক না কেন সে একটা অপদার্থ। ২৫. বই পড়ে যা শেখা যায় না, একটা সস্তা বাজেটের ট্যুর দিলে তার চেয়ে বেশি শেখা যায়। পৃথিবীটা দেখুন। টাকা পয়সা জমিয়ে কিংবা প্ল্যান করে কোথাও যাওয়ার চিন্তাভাবনা থাকলে সারা জীবনের যেতে পারবেন না। ২৬. কারো কাছে কিছু আশা করবেন না। মানুষ তার প্রয়োজনে আপনাকে মনে রাখবে, কাজ শেষে ভুলে যাবে—এটাই নিয়ম। মানুষকে কথা দিলে কথা রাখুন। সময়ের দাম দিলে সময় আপনাকে দাম দেবে। মনে ক্ষোভ পুষে রাখলে নিজেরই ক্ষতি। মাফ করে দিন, কিন্তু নামটা মনে রাখুন যাতে দ্বিতীয়বার ঠকতে না হয়। ২৭. নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়। ২৮. সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি। ২৯. জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা। ৩০. শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে। ৩১. সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা। সার-সংক্ষেপঃ ১) বয়স বাড়ে, কিন্তু সবাই বড় হয় না—কিছু মানুষ শুধু বয়সে বড় হয়। ২) সম্পর্ক টিকে থাকে সম্মান আর বোঝাপড়ায়, কথার দৈর্ঘ্যে না। ৩) বেশি কথা বললে নয়, ঠিক সময়ে চুপ থাকলেই মানুষ বড় হয়। ৪) সব বন্ধু সারাজীবনের নয়—কিছু বন্ধু শুধু একটি অধ্যায়ের জন্য। ৫) পরিবারই একমাত্র জায়গা, যেখানে হারলেও আশ্রয় মেলে। ৬) টাকা সব সমস্যার সমাধান না, কিন্তু টাকার অভাবে সমস্যা নিশ্চিত। ৭) কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে ধারাবাহিকতা বেশি ফল দেয়। ৮) সবাই তোমার ভালো চাইবে—এই ধারণা সবচেয়ে বড় ভুল। ৯) নিজের সীমা না জানলে মানুষ সেই সীমা লঙ্ঘন করবেই। ১০) সম্মান চাইলে আগে নিজেকে সম্মান করতে হয়। ১১) ব্যর্থতা লজ্জার নয়, থেমে যাওয়া লজ্জার। ১২) জীবনে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না—কিছু মেনে নিতে হয়। ১৩) একাকিত্ব কখনো দুর্বলতা নয়, কখনো শক্তির উৎস। ১৪) আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে পরে যুক্তি খুঁজতে হয়। ১৫) সময়ই সবচেয়ে দামি সম্পদ—এটা অপচয় করলে জীবন অপচয় হয়। ১৬) সবার সাথে সব কথা বলা বুদ্ধিমানের কাজ না। ১৭) যারা কষ্টে পাশে থাকে, তারাই আসল মানুষ। ১৮) স্বপ্ন বড় হওয়া দোষ না, সাহস ছোট হওয়াই সমস্যা। ১৯) নিজের ভেতরের ভয়টাই সবচেয়ে বড় শত্রু। ২০) সবকিছু ঠিক করার দায়িত্ব শুধু নিজেরই। ২১) ক্ষমা করা মানে ভুলে যাওয়া না, নিজের মনকে হালকা করা। ২২) জীবনে “না” বলতে শেখা খুব জরুরি। ২৩) মানুষ বদলায়—পরিস্থিতি বদলালে সেটা আরও স্পষ্ট হয়। ২৪) শান্তি অনেক সময় সাফল্যের চেয়েও মূল্যবান। ২৫) তুলনা সুখ নষ্ট করে, আত্মউন্নয়ন সুখ বাড়ায়। ২৬) সময় খারাপ গেলে আসল চরিত্রগুলো সামনে আসে। ২৭) শেখা কখনো শেষ হয় না—বয়স যত বাড়ে, শেখার প্রয়োজন তত বাড়ে। ২৮) নিজের সিদ্ধান্তের দায় নিজেকেই নিতে হয়। ২৯) সব হারিয়েও আবার শুরু করা যায়—আমি শিখেছি। ৩০) জীবন নিখুঁত না, কিন্তু শেখার সুযোগে ভরা। ৩১) সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা—নিজের উপর বিশ্বাস রাখা। Good Luck ❤️ with Salah Uddin Kader Ayyubi
·913 Vue ·0 Aperçu